জয় বলে দিল রূপা তোর নিজের মেয়ে দাভাই, এবার কি তবে সোনা রুপার আশা পূরণ করবে সূর্য? আজকের পর্বতে রয়েছে দারুন চমক

রুপাকে টেডি বিয়ার গিফট করতে গেলে দীপা তাতে আপত্তি জানায় সে বলে রুপা তার মেয়ে তার যতটা সামর্থ্য তাই দিয়েই রুপাকে খুশি রাখবে। তাই রুপার জন্য এ সমস্ত উপহারের কোন দরকার নেই। সূর্য একথায় রেগে যায় দিপা আরো বলে মেয়ে হিসেবে যখন কোনদিনও স্বীকার করতে পারবেনা তখন এ সমস্ত দয়া দেখানোর কোন দরকার নেই। তখন সূর্য বলে সে বলেছে সে দিপাকে স্বীকার করবে না রূপাকে করতে পারে। কিন্তু দীপা জোর গলায় সূর্যকে জানিয়ে দেয় তার মা যতদিন অব্দি বেঁচে আছে রুপাকে কখনো তার থেকে আলাদা হতে দেবে না।

এরপর দীপার পাড়ারই এক বয়স্ক মানুষের হার্ট অ্যাটাক হয়। ডাক্তার জানায় বুকে পেসমেকার বসাতে হবে। কিন্তু তাতে অনেক খরচ তাই দীপা শোনা মাত্রই নিজের কাছে যে কটা টাকা আছে সব নিয়ে চলে যায় হসপিটালে সেখানে গিয়ে দেখে সূর্য বিনামূল্যে তার অপারেশন করে দেবে। কিন্তু এখানেই ঘটে যাওয়া এক আশ্চর্য ঘটনা সূর্যকে দেখে বারবারই লুকিয়ে পড়ে রুপা। তার এমন ব্যবহার দেখে কষ্ট পায় সূর্য তাই শেষমেষ রুপার হাত ধরে তাকে চেম্বারে নিয়ে আসে সে তারপর তার সঙ্গে কিছুক্ষণ গল্প করে। সূর্য বেরিয়ে যাওয়ার পর ঘরে ঢকে মিশকা। আর তারপরেই কিছু ট্যাড়া ব্যাঁকা কথা শোনাতে থাকে দীপা আর রুপাকে। তবে দীপা তার যথাযথ জবাব দেয়।

জয়ের স্ত্রী উর্মি এবং তার মা ঘরে বসে কু পরামর্শ করছিল। তারা প্ল্যান করছিল কিভাবে প্রথমে দীপাকে তারপর মিশককে সূর্য জীবন থেকে বের করে দিয়ে গোটা সাম্রাজ্যের রানী হতে পারে। কিন্তু এমন সময় ঘরে ঢুকে পড়ে জয়। আর তাদের সব কথা শুনে নেয়। এরপর ভালো-মন্দ অনেক কথা বলে উর্মিকে অপমান করে জয়। আর তার কিছুক্ষণ পর বালিশ নিয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায় সে।

জয়ের বলা কথাগুলোয় আজ চোখ খুলে গেল সূর্যর। জয়কে ড্রয়িং রুমের সোফায় বালিশ নিয়ে শুয়ে থাকতে দেখে সূর্য জিজ্ঞাসা করে সে এখানে কি করছে। আজও তো সে বুঝতে পারে উর্মীর সঙ্গে ঝামেলা করেই ড্রয়িং রুমে এসে বসে আছে জয়। কিছু কথাবার্তার পরই জয় সূর্যকে বলে সূর্য অনেক বড় মনের মানুষ কারণ সোনা সূর্য নিজের মেয়ে না হয়েও তার এত খেয়াল রেখেছে সূর্য আর রুপাকে দত্তক নেওয়ার কথাও ভেবেছে সে।

জয় সূর্যকে বলে হতে পারে রুপা সূর্যের আসল মেয়ে। অনেক কথা মনে পড়ে যায় সূর্যর তার মনে পড়ে যায় দিপা বলেছিল রুপা তারই সন্তান। কিন্তু বিশ্বাস করেনি সূর্য। আজ জয়ের বলা কথাগুলোয় রুপাকে নিয়ে বেশ ভাবনা-চিন্তার মধ্যেই পড়েছে সূর্য। তার মনে এখন হাজারো প্রশ্ন কেন ওই মেয়েটা এত আপন মনে হয়, কেন ওই মেয়েটা ডাক্তার বাবু ডাক্তারবাবু করে ছুটে আসলে এত ভালো লাগে, তাহলে কি সত্যিই রুপা তার সন্তান।

Back to top button