জৈন পরিবারে বিয়ে! তবুও জমজমাট জামাইষষ্ঠী! প্রথম জামাই ষষ্ঠীর স্মৃতিতে আবেগে ভাসলেন অর্জুন চক্রবর্তী!

১৯৭৮ সালে প্রথম পরিচয় এবং দীর্ঘ বন্ধুত্বের পর ১৯৯১ সালে বিয়ে করেন অভিনেতা অর্জুন চক্রবর্তী ও নীলাঞ্জনা চক্রবর্তী। প্রায় সাড়ে তিন দশকের দাম্পত্য জীবনে একে অপরের পাশে থেকেছেন তাঁরা। নীলাঞ্জনা জৈন পরিবারের মেয়ে হওয়ায় অনেকের মনেই প্রশ্ন ছিল, অবাঙালি শ্বশুরবাড়িতে অর্জুনের জামাইষষ্ঠী কেমন কাটত।
বর্তমানে অনেক পরিবারেই সময় ও সুযোগ অনুযায়ী জামাইষষ্ঠী পালন করা হয়। কেউ রেস্তরাঁয় খেতে যান, কেউ আবার ছুটির দিন মিলিয়ে অনুষ্ঠান করেন। তবে কয়েক দশক আগে এই উৎসবের রীতি ছিল অনেকটাই আলাদা। বিশেষ রান্না, উপহার এবং নানা নিয়ম মেনেই সেই আয়োজন সম্পূর্ণ হত।
অর্জুন জানিয়েছেন, তাঁর শ্বশুরবাড়িতে কোনও দিনই জামাই আদরে কোনও খামতি ছিল না। প্রথম বছরের জামাইষষ্ঠী নিয়ে তাঁর শাশুড়িমা কিছুটা চিন্তায় পড়েছিলেন। কারণ, বাঙালি জামাইকে কীভাবে আপ্যায়ন করবেন তা নিয়ে তিনি দ্বিধায় ছিলেন। সেই কারণে তিনি সরাসরি অর্জুনের মায়ের সঙ্গে কথা বলে প্রয়োজনীয় পরামর্শ নিয়েছিলেন।
অভিনেতার শ্বশুরবাড়িতে মাছ, মাংস, এমনকি পেঁয়াজ-রসুনও রান্না করা হত না। তবুও এই বিষয়টি কখনও তাঁকে খারাপ লাগায়নি বলে জানিয়েছেন অর্জুন। তাঁর জন্য বিশেষ জৈন খাবারের আয়োজন করা হয়েছিল এবং তিনি সেগুলি আনন্দের সঙ্গেই খেয়েছিলেন। পাশাপাশি প্রচুর মিষ্টিও ছিল সেই দিনের মেনুতে।
আরও পড়ুনঃ ঘুমন্ত সায়ন্তনকে তুলে নিয়ে গেল উজির লোকেরা! নতুন ডাক্তারকে সঙ্গে নিয়ে মোক্ষম চাল উজ্বলার! কি করতে চলেছে সে?
বর্তমানে শ্বশুর-শাশুড়ি আর না থাকলেও পরিবারের অন্য সদস্যরা সেই সম্পর্ক ও আনন্দের পরিবেশ ধরে রেখেছেন। এখন জামাইষষ্ঠীর দিন শ্যালক ও তাঁর পরিবারের সঙ্গে বাইরে খাওয়াদাওয়ার পরিকল্পনাই বেশি থাকে। এ বছরও তেমনই আয়োজন রয়েছে। অন্যদিকে সম্প্রতি মুক্তি পেয়েছে অর্জুনের নতুন ছবি ‘ফুল পিসি ও এডওয়ার্ড’, যা নিয়ে দর্শকদের মধ্যেও যথেষ্ট আগ্রহ দেখা গিয়েছে।

