এবার জেঠু আর অয়নকে উচিত শিক্ষা দেবে ঠাম্মি! নীলাঞ্জনাকে অপমান করার জন্য ছোটকার পায়ে পড়ে ক্ষমা চাইছে অয়ন! দেখে শান্তি পাচ্ছে দর্শক

বর্তমানে জি বাংলার একটি জনপ্রিয় ধারাবাহিক হল নিম ফুলের মধু। প্রতিবারই স্লট লিড করছে এই ধারাবাহিক। এক থেকে পাঁচ এর মধ্যে সর্বদাই নাম থাকে নিম ফুলের মধুর। একান্নবর্তী পরিবার নিয়ে তৈরি ফ্যামিলি ড্রামা বেশ পছন্দ করছেন দর্শক মহল। এই ধারাবাহিকের একটি অন্যতম বৈশিষ্ট্য হচ্ছে একটি ট্র্যাক বেশি দিন ধরে টানে না, বরং প্রতি সপ্তাহে নতুন নতুন গল্প নতুন নতুন চমক দেয় দর্শকদের।
কিছুদিন আগেই আমরা দেখেছিলাম নীলাঞ্জনা অর্থাৎ সৃজনের ছোট কাকার স্ত্রীকে খুঁজতে এক গুরুতর অ্যাক্সিডেন্ট হয় সৃজনের ছোট কাকার। এরপর জীবন মরণ নিয়ে টানাটানি পড়ে যায় তার। সেই অবস্থায় নীলাঞ্জনাকে দোষ দিতে থাকে বাড়ির প্রত্যেকে, শুধু তাই নয় ঘাড় ধরে বাড়ি থেকে বের করে দিতে চায়। কিন্তু সেই টালমাটাল অবস্থায় নীলাঞ্জনার পাশে এসে দাঁড়ায় পর্না এবং প্রতিজ্ঞা করে সে দেখিয়ে দেবে কুসংস্কারের থেকে ভালোবাসার জোর অনেক বেশি।
একে একে প্রত্যেকেই ছোট কাকার হাসপাতালের খরচের দায়িত্ব থেকে নিজেদেরকে সরিয়ে নিয়ে নিজেদের মতো কেটে পড়ে। কিন্তু পর্না সৃজন সব ব্যবস্থা করে। কিন্তু সেখানেও দেখা যায় বিপত্তি হসপিটালে গিয়ে বুঝতে পারে যে এখানে টাকা নিয়ে অনেক কারসাজি হয়। পেশেন্টরা সঠিক ট্রিটমেন্ট পায় না। সেখানেও এক বড় হাঙ্গামা করে সব ঠকবাজদের মুখোশ খুলে দেয় সৃজন পর্না।
এরপর ধরা পড়ে যায় সৃজনের দাদা। সৃজনের জেঠু নিলাঞ্জনাকে অনেক ভালো মন্দ কথা বলায় তার মা অর্থাৎ ঠাম্মি বলে ওঠে তোর ছেলে কী করেছে জানিস আগে নিজের ছেলেকে শিক্ষিত কর। সৃজনের দাদা লোক ভাড়া করে এনে আজেবাজে নোংরা কথা শুনিয়েছে নীলাঞ্জনাকে। পরিস্থিতির চাপে পড়ে একথা স্বীকারও করে নেয় সৃজনের দাদা। মাথা নিচু হয়ে যায় সৃজনের জেঠিমার।
কিন্তু তাতেও একটুও ভ্রুক্ষেপ নেই তার। সেখানে দাঁড়িয়ে সৃজনের দাদা অর্থাৎ অয়ন নীলাঞ্জনাকে যা তা বলে অপমান করে। তাকে বলে বে’শ্যা বাড়িতে বি’ক্রি হয়ে যাওয়া মহিলা। আমাদের টাকায় বসে বসে খায় আবার এত বড় বড় কথা। সৃজন তাকে থামাতে গেলেও থামেনা সে। সে আরো বলে বাড়ির কেউই চায়নি নীলাঞ্জনা এই বাড়ির বউ হোক। সৃজনের মা বলে ও অভাগী আমরা তো তাই চাইনি। ওর ভাগ্য খারাপ বলেই তো আজ ঠাকুরপোর এমন দশা হল। তখন পর্নার জবাবে, চুপ করে গেল গোটা পরিবার। পর্না বলল যদি ছোট কাকির দুর্ভাগ্যের জন্যই ছোট কাকা এমন এক বিপদের মুখে পড়ে তাহলে এখন যে ছোট কাকা মৃ’ত্যুকে প্রতিহত করে বেঁচে ফিরে এসেছে সেটাও তো তাহলে ছোট কাকির সৌভাগ্যের ফল। কী হবে এরপর নীলাঞ্জনা কে কী সাদরে গ্রহণ করবে সবাই এখন সেটাই দেখার বিষয়।

