আদিত্য-পল্লবীর জোর টক্কর! আদিত্যকে অপমান করে বাড়ি থেকে বের করে দিল পল্লবী! রাগের মাথায় নেওয়া সিদ্ধান্ত কি বদলে দেবে আদিত্যের ভাগ্য?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, এদিকে আদিত্য সবার জন্য তার ঠাকুমার নিজের হাতে বানানো জিলিপি নিয়ে বেশ আনন্দ করে কমলাদের বাড়িতে হাজির হয়। জিলিপি দেখে বাড়ির সবাই ভীষণ খুশি হয় এবং সবাই মিলে হৈচৈ করে আনন্দের সাথে সেই জিলিপি খাওয়া শুরু করে। কিন্তু মুশকিল হয় তখন, যখন সবাই মিলে সব জিলিপি শেষ করে ফেলে। ঠিক তার পরপরই পল্লবী বাড়ি ফেরে, কিন্তু ততক্ষণে প্লেটে আর একটা জিলিপিও অবশিষ্ট ছিল না।

সব জিলিপি শেষ হয়ে যাওয়ায় পল্লবীর মন খুব খারাপ হয়ে যায়। পল্লবীর সেই মলিন মুখ দেখে আদিত্য আর এক মুহূর্তও দ্বিধা করেনি। সে নিজের ভাগের শেষ জিলিপিটি পরম যত্নে পল্লবীর দিকে এগিয়ে দেয়। আদিত্যের এই আচরণে পল্লবীর মন ভালো হয়ে যায় এবং সে খুশি মনে সেই জিলিপিটিতে একটা কামড় দিয়ে বাকি অংশটুকু প্লেটে রেখে দেয়।

তবে গল্পের আসল এবং সবচেয়ে সুন্দর মুহূর্তটি আসে ঠিক এর পরেই। পল্লবী জিলিপিতে এক কামড় দিয়ে চলে যাওয়ার পর, আদিত্য কোনো রকম দ্বিধা বা সংকোচ ছাড়াই সেই কামড়ানো জিলিপিটি তুলে নিজে খেয়ে নেয়। আর এই পুরো দৃশ্যটি পল্লবী আড়াল থেকে নিজের চোখে দেখে ফেলে। খুব সাধারণ একটা ঘটনা হলেও, এই ছোট্ট মুহূর্তটি কোনো বড় সংলাপ বা নাটকীয়তা ছাড়াই তাদের মনের ভেতরের অপ্রকাশিত ভালোবাসাকে খুব সুন্দরভাবে প্রকাশ করে দেয়। এখন দেখার বিষয়, এই মিষ্টি স্মৃতিটি কি শুধুই স্মৃতি থাকবে, নাকি এখান থেকেই তাদের সম্পর্কে ভালোবাসার নতুন কোনো মোড় আসবে।

গল্পের আগামী পর্বে দেখা যাবে এক নতুন উত্তেজনা। আদিত্য যখন গুহ বাড়ি থেকে বের হতে যাবে, ঠিক তখনই দরজায় পল্লবীর সাথে তার জোরে একটা ধাক্কা লাগবে। এই আকস্মিক ধাক্কায় পল্লবী ভীষণ বিরক্ত হবে এবং রেগে গিয়ে আদিত্যকে বলবে, “আপনার এই অসভ্যতামি এবার বাদ দিন তো! এরপর থেকে আপনাকে যেন আর কোনোদিন এই বাড়িতে না দেখি।” এই বলে পল্লবী রাগ করে ভেতরে চলে যাবে।

আরও পড়ুনঃ ‘কফি শপের আড্ডা হয়তো নেই, তবে তথাগত আর আমার প্রেমটা…’ তথাগতর সঙ্গে বর্তমান সম্পর্ক নিয়ে চাঞ্চল্যকর স্বীকারোক্তি দেবলীনা দত্তের! তবে কী ভাঙা সম্পর্ক আবার জোড়া লাগছে?

পল্লবী রেগে ভেতরে চলে গেলেও যাওয়ার সময় অসাবধানতাবশত তার হাতের ব্রেসলেটটি মাটিতে পড়ে যাবে। আদিত্য পরম যত্নে মাটি থেকে সেই ব্রেসলেটটি তুলে নেবে। সেটি হাতের মুঠোয় নিয়ে মুচকি হেসে সে মনে মনে বলতে থাকবে, “এই জিনিসটাই আবারও আমাদের দুজনকে খুব তাড়াতাড়ি মুখোমুখি করাবে।” অর্থাৎ, পল্লবীর রাগ সত্ত্বেও এই হারিয়ে যাওয়া ব্রেসলেটটিই যে তাদের আবার কাছাকাছি নিয়ে আসবে, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

Back to top button