গুরুতর অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি জোজো পুত্র আদি! ছোট্ট ছেলের অসুস্থতায় উদ্বিগ্ন মা! আবেগঘন পোস্ট জোজো মুখোপাধ্যায়ের!

সোশ্যাল মিডিয়ায় ছেলে আদিকে নিয়ে প্রায়ই নানা মুহূর্ত ভাগ করে নেন গায়িকা জোজো মুখোপাধ্যায়। কখনও আঁকা ছবি, কখনও ড্রাম বাজানো বা সাইকেল চালানোর ভিডিও, ছোট্ট আদির নানা প্রতিভা বরাবরই নজর কাড়ে নেটিজেনদের। তবে এবার ভক্তদের সঙ্গে একটি দুঃসংবাদ ভাগ করে নিলেন তিনি। কয়েকদিন ধরে অসুস্থ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে তাঁর ছেলে। সেই কঠিন সময়ের মধ্যেই আদির স্কুল থেকে পাওয়া একটি বিশেষ উপহার আবেগপ্রবণ করে তুলেছে গায়িকাকে।

জোজো নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় একটি ছবি পোস্ট করেছেন, যেখানে হাসপাতালের বেডে থাকা আদির জন্য স্কুলের পাঠানো একটি শুভেচ্ছা বার্তা দেখা যায়। সেখানে লেখা ছিল, টিউলিপিয়ানস পরিবারের সবাই আদির দ্রুত সুস্থতার জন্য প্রার্থনা করছে এবং খুব তাড়াতাড়ি তাকে আবার স্কুলে দেখতে চায়। ছোট্ট পড়ুয়ার জন্য শিক্ষকদের এই ভালোবাসা ও যত্ন স্বাভাবিকভাবেই মন ছুঁয়ে গিয়েছে জোজোর। পোস্টে তিনি জানিয়েছেন, গত কয়েকটা দিন একজন মা হিসেবে তাঁর কাছে খুব কঠিন ছিল।

পোস্টের ক্যাপশনে জোজো লেখেন, বন্ধু, পরিবার এবং বিশেষ করে আদির শিক্ষকদের মানসিক সমর্থন তাঁকে এই সময় অনেক শক্তি দিয়েছে। তিনি স্কুলের সমস্ত শিক্ষক এবং কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন। রূপী বর্মা ম্যাডাম ও রঞ্জনা ম্যাডামের প্রতিও বিশেষ কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন গায়িকা। এই ভালোবাসা ও আশীর্বাদ তাঁদের পরিবারের জন্য কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটাও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছেন তিনি।

২০২১ সালে ৫০ বছর বয়সে আদিকে দত্তক নেন জোজো মুখোপাধ্যায়। সেই সময় তাঁর এই সিদ্ধান্ত নিয়ে অনেক আলোচনা হয়েছিল। তবে গায়িকা জানিয়েছিলেন, বহুদিন ধরেই তিনি একটি সন্তান দত্তক নেওয়ার কথা ভাবছিলেন। তাঁর মেয়ে মেহকা বা বাজোও মায়ের এই সিদ্ধান্তে সবসময় পাশে থেকেছেন। বর্তমানে ভাই আদির সঙ্গে তাঁর দারুণ সম্পর্ক বলেই জানা যায়। জোজোর সোশ্যাল মিডিয়াতেও ভাইবোনের নানা মুহূর্ত ধরা পড়ে।

আরও পড়ুনঃ ‘আমি হলাম একমাত্র গায়ক যে…’ ‘কেউ আমাকে পছন্দ না করলে তাকে আমার সামনে আনো, আর আমাকে একটা…’ নিজের প্রতি দৃঢ় আত্মবিশ্বাস! ‘না’ কে ‘হ্যাঁ’ করার ক্ষমতা রাখেন গায়ক রূপম ইসলাম?

জোজোর স্বামী কিংশুক মুখোপাধ্যায় পেশার কারণে দীর্ঘদিন ডুয়ার্সে থাকেন এবং সেখানে একটি রিসর্ট পরিচালনা করেন। কাজের ফাঁকে সুযোগ পেলেই জোজো সেখানে সময় কাটাতে যান। অন্যদিকে মেয়ে বাজো কাজের সূত্রে কলকাতার বাইরে থাকলেও পরিবারের সঙ্গে তাঁর যোগাযোগ সবসময়ই গভীর। কঠিন সময়ের মধ্যে পরিবারের এই একতা এবং চারপাশের মানুষের ভালোবাসাই এখন জোজো ও ছোট্ট আদির বড় শক্তি হয়ে উঠেছে।

Back to top button