মর্গের ফ্রিজ থেকে বের করে মৃত সৃজনকে বাঁচিয়ে তুলবে পর্ণা! গাঁ’জা’খু’রি গল্প দেখাতে দেখাতে এবার আর কী দেখাবে নির্মাতারা? প্রশ্ন দর্শকের

জি বাংলার অত্যন্ত জনপ্রিয় সিরিয়াল হলো “নিম ফুলের মধু”। ‘বিয়ের প্রথম বছর হল নিম ফুলের মধু, (Neem Phuler Modhu) তেঁতোটুকু পার করলে তবে না ফুলের হদিস পাবি!’ এই উক্তিটি সিরিয়ালের মুখ্য চরিত্র পর্নার যখন বিয়ে হয়েছিল তখন তার ফুলশয্যার পরের দিন তার ঠাকুমা-শাশুড়ি পর্নাকে বলেছিল। ঠাকুমা-শাশুড়ির এই কথাটা বর্তমানে ফলে গেছে। বিয়ের পর পর্ণাকে অনেক রকমের মুশকিলের সম্মুখীন হতে হলেও এখন শ্বশুর বাড়িতে পর্ণার রাজত্ব চলে।
বর্তমানে নীলাঞ্জনাকে খুঁজতে গিয়ে এক দুর্ঘটনায় গুরুতরো আঘাত পান সৃজনের ছোট কাকা। সঙ্গে সঙ্গে নার্সিংহোমে ভর্তি করা হয় তাকে। সৃজনের বাড়ির প্রত্যেকটি মানুষই প্রায় একে একে নিজেদের সমস্ত দায় দায়িত্ব এড়িয়ে যায়। শেষমেষ সৃজন পর্ণা মিলে একটা ব্যবস্থা করে দশ লাখ টাকা জমা দিতে আসে হসপিটালে। কিন্তু রিসিপশনিস্ট বলে টাকা দিতে দেরি হয়েছে তাই আরও তিরিশ হাজার টাকা এক্সট্রা লাগবে। সেই শুনেই সন্দেহ হয় সৃজন পর্নার। তারা বুঝতে পারে নিশ্চয়ই কিছু একটা কারসাজি চলছে এখানে।
এই জোচ্চুরি ধরতেই সৃজনকে বয়স্ক লোক সাজিয়ে তাকে অসুস্থ পেশেন্ট বলে নিজের নার্স সেজে ওই হসপিটালিরে আর এক ডাক্তার অভিনন্দন এর সাথে হাত মিলিয়ে নার্সিংহোমে ঢুকে পরে পর্না। তারপর আইসিইউ তে নিয়ে যাওয়া হয় সৃজনকে। প্ল্যান করা হয় যখনই ডাক্তাররা কোন জোচ্চুরি করবে তখনই সেটা ফোনে ভিডিও করে নেবে সৃজন। আর হলও তেমনটা। অভিনন্দন কারসাজি করে এমনটাই দেখালো যে সৃজন মারা গেছে কিন্তু ডাক্তাররা বলল এত তাড়াতাড়ি এই পেসেন্টকে হাতছাড়া করলে চলবে না। আরো কিছু টেস্ট আরো কিছু টাকা নিয়ে তবে ছাড়তে হবে। এই গোটা ঘটনাটা ভিডিওর বদলে কেবলমাত্র অডিও রেকর্ড করে শ্রীজন। তাই আরেকটু প্রমাণ জোগাড়ের আশায় ওখানেই তারা দাঁড়িয়ে থাকে। এরপর ঘটে-বিপত্তি।
বডি তিন দিন ধরে আইসিইউ তে পড়ে থাকলে পচে যাবে তাই মর্গে পাঠানোর ব্যবস্থা করতে বলে ডাক্তার। সেই শুনে ভয় বুক কেঁপে ওঠে পর্নার। অগত্যা সব ফাঁস হয়ে যাওয়ার ভয়ে সৃজনকে মর্গে নিয়ে যেতেই হয়। কিছুক্ষণ পর পর্না এবং ডক্টর অভিনন্দন আসে সৃজনকে ফ্রিজের থেকে বের করার জন্য সেখানে এসে তারা দেখে সৃজন প্রায় জমে গিয়েছে। এতক্ষণ ফ্রিজারে থাকলে কোন মানুষের বেঁচে থাকার কোন সম্ভাবনাই থাকে না। কিন্তু এক্ষেত্রে পর্না থাকতে কি মরতে পারে সৃজন?

পরবর্তী পর্বে দেখানো হবে সৃজনকে ফ্রিজের থেকে বার করছে পর্না। সে ভয় পাচ্ছে সৃজনের প্রাণ সংশয় না ঘটে। তবে এর পরের ঘটনা সকলেরই জানা বাস্তব হলে হয়তো সেখানে সৃজন মারা যেত কিন্তু এটা নিম ফুলের মধু এখানে এত তাড়াতাড়ি সৃজন মরবে না তাও আবার পর্না জীবিত থাকা অবস্থায় ত একদমই না। তাই জীবিত মানুষকে প্রথমে ফ্রিজারে ঢোকানো এবং তাকে ফ্রিজার থেকে বের করে আবার বাঁচিয়ে তোলা এইসব দেখে ট্রল হচ্ছে নিম ফুলের মধু। এমন আজগুবি ঘটনা দেখে হাসি থামেনা দর্শকদের।

