নিজের আত্মসম্মান বিসর্জন দিয়েও মিঠির সুরক্ষায় মরিয়া পল্লবী! হাজার অপমানের পর সে ফিরে গেল সাগরের অফিসে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় পথচলা শুরু করেছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas )। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শ্রীনিবাস আর কমলার বিপদ যেন এক নিমিষেই কেটে গেল। তাঁরা যখন জেলের ভেতরে দুশ্চিন্তায় দিন কাটাচ্ছিলেন, তখনই হঠাৎ ওপরমহল থেকে তাঁদের ছেড়ে দেওয়ার নির্দেশ আসে। এমনকি যে পুলিশ অফিসার তাঁদের সাথে খারাপ ব্যবহার করেছিলেন, তিনি নিজেই বাড়িতে এসে হাতজোড় করে ক্ষমা চান। তিনি ভয় পাচ্ছিলেন যেন কোনো বড় মানুষ এই অপমানের কথা জানতে না পারেন। শ্রীনিবাস আর কমলা ছাড়া পেলেও মনে মনে ভাবছেন আড়াল থেকে কে সেই শক্তিশালী মানুষ, যিনি তাঁদের এভাবে রক্ষা করলেন?
সবাই ভেবেছিল, প্রীতি হয়তো তার মন্ত্রী বাবাকে বলে শ্বশুর-শাশুড়িকে জেল থেকে ছাড়িয়ে এনেছে। কিন্তু আসল কথা হলো, প্রীতি ভয়ে তার বাবাকে ফোনই করতে পারেনি। সে নিজেও বুঝতে পারছে না এই অসম্ভব কাজটা কে করল। তবে বাড়ির সবাই তখন এতটাই খুশি ছিল যে, এই রহস্য নিয়ে কেউ মাথা ঘামায়নি। সবাই শুধু শ্রীনিবাস আর কমলার ফিরে আসা নিয়েই আনন্দে মেতে রইল।
এদিকে সুপর্ণার স্বামী আর শাশুড়ি মিঠিকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার পর থেকেই তার ওপর অত্যাচার শুরু করে। তাদের মনে মিঠির জন্য কোনো ভালোবাসা নেই, আছে শুধু তার বাবার রেখে যাওয়া সম্পত্তির লোভ। যেহেতু সব সম্পত্তি এখন মিঠির নামে, তাই তাকে ভয় দেখিয়ে হাতের মুঠোয় রাখতে চায় তারা। ছোট মিঠি তার চেনা মানুষদের থেকে দূরে এক ভয়ংকর পরিবেশের মধ্যে পড়ে চোখের জল ফেলতে থাকে।
মিঠিকে হারিয়ে পল্লবী খুবই ভেঙে পড়েছিল। মন শান্ত করতে পরদিন সে মন্দিরে গেলে সেখানে আবার আদিত্যের সাথে তার দেখা হয়। আদিত্য আগে থেকেই পল্লবীর সাথে পরিচয় করতে চাচ্ছিল। সে পল্লবীর পিছু পিছু শ্রীনিবাসদের বাড়ির সামনে গিয়ে পৌঁছায়। সেখানে কমলাকে দেখে আদিত্য অবাক হয়ে যায়, যেহেতু কমলা এবং আদিত্য আগে থেকেই পূর্ব পরিচিত তাই আদিত্যকে নিজের বাড়িতে ডেকে এনে চা খাবার প্রস্তাব দেয় কমলা, এবার কি মুখোমুখি হবে পল্লবী এবং আদিত্য?
আরও পড়ুনঃ ‘বাবার মৃ’ত্যু দেখে আমার বুকে এসে আমাকে জাপটে ধরে অঝরে কেঁদেছিল!’ রাহুলের মঞ্চস্থ নাটক দেখে ঠাম্মির বুকে মাথা রেখে কেঁদেছিল ছোট্ট সহজ! নিয়তির পরিহাসে বাস্তবেও বাবাকে চিরকালের মতো হারিয়ে ফেলল সে!
এদিকে পরের দিন পল্লবী ঠিক করে, নিজের মান-অভিমান ভুলে সে আবার সাগরের অফিসেই কাজে ফিরবে। তার একমাত্র উদ্দেশ্য হলো মিঠির কাছাকাছি থাকা। অফিসে থাকলে অন্তত সে জানতে পারবে মিঠি কেমন আছে, ঠিকমতো খাচ্ছে কি না। একদিকে আদিত্যের সাথে নতুন পরিচয়, আর অন্যদিকে মিঠির টানে পুরনো জায়গায় ফিরে যাওয়াসব মিলিয়ে পল্লবীর জীবন এখন এক নতুন মোড় নিতে চলেছে।

