হাসপাতালে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার পিছনে আছে ডক্টরদের কারচুপি, সমাজের এক কঠিন সত্য ফাঁস করবে ‘পর্ণা’

২০২২ সালের শেষে শুরু হয়েছে ‘নিম ফুলের মধু’ ধারাবাহিক। মাস তিনেকের মধ্যেই এই ধারাবাহিক টিআরপি তালিকায় বেশ পাকাপোক্ত জায়গা করে নিয়েছে। শাশুড়ি-বৌমার সম্পর্কের টানাপোড়েন পছন্দ করছে দর্শক। তবে এবার যে মোড় এসেছে তাতে খেলা আরও জমবে। টিআরপিকে প্রতি সপ্তাহে এক থেকে পাঁচের মধ্যে থাকে এই ধারাবাহিক। দর্শকদের কাছে বেশ পছন্দের হয়ে উঠেছে নিম ফুলের মধু। বাংলা মিডিয়ামের মতো একটা হাই বাজেট সিরিয়াল কেউ যথেষ্ট টেক্কা দিচ্ছে এই ধারাবাহিক।

উদভ্রান্তের মতো নীলাঞ্জনাকে খুঁজতে গিয়ে মাথার ঠিক ছিল না অনিমেষ। উদভ্রান্তের মতো ঘুরতে ঘুরতে রাস্তায় দুর্ঘটনার শিকার হয় সে। আর তাই এখন বাড়ি শুধু সবাই অপয়া বলে বাড়ি থেকে ধাক্কা মেরে বের করে দিতে চায় নীলাঞ্জনাকে। এখানে কি সত্যিই কোথাও নীলাঞ্জনার দোষ রয়েছে? সৃজনের বাড়ির প্রত্যেকেই ভীষণভাবে কুসংস্কারে আচ্ছন্ন প্রকৃতির। সৃজনের মা ঘাড় ধাক্কা দিয়ে বের করে দিচ্ছিল নীলাঞ্জনা কে। সৃজনের জেঠুও যা নয় তাই শুনিয়ে দেয় তাকে। কুষ্টিতেই নাকি ছিল মেয়েটা অপয়া এমনটাও শুনতে হয় নীলাঞ্জনাকে।

এতসব শোনার পর যখন নীলাঞ্জনা বাড়ি থেকে চলে যেতে চায় তখন তার পাশে এসে দাঁড়ায় পর্ণা। বাড়ির প্রত্যেকটা মানুষ স্বার্থপরের মত ছোট কাকার প্রতি সমস্ত দায়িত্ব এক এক করে ঘার থেকে ঝেড়ে ফেলতে থাকে। সৃজন এর ছোটকার উপার্জন তেমন ছিল না তাই আজ পরিবারের সম্মানও নেই তার। কিন্তু সৃজন পর্ণা প্রতিজ্ঞা করে যে তারা প্রমাণ করবে এই সমস্ত কুসংস্কার এর থেকে ভালোবাসার জোর অনেক বেশি। ভালোবাসা দিয়ে ফিরিয়ে আনবে ছোটকাকে।

ধারাবাহিকের পরবর্তী পর্ব দেখে চমকে যেতে চলেছেন দর্শক মহল। সৃজন পর্ণা হসপিটালে রিসেপশনে এসে রীতিমতো ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যায়। সৃজন যখন রিসেপশনিস্টকে বলে ১০ লক্ষ টাকার কথা তখন রিসেপশনে বসে থাকা লোকটি তাদেরকে স্পষ্ট জানায় তারা অনেকটাই দেরি করে ফেলেছে। তাই তাদেরকে আরও ৩০ হাজার টাকা এক্সট্রা দিতে হবে।

যা শুনে চমকে যায় সবাই। পয়সা কি খোলামকুচি নাকি? যে বললেই জোগাড় হয়ে যায়। পড়না তখন সৃজনদের দিকে তাকিয়ে বলে এখানে নিশ্চয়ই কিছু একটা কারসাজি হচ্ছে। কিন্তু কি কারসাজি? সেটা জানতে হলে দর্শকদের ধৈর্য ধরতে হবে এবং নিম ফুলের মধুর আগামী পর্বে নজর রাখতে হবে।

Back to top button