সূর্য রূপাকে বলে দিল ‘তোমার বাবা আমি নই কবীর’! আসন্ন পর্বে রূপা সূর্যের মুখোমুখি হতেই গল্পে আসবে নয়া মোড়

কিছুদিন ধরেই বদলে গিয়েছিল রুপার ব্যবহার। সবার সঙ্গে খুব অদ্ভুত আচরণ করছিল রুপা। সবাই বুঝতে পারছিলো রুপা কিছু একটা জানে এবং কিছু একটা নিজের মধ্যে চেপে রেখে গুমড়ে গুমড়ে কাঁদছে। কিন্তু সেটা কি এতদিন অব্দি কল্পনা করতে পারিনি কেউ। এইবার লাবণ্য সেন বুদ্ধি খাটিয়ে রুপার সেই রহস্যই উদঘাটন করল।
রুপা ভাবছিল মিথ্যা বলার অধিকার কি শুধু বড়দেরই রয়েছে ছোটদের কি নেই। তাই তার নেয়া পদক্ষেপে সমস্ত সত্যিটা সামনে এলো সবার। যেদিন দীপা সূর্যের বাড়িতে এসেছিল আর সূর্যতাকে জানিয়েছিল রুপাকে না ছাড়লে সে কখনো রুপাকে গ্রহণ করবে না। সেই দিনের সিসিটিভি ফুটেজ বার করিয়েছিল লাবণ্য সেন। ফুটেজ চালিয়ে তারা বুঝতে পারে তারা যেটা আশঙ্কা করছিল সেটাই হয়েছে।
ধরা পড়ে যায় আসল সত্যিটা। সেখানে দেখা যায় দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে সমস্ত কথা শুনছে রুপা। শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত প্রত্যেকটা কথা জেনে গিয়েছে রুপা। এখন আর লুকোতে হবে না তার কাছ থেকে কিছুই কারণ রুপা জানে সূর্য সেনই তার সেই বাবা মার কথায় যে বিদেশে থাকে। ফুটেজটি দেখার পর কি করবে কিছুই ভেবে পায়না দীপা।
অন্যদিকে সবাইকে ভুল বোঝে রুপা। সে বলে ছোটরা মিথ্যা বললেই কি শুধু পাপ হয় বড়রা মিথ্যা বললে হয় না? তোমরা সবাই এতদিন ধরে আমাকে আমার বাবার থেকে দূরে রেখেছো তোমরা জেনেও আমাকে আমার বাবার ঠিকানা দাওনি। এইসব কথা বলে সূর্যের দেওয়া টেডি বিয়ার টা নিয়ে জড়িয়ে ধরে কাঁদতে থাকে রুপা।
রুপা ঠিক করে নিজেই তার বাবাকে ফোন করে কথা বলবে। ঠিক সেই মত রুপা সূর্যকে ফোন করে আর ফোন করে জিজ্ঞাসা করে আচ্ছা ডাক্তার বাবু তুমি কি সত্যিই আমার বাবা নও। এতোটুকুনি একটা বাচ্চার মুখে এমন কথা শুনে অবাক হয়ে যায় সূর্য তখন সে বলে না আমি তোমার বাবা নই আর মনে মনে বলে তোমার বাবা কবির। যেটা তোমার মা তোমার থেকে লুকিয়েছে। কিন্তু রুপার সামনে এমন কিছু বলতে পারেনা। ডাক্তারবাবু চুপ থাকায় রুপা তাকে জিজ্ঞাসা করে তুমি চুপ হয়ে গেলে কেন ডাক্তারবাবু, কিন্তু সূর্য আর কোন জবাব দেয় না। তাহলে কি আরো একবার ভুল বোঝাবুঝি বাড়তে চলেছে সূর্য দীপার মাঝে?

