জীবন তাকে ‘পারফেক্ট’ বানিয়েছে, এবার ঝিনুককেও নিজের ছাঁচে ঢালতে চলেছে সম্রাট! আতঙ্কে সিঁটিয়ে ঝিনুক! ভালোবাসার আড়ালে এবার কোন নতুন রূপ দেখাবে সাই*কো সম্রাট?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, সম্রাট ও ঝিনুকের রোমান্টিক মুহূর্ত আচমকাই এক ভয়ংকর অভিজ্ঞতায় রূপ নেয়। দুজনে যখন একে অপরকে জড়িয়ে ধরে ভালোবাসার মেতে উঠেছিল, ঠিক তখনই একটি আরশোলা এসে ঝিনুকের পায়ে কামড়ে দেয়। আকস্মিক এই ঘটনায় প্রচণ্ড ভয় পেয়ে চিৎকার করে ওঠে ঝিনুক। আর ঝিনুকের এই চিৎকারই সম্রাটের ভেতরের এক লুকিয়ে থাকা ভয়ংকর ও বীভৎস রূপকে বাইরে বের করে আনে।

ঝিনুকের ওপর আরশোলার এই আক্রমণ দেখে সম্রাট প্রচণ্ড ক্রুদ্ধ হয়ে ওঠে। তার চোখ-মুখ বদলে যায় এক উন্মাদ সাইকোর মতো। সে রাগে ফেটে পড়ে বলে যে, তার জীবনের ডিকশনারিতে ‘ভুল’ বলে কোনো শব্দের জায়গা নেই। ঝিনুককে এভাবে ভয় দেখিয়ে আরশোলাটি কোনো সাধারণ ভুল করেনি, বরং একটা মস্ত বড় ‘পাপ’ করেছে। আর সেই পাপের শাস্তি সে নিজের হাতেই দেবে।

এরপরই ঘটে সেই গা শিউরে ওঠা চরম বীভৎস কাণ্ড। সম্রাট সেই জীবন্ত আরশোলাটিকে ধরে এনে সরাসরি দুধের মধ্যে ভিজিয়ে দেয় এবং ঝিনুকের চোখের সামনেই সেটি চিবিয়ে খেয়ে ফেলে! সম্রাটের এমন পৈশাচিক, নিষ্ঠুর আর ভয়ংকর রূপ এর আগে ঝিনুক কখনো দেখেনি। চোখের সামনে এই দৃশ্য দেখে সে আতঙ্কে ও চরম মরণ ভয়ে পুরোপুরি কেঁপে ওঠে।

আগামী পর্বে দেখা যাবে, সম্রাটের এই পাগলামি এখানেই থামছে না। সে ঝিনুককে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় জানাবে যে, জীবন তাকে সবসময় ‘পারফেক্ট’ হতে শিখিয়েছে। তাই ঝিনুককেও এখন থেকে একদম নিখুঁত বা পারফেক্ট হতে হবে। এর জন্য সে ঝিনুকের হাতে একটা কঠোর রুটিন বা শিডিউল ধরিয়ে দেবে, যা তাকে মেনে চলতেই হবে। ভয়ে সিঁটিয়ে থাকা ঝিনুক কোনো প্রতিবাদ না করে শুধু ইশারায় সম্রাটের এই অন্যায় শর্তে সম্মতি জানিয়ে দেবে।

আরও পড়ুনঃ ‘তুমি তো জোর করে তার প্রিয় হতে পারবে না…’ ‘হয়তো সে অভিনয় পছন্দ করেনা, বা আমাকে মানুষ হিসেবে পছন্দ করেনা…” অরূপ বিশ্বাসের সাথে রাজনৈতিক যোগ? ভাইরাল ছবি ও ট্রোলিং নিয়ে মুখ খুললেন অপরাজিতা আঢ্য!

অন্যদিকের গল্পে আবার দেখা যাবে সম্পূর্ণ ভিন্ন এক আবেগঘন পরিবেশ। কমলা রাজুকে সঙ্গে নিয়ে মন্দিরে পুজো দিতে যায়। সেখানে ঠাকুরের সামনে হাত জোড় করে কমলা দুটো জিনিস প্রার্থনা করে এক, পল্লবীর জন্য একজন ভালো জীবনসঙ্গী আর দুই, রাজুর ভবিষ্যতের একটা হিল্লে বা ভালো ব্যবস্থা। ঠিক সেই মুহূর্তেই মন্দিরে এন্ট্রি ঘটে রাজুর জীবনের নায়িকার। একটি মিষ্টি মেয়ে এসে পুজো ও ফুলের জন্য ঠাকুরমশাইকে ডাক দেয়। রাজু প্রথম দেখাতেই সেই মেয়েটির দিকে মুগ্ধ হয়ে তাকিয়ে থাকে। হয়তো রাজুর জীবনে এটাই প্রথম প্রেম! এবার দেখার অপেক্ষা, আগামী দিনে এই দুই জুটির ভাগ্য কোন দিকে মোড় নেয়।

Back to top button