নাচে-গানে জমজমাট বিয়ের আসর! সম্রাট-ঝিনুকের গায়ে হলুদে খুশির আমেজ! হঠাৎ কিসের আশঙ্কা দানা বাঁধলো পল্লবীর মনে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas )। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বিয়ের আনন্দের আমেজে মেতে উঠে আদিত্য হাতে একটি গোলাপ ফুল নিয়ে মনের সুখে নাচতে থাকে। চারপাশের উৎসবের আবহে সে তখন সম্পূর্ণ মগ্ন। কিন্তু হঠাৎ করেই নাচতে নাচতে নিজের দিদির সাথে তার ধাক্কা লাগে। দিদিকে সেখানে আচমকা দেখে আদিত্য ভীষণ চমকে ওঠে। সে অবাক হয়ে প্রশ্ন করে, “দিদি তুই এখানে? তোর না আজ ননদের বিয়ে?” আদিত্যের কথা শুনে দিদি হেসে উত্তর দেয়, “এটাই তো আমার ননদের বিয়ে! কিন্তু তুই এখানে কী করছিস?”

এর পরেই দিদি সেখানে দাঁড়িয়ে থাকা পল্লবীকে দেখিয়ে আদিত্যের সাথে আলাপ করিয়ে দেয়। সে বলে, “এটা হলো আমার মেজো ননদ পল্লবী।” দিদির মুখে এই সম্পর্কের সমীকরণ শোনার পর আদিত্য একেবারে স্তব্ধ হয়ে যায়। আচমকা এই সত্যিটা সামনে আসায় সে নিজের কানকে বিশ্বাস করতে পারে না। কিছুক্ষণ আগের সেই আনন্দের মুখটা মুহূর্তের মধ্যে মলিন হয়ে যায় এবং সে একদৃষ্টিতে পল্লবীর দিকে তাকিয়ে থাকে।

দিদির শ্বশুরবাড়ির পরিচয় জানার পর আদিত্যের মনে এক তীব্র ঝড় চলতে থাকে। সে কিছুতেই বুঝতে পারে না এখন তার কী করা উচিত। একদিকে সে পল্লবীকে মনে-প্রাণে ভালোবাসে, কিন্তু অন্যদিকে তার দিদির পালিয়ে যাওয়া বিয়ে সে কোনোদিন মেনে নিতে পারেনি। সেই অতীতে পাওয়া আঘাতের কারণেই আদিত্য প্রতিজ্ঞা করেছিল যে, দিদির শ্বশুরবাড়ির কোনো মানুষের সাথে সে কখনো কোনো সম্পর্ক রাখবে না এবং জীবনে কোনোদিন ওই বাড়িতে পা রাখবে না। কিন্তু ভাগ্যের পরিহাসে সেই বাড়ির মেয়েকেই সে ভালোবেসে ফেলেছে। ফলে নিজের ভালোবাসার মানুষ আর নিজেরই নেওয়া কঠিন সিদ্ধান্তের মাঝে পড়ে আদিত্য এক চরম দ্বন্দ্বে জড়িয়ে পড়ে।

ঠিক সেই মানসিক টানাপোড়েনের সময়েই পল্লবী আদিত্যকে ফোন করে। আদিত্য এখনও একটা বড় সত্যি জানে না— সে বুঝতে পারেনি যে পল্লবী আর ‘মিঠির মাম্মাম’ আসলে দুজনেই এক মানুষ। তবে ফোনে পল্লবীর মিষ্টি কথা শোনার পর আদিত্যের মনের সমস্ত রাগ ও অতীতের অভিমান যেন মুহূর্তের মধ্যে ধুয়ে মুছে যায়। নিজের ভালোবাসার টানে সে অতীতের সব তিক্ততা ভুলে যাওয়ার মনে মনে এক নতুন প্রতিজ্ঞা করে।

আরও পড়ুনঃ টিআরপি তালিকায় বিরাট রদবদল! শীর্ষে ‘জোয়ার ভাঁটা’! হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে পিছিয়ে গেল ‘পরিণীতা’? প্রথম পাঁচ দখল করল কোন কোন মেগা? এখনই দেখে নিন এই সপ্তাহের টিআরপি তালিকা!

গল্পে এক খুশির হাওয়া বয়ে নিয়ে আসে ঝিনুক এবং সম্রাটের বিয়ের অনুষ্ঠান। চারদিকে ধুমধাম করে তাদের গায়ে হলুদের সমস্ত আয়োজন সম্পূর্ণ হয়। প্রথমে নাচ-গানের মধ্যে দিয়ে সম্রাটের গায়ে হলুদ শেষ হয় এবং তারপরেই একইভাবে নিয়ম মেনে ঝিনুকের গায়ে হলুদ সম্পন্ন হয়। এই আনন্দানুষ্ঠানে পরিবারের প্রত্যেকে মেতে ওঠেন এবং ঝিনুকের বিয়ে নিয়ে বাড়ির সবাই ভীষণ খুশি ও উৎসাহিত।

Back to top button