মাঝ আকাশে প্যারাসুটে সম্রাটের বার্থডে সারপ্রাইজ! ঝিনুকের জন্মদিনে বিরাট কান্ড ঘটালো সম্রাট! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় পথচলা শুরু করেছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas )। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, মায়ের মনের ভেতরের এই অবিন্যস্ত অস্বস্তি হয়তো ভবিষ্যতে কোনো এক বড় ঝড়েরই পূর্বাভাস দিচ্ছে। উৎসবের আনন্দমুখর দিনেও এক অজানা আশঙ্কা গ্রাস করেছে তাকে। তবে উৎসবের খুশিতে মেতে থাকা বাড়ির বাকি সদস্যরা কমলা দেবীকে এভাবে ভেঙে পড়তে দিতে চায় না। তারা সবাই মিলে আপ্রাণ চেষ্টা করতে থাকে তাঁর মনকে শান্ত করার। নানা কথায়, ভালোবাসায় এবং আশ্বাসের হাত বাড়িয়ে তারা কমলা দেবীকে বোঝাতে শুরু করে যে সব ঠিক হয়ে যাবে।
পরিবারের সবাই যখন উৎসবের আমেজে ব্যস্ত, তখন অন্যদিকে পল্লবীর মন কিন্তু একদম ভালো নেই। মিঠির বর্তমান পরিস্থিতি এবং তার ওপর চলা অনবরত মানসিক ও শারীরিক অত্যাচার মনে পড়লেই পল্লবীর মনটা কেঁদে উঠছে। অন্যায়ের মুখে দাঁড়িয়ে থাকা মিঠির ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তায় সে ভেতরে ভেতরে অস্থির হয়ে পড়েছে। এই ব্যাকুলতা এবং অসহায় বোধ পল্লবীকে প্রতি মুহূর্তেই তাড়িয়ে বেড়াচ্ছে।

পরের দিন সকালে এক নতুন সকালের আলো নিয়ে সম্রাট আবারো ঝিনুকদের বাড়িতে এসে হাজির হয়। সেদিন ছিল ঝিনুকের জন্মদিন, আর এই বিশেষ দিনটিকে আরও স্মরণীয় করে তুলতে সম্রাট এক দারুণ প্রস্তাব দেয়। সে ঝিনুককে নিজের সাথে বাইরে কোথাও ঘুরতে নিয়ে যাওয়ার ইচ্ছে প্রকাশ করে। এরপর ঝিনুকও সুন্দর করে সেজেগুজে সম্রাটের সাথে রওনা দেয়। তাদের এই আনন্দ দেখে বাড়ির সকলেও ভীষণ খুশি হন।
ওদিকে নিজের মনের ভেতরের ব্যাকুলতা আর চেপে রাখতে না পেরে, পল্লবী আবারো মিঠিকে একনজর দেখার জন্য ছটফট করতে করতে রওনা দেয়। আর নিয়তি বা অভ্যাসের বশেই যেন রাস্তায় প্রতিদিনের মতো তার জন্য অপেক্ষা করছিল আদিত্য। পল্লবী যখন সাগরের বাড়ির সামনে পৌঁছায়, ঠিক তখনই সেখানে আদিত্যও এসে হাজির হয়। বাড়ির কড়া নিরাপত্তা আর গার্ডদের টপকে পল্লবীর পক্ষে ভেতরে ঢোকা অসম্ভব ছিল, তাই সে বাইরেই অপেক্ষা করছিল।
আরও পড়ুন: ‘খুব হিংসে করত, চায়নি জয়কে বিয়েটা করি…’ লোপামুদ্রা মিত্রর বিয়েতে মত ছিল না কার? বারবার কার হিংসার মুখে পড়েছিলেন গায়িকা?
পল্লবীকে ওভাবে বাইরে দাঁড়িয়ে থাকতে দেখে আদিত্যের মনে সন্দেহ জাগে যে কেন সে ভেতরে ঢুকছে না। অবশেষে পল্লবী আর কোনো উপায় না দেখে আদিত্যকে সমস্ত কথা খুলে বলে। নিজের ভালোবাসার মানুষকে বিপদে সাহায্য করতে আদিত্য এক মুহূর্তও দ্বিধা করেনি; সে পল্লবীকে হাত বাড়িয়ে সাগরের বাড়িতে ঢোকার ব্যবস্থা করে দেয়, যদিও আদিত্য এখনো আসল সত্যিটার সম্পূর্ণটা জানে না। ওদিকে ঝিনুককে জন্মদিনের এক অবিশ্বাস্য উপহার দিতে সম্রাট তাকে নিয়ে মাঝ আকাশে প্যারাসুট চড়ে উড়ে বেড়ায় যা ঝিনুক কখনো কল্পনাও করতে পারেনি। এখন দেখার বিষয়, এই দুই প্রান্তের গল্প আগামীদিনে কোন মোড় নেয়।

