মিতুলের মরণ ফাঁদ বিখ্যাত বলিউড সিনেমার নকল, টিআরপি পেতে এতকিছু! নেটপাড়ায় চরম ট্রোলের শিকার ‘খেলনা বাড়ি’।

খেলনা বাড়ি নিয়ে আলোচনার অন্ত নেই। এই ধারাবাহিকের মুখ্য চরিত্রে রয়েছেন আরাত্রিকা মাইতি। তাঁর চরিত্র মিতুলকে লার্জার দ্যান লাইফ করে তোলা হয়েছে ইতিমধ্যেই। ঘুঙুর হাতে একাই ১০-১৫ জন গুন্ডার সঙ্গে লড়াই করে সে। দুষ্টের দমনের জন্য হাতে তুলে নেয় বেল্ট। হয়ে ওঠে বেল্টকাকি। কিছুদিন আগেই স্বামীকে এক পাগল ডাক্তারের ডেরা থেকে বের করে এনেছে মিতুল। তার এই ‘হিরোইজম’ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় চর্চার শেষ নেই।
বর্তমানে ধারাবাহিকের দুই ভিলেন অনামিকা এবং রণ অনেকদিন ধরেই লাহিড়ীদের সম্পত্তি কুক্ষিগত করার চেষ্টা করছিল। মিতুলের মেয়ে গুগলির সাহায্যে সেই কাজ হাসিল করার চেষ্টা করছে তারা। এক খারাপ পাত্রের সঙ্গে গুগলির বিয়ে দিয়ে সেই কার্যসিদ্ধি করার চেষ্টা করে রণ এবং অনামিকা। পাত্রটিকে বলা হয়, সে যেন বিয়ের আগেই সমস্ত সম্পত্তি লিখিয়ে নেয়। মিতুল বিষয়টি আঁচ করে। মেয়ের বিপদ হতে দেবে না সে। তাই নয়া ফন্দি আঁটে মিতুল।
কিন্তু শেষ পর্যন্ত কোন ফন্দি কাজে আসে না তার। স্বয়ং মৃত্যুর মুখে পতিত হয় ইন্দ্র আর মিতুল দুজনাই। একদিকে সবাইকে লুকিয়ে গুগলি চলে আসে অনামিকার কাছে। কারণ সেখানেই বিয়ে হতে চলেছে গুগলির। অন্যদিকে মিতুল আর ইন্দ্র বুঝতে পারেনা এখন কি করা উচিত তাদের। আর এরপরেই ইন্দ্র এবং মিতুল আলাদা হয়ে যায় আর তখনই রনোর ফাঁদে পড়ে মিতুল।
মিতুল কে হাত-পা বেঁধে ইট দিয়ে গাথনি করে জ্যান্ত কবর দেওয়ার পরিকল্পনা করে রন। আর তার সাথে সাথে মিতুল কে এটাও বলে যে ইন্দ্র তার সাথেই মরবে। চেচামেচি করেও কিছু করে উঠতে পারে না মিতুল। মিতু রণ কে বলে সে সবকিছু শেষ করে দেবে, রনকে মেরে ফেলবে। মিতুল আরো বলে তাকে কেবলমাত্র জেলের ঘানি টানিয়ে ছেড়ে দেওয়া উচিত হয়নি তার। তাকে আরো অনেক বড় শাস্তি দেওয়া উচিত ছিল মিতুলের।
কিন্তু বাঁকা হাসি দিয়ে নিজের কাজ চালিয়ে যায় রন আর অবশেষে ইট দিয়ে মিতুলকে ঘিরে ফেলে রণ। অন্যদিকে দেখানো হয় ইন্দোর হাত পায় শিকল দিয়ে বেঁধে জলে ফেলে দেওয়া হয়েছে। আর সেখানে পড়ে থাকে সে। এমন অবস্থায় কিভাবে এই সমস্ত পরিস্থিতিতে নিয়ন্ত্রণে আনবে মিতুল? সে কি পারবে নিজেকে বাঁচাতে? মিতুল কি পারবে ইন্দ্রকে উদ্ধার করতে গুগলিকে এই চরম সর্বনাশ এর হাত থেকে বাঁচাতে? এখন সেটাই দেখার বিষয়।

