মণ্ডপেই ঘটল বিরাট অঘটন! ঝিনুকের বিয়েতে আদিত্য-পল্লবীর সম্পর্কে নতুন মোড়! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় শুরু হয়েছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas)। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, সম্রাট এবং ঝিনুকের বিয়ের সমস্ত আয়োজন একেবারে ধুমধাম করে পালন করা হচ্ছে। আলো ঝলমলে বিয়ে বাড়িতে আত্মীয়-স্বজন ও আমন্ত্রিত অতিথিদের উপস্থিতিতে চারদিক গমগম করছে। তবে এই আনন্দের মাঝেও ঝিনুকের মনে একটা খটকা আর প্রশ্ন জেগেছে। তার জীবনের এই বিশেষ দিনে তার সবথেকে ভালো বন্ধু রণ কেন এখনও এসে পৌঁছাল না, সেটাই ঝিনুককে অনবরত ভাবিয়ে তুলছে। বন্ধুর এই অনুপস্থিতি আনন্দের আবহাওয়াতেও ঝিনুকের মনে কিছুটা উদাসীনতা তৈরি করেছে।
অন্যদিকে, এই বিয়েতে বরের বাড়ির অর্থাৎ সম্রাটের পরিবারের তেমন কেউ উপস্থিত নেই। তাই ঝিনুকের মা-বাবা এবং তার পরিবারের লোকজনরাই অত্যন্ত দায়িত্বের সাথে বিয়ের সমস্ত নিয়ম-কানুন ও আচার-অনুষ্ঠান পালন করছেন। একে একে বিয়ের শুরুর দিকের সমস্ত নিয়ম সম্পন্ন হওয়ার পর, ঝিনুকের মা কমলা বাড়ির ও মেয়ের মঙ্গলের জন্য মন্দিরে পুজো দিতে যান।
মন্দিরে গিয়ে কমলা এক পরম মাতৃত্বসুলভ প্রার্থনায় মগ্ন হন। তিনি ঠাকুরের কাছে হাত জোর করে নিজের অপর কন্যা পল্লবীর জন্য একটি সুন্দর ভবিষ্যৎ ও একজন যোগ্য জীবনসঙ্গী কামনা করেন। তিনি প্রার্থনা করেন যেন পল্লবীর জীবনে এমন একজন মানুষ আসে, যে তাকে সারাজীবন আগলে রাখবে এবং যার সাথে পল্লবী সারাজীবন সুখে-শান্তিতে কাটাতে পারবে। পুজো শেষ করে কমলা যখন বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন, তখনই রাস্তায় হঠাত্ তার অটোটি খারাপ হয়ে যায়। এই পরিস্থিতিতে কীভাবে সময়ে বাড়ি ফিরবেন, তা নিয়ে তিনি বেশ চিন্তায় পড়ে যান। ঠিক তখনই দেবদূতের মতো সেখানে এসে হাজির হয় আদিত্য। সে তার বাইকে করে কমলাকে সসম্মানে বিয়ের মণ্ডপে পৌঁছে দেয়।
সবশেষে দেখা যায়, আদিত্য যখন কমলার সাথে ঝিনুকের বিয়ের অনুষ্ঠানে এসে উপস্থিত হয়, ঠিক তখনই মণ্ডপের এক পাশে আচমকা পল্লবীর হাত থেকে হলুদের বাটিটি ফসকে নিচে পড়ে যেতে নেয়। কিন্তু বাটিটি মাটিতে পড়ার আগেই আদিত্য অত্যন্ত দ্রুত গতিতে ছুটে এসে সেটি ধরে ফেলে। তবে বাটিটি রক্ষা পেলেও, সেখান থেকে কিছুটা হলুদ ছিটকে গিয়ে সরাসরি পল্লবীর মুখে ও কপালে লেগে যায়, যা এক অদ্ভুত নাটকীয় ও শুভ মুহূর্তের সৃষ্টি করে।
আরও পড়ুনঃ ‘অবশ্যই কারোর জীবনে প্রথম নারী হওয়াটা বিশেষ, আমিও…’ প্রথম স্ত্রী না হতে পারার আক্ষেপ অভিনেত্রীর কণ্ঠে? রাজ চক্রবর্তীর প্রথম স্ত্রীকে নিয়ে কি বললেন শুভশ্রী গাঙ্গুলী?
এই দৃশ্য দেখে সেখানে উপস্থিত কমলা দেবী ভীষণ অবাক হয়ে যান। তিনি বুঝতে পারেন যে আদিত্য এবং পল্লবী একে অপরকে আগে থেকেই খুব ভালোভাবে চেনে। এরপর কমলা হাসিমুখে পল্লবীকে জানায় যে, এই আদিত্যই রাস্তায় তাকে সাহায্য করেছে এবং তার সেই উপকারী বন্ধু। পাশাপাশি তিনি আদিত্যকেও পরিচয় করিয়ে দিয়ে বলেন যে, পল্লবী অন্য কেউ নয়, সে তারই নিজের মেয়ে। সব মিলিয়ে বিয়ে বাড়ির চেনা ছকে এক নতুন সম্পর্কের আভাস পাওয়া যায়।

