রাতের অন্ধকারে অতর্কিতে হানা! বস্তাবন্দী হয়ে পারুলের ডেরায় শিরিনের বিশেষ বন্ধু! কোন বড় বিপদে পড়তে চলেছে পারুল-রায়ান?

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বাড়ি ফিরে পারুল পরিবারের সবাইকে শিরিনের ফোনের সমস্ত তথ্য ও নথিপত্র খতিয়ে দেখার দায়িত্ব দেয়। আগামী পর্বে দেখা যাবে, বসু পরিবারের সবাই এক জায়গায় বসে গভীর চিন্তায় মগ্ন। তখনই পারুল রায়ানকে মনে করিয়ে দেয় যে, ফোনের সব কিছু দেখলেও ডিলিট হয়ে যাওয়া ফাইলগুলো তারা এখনো দেখেনি। রায়ানের বুদ্ধিতে সবাই তখন ল্যাপটপে ফোনের রিসাইকেল বিনের ডিলিট হওয়া আইটেমগুলো অধীর আগ্রহে খুঁজতে শুরু করে।

ল্যাপটপের ফাইলগুলো ঘাঁটতে ঘাঁটতে হঠাৎ পারুলের চোখে পড়ে একটি গোপন ডিএনএ রিপোর্ট। সেখানে আসল নাম লুকিয়ে শুধু ‘X’ ও ‘Y’ বলে সম্বোধন করা ছিল। পারুল ও পরিবারের বাকিরা নিজেদের বুদ্ধি খাটিয়ে বুঝে নেয় যে, এখানে ‘X’ হলো স্বয়ং পারুল আর ‘Y’ হলো তার আসল বাবা। এই চাঞ্চল্যকর তথ্য সামনে আসতেই গল্পের মোড় ঘুরে যায় এবং পারুল মনে-প্রাণে নিশ্চিত হয়ে যায় যে তার নিজের বাবা এখনো বেঁচে আছেন।

শিরিন যে এত সহজে সত্যি স্বীকার করার মেয়ে নয়, তা পারুল খুব ভালো করেই জানে। তাই সে ডিএনএ রিপোর্টটি নিয়ে সোজা শিরিনের বাড়িতে হাজির হয় এবং সৌমিত্র আঙ্কেলকে সব কিছু খুলে বলে। সৌমিত্র আঙ্কেল তখন শিরিনকে এই রিপোর্ট নিয়ে জেরা করতে শুরু করলে, শিরিন বাঁচার জন্য বানিয়ে বলে যে তার এক বন্ধু ভুল করে এটি পাঠিয়েছে। কিন্তু সৌমিত্র আঙ্কেল সেই কথা বিশ্বাস না করে উল্টো সেই বন্ধুকেই ফোন করে বাড়িতে ডেকে পাঠান।

শিরিনের সেই বন্ধু বাড়িতে আসতেই পারুল তাকে চেপে ধরে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু করে। কিন্তু সে কোনোমতে ভুলভাল বুঝিয়ে, জরুরি কাজ আছে বলে সেখান থেকে দ্রুত পালিয়ে যায়। তার এই আচরণেই পারুলের সন্দেহ আরও দৃঢ় হয়। তবে চলে যাওয়ার সময় শিরিন পারুলকে কটূক্তি করতে ছাড়েনি, যার উপযুক্ত জবাব দিয়ে পারুল একটি কেক নিয়ে সোজা শিরিনের মুখে মাখিয়ে দিয়ে সেখান থেকে চলে আসে।

আরও পড়ুনঃ ‘আর কত নিচে নামবেন?’ ‘হয়তো অনেকের নাম নিতে ভুলে যাচ্ছি…’ শুভশ্রীর ভাষণে নাম নেই জীতুর! মঞ্চের সেই এক মুহূর্ত ঘিরে সমাজ মাধ্যমে সমালোচনার ঝড়! ইচ্ছে করে অভিনেতার নাম বাদ দিয়েছেন শুভশ্রী? দাবি ভক্তদের!

এরপর আগামী পর্বে দেখা যাবে এক দুর্দান্ত টুইস্ট। পারুল ও রায়ান মিলে ঠিক করে যে, তারা মল্লার, মৈনাক ও অনিরুদ্ধ বাবুকে সাথে নিয়ে রাতের অন্ধকারে শিরিনের সেই বন্ধুকে অপহরণ করবে। পরিকল্পনা মাফিক মৈনাক ও মল্লার বস্তা দিয়ে তার মুখ বেঁধে গাড়িতে তুলে নেয়। রায়ান যখন বলে যে এই লোক সহজে মুখ খুলবে না, তখন পারুল আত্মবিশ্বাসের সাথে জানায় তাকে সোজা করার ব্যবস্থা সে আগে থেকেই তৈরি করে রেখেছে।

Back to top button