ছোট্ট মিঠির এক কথাতেই ভুল ভাঙল আদিত্যের! পল্লবীর বিশ্বাস ফেরাতে মরিয়া হয়ে কি করবে সে? তাকে ক্ষমা করবে তো পল্লবী? দুর্ধর্ষে আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পল্লবী মন ভেঙে যাওয়ার পর আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেনি। আদিত্যকে তীব্র ভাষায় অপমান করে এবং মনের জমানো ক্ষোভ উগরে দিয়ে সে সেখান থেকে বেরিয়ে যায়। যে বিশ্বাস আর সম্মানের ওপর ভর করে তাদের সম্পর্ক গড়ে উঠেছিল, তা এক মুহূর্তে চুরমার হয়ে গেল। পল্লবীর এই কঠোর রূপ ও প্রস্থান স্পষ্ট করে দিল যে, আদিত্যের কোনো ছলাকলা এবার আর তার মন গলাতে পারেনি।
পারিবারিক টানাপোড়েন আর চরম হতাশা থেকে অতিরিক্ত মদ্যপান করে রণ এখন হাসপাতালের বিছানায়। তার শারীরিক অবস্থার দ্রুত অবনতি হওয়ায় তাকে জরুরি ভিত্তিতে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। ডাক্তার যখন রণর মাসি ও মেসোকে জানান যে অতিরিক্ত মদ্যপানই তার এই সংকটের কারণ, তখন মেসো হতবাক হয়ে যান যদিও মাসি এই সত্যটা আগেই জানতেন। পরবর্তীতে রণর জ্ঞান ফেরে এবং সে তার মামনিকে কথা দেয় যে আর কখনো নেশার পথে যাবে না।
সংসারে ঘনিয়ে এসেছে আর্থিক সংকট। শ্রীনিবাসের চাকরি চলে গেছে এবং বাড়ির ভাড়া দেওয়া নিয়ে সে গভীর দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে। কমলা পরিস্থিতির আঁচ পেয়ে শ্রীনিবাসের হাত ধরে মমতার সাথে আশ্বাস দেয় এবং সব কথা খুলে বলতে বলে। শ্রীনিবাসকে নিজের জুনিয়রের অধীনে কাজ করার প্রস্তাব পাওয়ার মতো অপমানজনক ও কষ্টের পরিস্থিতিও সহ্য করতে হয়। অন্যদিকে, শানুর লোন হঠাৎ পাস হয়ে যায় এবং সমরের জটিল পরিস্থিতি সম্রাট এসে সামলে দেয়।
ঝিনুককে দোষী ভেবে একজন মনে মনে অনেক অভিশাপ দেয়, অথচ সে জানেই না যাদের সে খারাপ চাইছে, তারা আসলে তার নিজের মানুষ কমলারই পরিবার। আগামী পর্বে দেখা যাবে, আদিত্য পল্লবীকে ফোন করলে ফোনটি ধরে ছোট্ট মিঠি। মিঠির সাথে কথা বলার সময় আদিত্য নিজের অপরাধবোধ আর লুকিয়ে রাখতে পারে না এবং স্বীকার করে সে বড় ভুল করেছে। জবাবে মিঠি সহজভাবে বলে ভুল বুঝতে পারলে নাকি সব ঠিক হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ ‘ভোর হওয়া অব্দি ছেলেকে বুকে জড়িয়ে কোণায় বসেছিলাম…’ বিজেপি করার অপরাধে ইটের আঘাত! ভাঙচুর করা হয়েছিল ঘরের জানলা দরজা! ১৪ বছরের লড়াইয়ের অজানা গল্প শোনালেন অঞ্জনা বসু!
ছোট্ট মিঠির এই কথাটি আদিত্যকে গভীরভাবে ভাবিয়ে তোলে। সে মনে মনে সিদ্ধান্ত নেয়, যতক্ষণ না ম্যাডাম তাকে ক্ষমা করছেন, সে ক্ষমা চাওয়ার চেষ্টা চালিয়ে যাবে। তার এই অনুশোচনা দেখে মনে হচ্ছে হয়তো সত্যিই তার জীবনে এক নতুন পরিবর্তনের সূচনা হতে চলেছে। তবে আদিত্যের এই অনুতাপ কি কেবল মুখের কথাতেই আটকে থাকবে, নাকি সে নিজের কাজের মাধ্যমে সবার বিশ্বাস আবার ফিরিয়ে আনতে পারবে তা সময় বলবে।

