মিঠিকে উদ্ধারে ব্যর্থ পল্লবী! প্রিয় মানুষের মুখের হাসি ফেরাতে বদ্ধপরিকর আদিত্য! কী চমক আসছে ধারাবাহিকে?

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় পথচলা শুরু করেছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas )। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, আদিত্যর সাহায্য নিয়ে পল্লবী কোনোমতে সাগরদের বাড়িতে গিয়ে ঢোকে। সেখানে গিয়ে সে চারিদিকে মিঠিকে খুঁজতে থাকে। অবশেষে সে দেখতে পায়, ছোট্ট মিঠি কত কষ্টের মধ্যে আছে। ওইটুকু ছোট বাচ্চাকে দিয়ে সানি আর তার মা বাড়ির সমস্ত কাজ করাচ্ছে। মিঠি পল্লবীর নিজের মেয়ে না হলেও, পল্লবী তাকে নিজের সন্তানের মতোই ভালোবাসে। তাই মিঠির এই কষ্ট দেখে পল্লবীর মায়ের মন কান্নায় ভেঙে পড়ে।
এমন সময় সানির মা হঠাৎ সেখানে চলে আসে এবং মিঠি ও পল্লবীকে একসাথে দেখে ফেলে। এটা দেখেই সানির মা চিল চিৎকার জুড়ে দেয় এবং হট্টগোল শুরু করে। সে পল্লবীকে খুব অপমান করতে থাকে। শেষ পর্যন্ত পরিস্থিতি খারাপ দেখে পল্লবী বাধ্য হয়ে মিঠিকে ওখানেই রেখে, চোখে জল নিয়ে সেই বাড়ি থেকে বেরিয়ে আসে।
অন্যদিকে, ঝিনুকের জন্মদিন উপলক্ষে সম্রাট মস্ত বড় এক আয়োজনের ব্যবস্থা করেছে। ঝিনুককে চমকে দেওয়ার জন্য সে একটা দারুণ সারপ্রাইজ প্ল্যান করে। সে ঝিনুককে নিয়ে মাঝআকাশে গ্যাস বেলুনে করে ঘুরতে যায়, যেখান থেকে পুরো কলকাতা শহরটা দেখা যাচ্ছিল। নিজের জন্মদিনে এত বড় আর সুন্দর একটা উপহার পাবে, সেটা ঝিনুক স্বপ্নেও কখনো কল্পনা করতে পারেনি।
এরপর তারা একটা ক্যাফেতে গিয়ে বসে। সেখানে সম্রাট ঝিনুকের কাছে নিজের মনের সব কষ্টের কথা খুলে বলে। সে আবেগী হয়ে বলে, “তোমাকে ভালোবাসার জন্য কত মানুষ আছে, কিন্তু দেখো, এই পৃথিবীতে আমাকে ভালোবাসার জন্য তুমি ছাড়া আর কেউ নেই।” এরপর ঝিনুক বাড়ি ফিরলে পরিবারের সবাই মিলে খুব আনন্দ করে একসঙ্গে তার জন্মদিন পালন করে।
আরও পড়ুনঃ ‘টাকায় সব মেলে না, সিনেমার থেকে থিয়েটার অনেক বেশি তৃপ্তির!’ ২৫ বছরের ক্যারিয়ারে প্রথমবার উইন্ডোজের মুখোমুখি রজতাভ দত্ত! বর্তমান ইন্ডাস্ট্রিকে কড়া বার্তা অভিনেতার!
ওদিকে বাড়িতে ফিরে পল্লবী খালি মিঠির কথাই ভাবছিল আর কাঁদছিল। সে কমলার কাছে মনের দুঃখে বলে, “আমি মিঠিকে বাঁচাতে কিচ্ছু করতে পারছি না। ওরা মিঠিকে কত কষ্ট দিচ্ছে, ঠিকমতো খেতেও দিচ্ছে না।” এরপর মন খারাপ করে পল্লবী যখন বাইরে গিয়ে দাঁড়ায়, তখন আদিত্য আড়াল থেকে সবটা দেখে। পল্লবীর কষ্ট দেখে আদিত্য মনে মনে ঠিক করে, পল্লবীর মুখে হাসি ফোটানোর জন্য এবার তাকে কিছু একটা করতেই হবে।

