ডিএনএ টেস্টের চ্যালেঞ্জ! শিরিন-শিঞ্জিনীকে বন্দি করে সৌমিত্রের সঙ্গে ডিএনএ টেস্ট করালো পারুল! কোন সত্যের মুখোমুখি হলো সে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব!

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, যে সত্য এতদিন ধরে সবার আড়ালে চাপা ছিল, তা একদিন না একদিন সবার সামনে আসবেই এই অমোঘ নিয়ম যেন আরও একবার প্রমাণিত হতে চলেছে। পারুল যদি সত্যিই সৌমিত্রর নিজের মেয়ে হয়ে থাকে, তবে কোনো ষড়যন্ত্রই সেই সত্যকে আর চেপে রাখতে পারবে না। নিজের ভেতরের এই প্রবল আত্মবিশ্বাস আর জেদ পুরো দৃশ্যটিকে এক অদ্ভুত শক্তি দিয়েছে, যা পারুলকে তার লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে নিয়ে চলেছে।

পারুল ও রায়ান পুলিশের সাহায্য নিয়ে বসু পরিবারের সবাইকে সাথে করে শিরিনের পুরো বাড়িতে হন্যে হয়ে তল্লাশি চালায়। কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয়, বাড়ির কোণায় কোণায় খুঁজেও সৌমিত্রর কোনো সন্ধান মেলে না। সবাই যখন আশা হারিয়ে ফেলছে এবং রায়ান পারুলকে বোঝানোর চেষ্টা করছে যে সৌমিত্র কাকু হয়তো এই বাড়িতে নেই, পারুল তখনো নিজের বিশ্বাসের ওপর অটল। সে উল্টো চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় যে, আজ রাতের মধ্যেই সে তার বাবাকে খুঁজে বের করবেই।

হাল না ছেড়ে পারুল আর রায়ান ছদ্মবেশ ধারণ করে এবং নিশ্চিত হয় যে সৌমিত্র কাকু এখনও ওই বাড়ির ভেতরেই কোথাও বন্দি আছেন। এরপর মল্লার আর রাকার বুদ্ধিমত্তায় বাড়ির সিসিটিভি ফুটেজ জোগাড় করা হয়। সেই ফুটেজ খতিয়ে দেখতে গিয়েই হঠাৎ সামনে আসে বাড়ির এক গোপন কুঠুরি বা সিক্রেট রুমের রহস্য। আর সেই গোপন ঘরের হদিস মিলতেই অবশেষে পারুল তার বাবার সন্ধান পেয়ে যায়।

ঠিক যখন মনে হচ্ছিল পারুল সফল হয়েছে, তখনই গল্পে আসে এক ভয়ংকর মোড়। শিঞ্জিনী তার শয়তানি বুদ্ধি খাটিয়ে সেই সিক্রেট রুমে বিষাক্ত গ্যাস ছড়িয়ে দেয় এবং পারুল ও রায়ানকে সেখানে আটকে ফেলে। প্রথম দেখায় মনে হতে পারে যে এবার হয়তো তাদের আর কোনো রক্ষা নেই। কিন্তু আজকের পর্বের শেষের সবচেয়ে বড় রহস্য হলো, বিষাক্ত গ্যাসে আটকে পড়া ওই দুজন আসলে আসল পারুল আর রায়ানই নয়, বরং তারা ছিল অন্য কেউ!

আরও পড়ুনঃ অভিজ্ঞ অভিনেত্রী হয়ে সামান্য টাকায় কাজ করে লাভ নেই! ‘প্রাপ্য পারিশ্রমিক না পেলে কাজ করব না!’ ‘এখন কাজ পাওয়ার পদ্ধতি বদলে গেছে, কাজ পেতে গেলে আজকাল…’ টলিপাড়ার অন্ধকার দিক নিয়ে অকপটে দেবপর্ণা পাল চৌধুরী!

আসল পারুল ঠিক সময়েই সৌমিত্র কাকুর কাছে পৌঁছে যায় এবং জানায় যে সে অতীতের সব সত্য জানতে চায়। কথায় কথায় সৌমিত্র যখন অবাক হয়ে বলে যে গায়ত্রী চলে যাওয়ার সময় অন্তঃসত্ত্বা ছিল না, তখন পারুল আসল সত্যিটা নিশ্চিত করতে তাঁর সাথে ডিএনএ টেস্ট করানোর প্রস্তাব দেয়। সৌমিত্রও তাতে রাজি হন। এরপর রায়ান ও পারুল মিলে শিরিন ও শিঞ্জিনীকে তাদের নিজেদের জালেই বন্দি করে সেখান থেকে চলে আসে। তবে বাড়ি ফিরেও পারুলের মন শান্ত হয় না সে অধীর আগ্রহে ভাবতে থাকে ডিএনএ রিপোর্ট কি সত্যিই মিলবে, নাকি এর পেছনে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো বড় রহস্য?

Back to top button