বিজেপিকে “চাড্ডি” বলায় রেগে আগুন কাঞ্চনা মৈত্র! প্রতিবাদ করতেই বিপাকে অভিনেত্রী! বানান ভুলের বহর দেখে সমালোচনার ঝড়! ‘আপনি নিজে কতটা শিক্ষিত সেটা নিয়ে…’ পোস্ট ঘিরে উত্তপ্ত নেট পাড়া!

২০১৯ সালের লোকসভা নির্বাচনের পর অভিনেত্রী কাঞ্চনা মৈত্র আনুষ্ঠানিকভাবে ভারতীয় জনতা পার্টিতে যোগ দেন। দিল্লিতে দলের সদর দপ্তরে গিয়ে তিনি সদস্যপদ গ্রহণ করেছিলেন। সেই সময় পার্নো মিত্র, রূপাঞ্জনা মিত্র এবং ঋষি কৌশিকের মতো টলিউডের আরও কয়েকজন পরিচিত মুখও বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন। যদিও পরবর্তী সময়ে সক্রিয় রাজনীতি থেকে ধীরে ধীরে নিজেদের সরিয়ে নেন তাঁরা।
২০২৩ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে কাঞ্চনা মৈত্রও বিজেপি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেন। তৎকালীন রাজ্য সভাপতি সুকান্ত মজুমদারকে হোয়াটসঅ্যাপে বার্তা পাঠিয়ে এবং সোশ্যাল মিডিয়ায় পোস্ট করে তিনি রাজনীতি থেকে সরে দাঁড়ানোর কথা জানান। সে সময় তিনি বলেছিলেন, কাজ এবং পরিবারকে বেশি সময় দেওয়ার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নিয়েছেন।
তবে সম্প্রতি সোশ্যাল মিডিয়ায় বিজেপির সমর্থনে একটি পোস্ট করে আবারও আলোচনায় উঠে এসেছেন অভিনেত্রী। ইংরেজি হরফে বাংলা লিখে তিনি পোস্টে বলেন, যারা বিজেপি কর্মীদের নিয়ে কটাক্ষ করেন, তারাই আবার শিক্ষার কথা বলেন। কিন্তু পোস্টে একাধিক বানান ভুল থাকায় বার্তার বদলে সেই ভুল নিয়েই নেটিজেনদের মধ্যে শুরু হয় ব্যাপক আলোচনা।
পোস্টের কমেন্ট বক্সে অনেকেই অভিনেত্রীকে কটাক্ষ করেন। কেউ লেখেন, পোস্টের অর্থ বুঝতেই অনেক সময় লেগেছে। আবার কেউ বানান সংশোধন করে মন্তব্য করেন। এমনকি একজন নিজেকে বিজেপি সমর্থক পরিচয় দিয়ে লেখেন, এমন পোস্ট না করার পরামর্শও দেন। ফলে রাজনৈতিক বার্তার চেয়ে বানান ভুলই হয়ে ওঠে আলোচনার মূল বিষয়।
আরও পড়ুনঃ পরাগ হয়ে জুটেছে ঘৃণা! গোপাল হয়ে জিতে নিয়েছেন হাজারো দর্শকদের মন! বর্তমানে কি করছেন দ্রোণ মুখার্জি? ফের কবে টেলিভিশনের পর্দায় দেখা যাবে অভিনেতাকে?
প্রসঙ্গত, বিজেপি ছাড়ার সময় কাঞ্চনা মৈত্র জানিয়েছিলেন যে দলের কাছ থেকে তিনি প্রাপ্য সম্মান পাননি। এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছিলেন, তিনি দলকে যতটা নিজের ভেবেছিলেন, সেই অনুভূতি উল্টো দিক থেকে পাননি। যদিও এখন সক্রিয় রাজনীতিতে না থাকলেও, সোশ্যাল মিডিয়ায় নিজের রাজনৈতিক মতামত প্রকাশ করতে দেখা যাচ্ছে তাঁকে।

