খেয়া-সায়ন্তনের ডিভোর্স আটকাতে জেলের ভেতরেই বড় খেলা! মেসোমশাইয়ের ইন্ধনে খেয়াকে ডিভোর্স না দেওয়ার জেদ সায়ন্তনের! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘জোয়ার ভাঁটা’ তে (Jowar Bhanta) চলছে টানটান উত্তেজনা পর্ব।
ধারাবাহিকের বর্তমান পর্বে দেখা যাচ্ছে চরম উত্তেজনা। খেয়ার জীবনে হঠাৎ করেই এক বিশাল সত্যি সামনে এসেছে, যা তার পুরো জীবনটাকে ওলটপালট করে দিয়েছে। বর্তমানে সায়ন্তন জেলে রয়েছে, আর এই কয়েকদিনের মধ্যে ঘটে যাওয়া সমস্ত ঘটনায় খেয়া মানসিকভাবে ভীষণ বিপর্যস্ত। তবে বাইরের লোকের সামনে বা বাড়ির সবার কাছে সে নিজেকে যতটা সম্ভব স্বাভাবিক ও ভালো রাখার অভিনয় করে চলেছে। খেয়া মুখে কিছু না বললেও, তার মনের ভেতরের এই লড়াই আর কষ্টটা কিন্তু উজি ঠিকই বুঝতে পারছে।

অন্যদিকে, জিতের কর্মজীবনেও নেমে এসেছে এক কালো মেঘ। একটা বড় চোরাকারবারির দলকে ধরতে না পেরে জিৎ অফিসার হিসেবে চরম ব্যর্থ হয়েছে। এই ব্যর্থতার শাস্তি হিসেবে তাকে চাকরি থেকে তিন মাসের জন্য সাসপেন্ড করে দেওয়া হয়েছে। এত বড় অপমান এবং পেশাগত জীবনের এই ক্ষতি জিৎ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারছে না, সে মানসিকভাবে পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে।

সাসপেন্ড হওয়ার পর জিৎ নিজের ওপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সে মদ্যপ অবস্থায়, নেশায় চুর হয়ে নিশার বাড়িতে গিয়ে হাজির হয় এবং সেখানে গিয়ে কান্নাকাটি করতে থাকে। কিন্তু জিৎ যেটা জানে না তা হলো, যে চোরাকারবারির দলকে সে হন্যে হয়ে খুঁজছিল, তার পেছনে আসল অপরাধী বা ‘মেইন কালপিট’ হলো স্বয়ং নিশা। নিশা নিজেই ওই পুরো চোরাকারবারি দলের সাথে যুক্ত থেকে পর্দার আড়াল থেকে সবটা নিয়ন্ত্রণ করছে।

অপমানে আর দুঃখে ভেঙে পড়া জিৎ নিশার বাড়িতে গিয়ে নিজের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানিয়ে দেয়। সে পরিষ্কার বলে দেয় যে, নিশাকে তার পক্ষে আর বিয়ে করা সম্ভব নয়। জিতের কথায়, তার চরিত্রের ওপর একটা মস্ত বড় দাগ লেগে গেছে এবং কর্মক্ষেত্রে তাকে চরম অপমানিত হতে হয়েছে। এই ভাঙা মন এবং কলঙ্কিত চরিত্র নিয়ে সে নিশাকে নিজের জীবনে জড়াতে চায় না।

আরও পড়ুনঃ কুমির নিয়ে শয়তান সাধুর নতুন ম’রণফাঁদ! জল আনতে গিয়েই চরম বিপদ! দিতির জীবনে ভয়ঙ্কর ঝড়! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

এদিকে খেয়ার জীবন থেকে সায়ন্তনকে চিরতরে সরিয়ে দেওয়াও এত সহজ হচ্ছে না। সায়ন্তন যাতে কোনোভাবেই খেয়াকে ডিভোর্স না দেয়, সেই জন্য মেসোমশাই নিজে গিয়ে সায়ন্তনকে জেলে ভালোমতো বুঝিয়ে ও উস্কে এসেছেন। মেসোমশাইয়ের এই চালের কারণে সায়ন্তন খেয়াকে এত সহজে মুক্তি দেবে না। আর খেয়াও মনে মনে আগে থেকেই জানত যে, সায়ন্তনের থেকে ডিভোর্স পাওয়া বা ওর কবল থেকে মুক্ত হওয়াটা তার জন্য মোটেও সহজ হবে না।

Back to top button