হঠাৎ চিৎকার করে উঠেছিলেন গায়িকা! প্রয়াণের আগের দিনও মঞ্চে উঠেছিলেন আশা ভোঁসলে! শেষ মুহূর্তের স্মৃতি জানালেন নাতি চিন্টু!

কিংবদন্তি শিল্পী আশা ভোঁসলের প্রয়াণে শোকস্তব্ধ সঙ্গীতজগৎ। ১২ এপ্রিল ঘুমের মধ্যেই শান্তভাবে শেষ নিশ্বাস ত্যাগ করেন তিনি। মৃত্যুর মাত্র একদিন আগেও তাঁর কণ্ঠে ছিল আগের মতো দৃঢ়তা, আর শিল্পের প্রতি ছিল অটুট টান। সেই শেষ দিনের স্মৃতি সামনে আনলেন নাতি চিন্টু ভোঁসলে।

এক সাক্ষাৎকারে চিন্টু জানান, ১১ এপ্রিল মুম্বইয়ের একটি প্রেক্ষাগৃহে তিন ঘণ্টার একটি মারাঠি নাটক দেখতে গিয়েছিলেন আশা ভোঁসলে। নাটক চলাকালীন তিনি হঠাৎ মঞ্চে উঠে দর্শকদের সঙ্গে কথা বলেন। শিল্প ও সংস্কৃতিকে বাঁচিয়ে রাখার গুরুত্ব নিয়েও বক্তব্য রাখেন তিনি।

চিন্টুর কথায়, দর্শকদের উদ্দেশে আশা ভোঁসলে মনে করিয়ে দেন সাংস্কৃতিক দায়বদ্ধতার কথা। শিল্পের প্রতি তাঁর ভালোবাসা এবং দায়িত্ববোধ শেষ দিন পর্যন্ত একই রকম ছিল। বয়স বা শারীরিক ক্লান্তি কোনও কিছুই তাঁর উৎসাহ কমাতে পারেনি।

নাতি আরও জানান, মৃত্যুর কয়েকদিন আগে তাঁর সঙ্গে শেষবার দীর্ঘ সময় কথা হয়েছিল। একসঙ্গে আম খেতে খেতে নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেছিলেন তাঁরা। পরিবার হাসপাতালে নিয়ে যেতে চাইলে আশা ভোঁসলে বিশ্রাম নিতে চান এবং শান্তিতে ঘুমোতে দেওয়ার কথা বলেন।

আরও পড়ুনঃ ‘ডাকনাম ধরে ডাকার লোকটা আর নেই’, ‘ব্লু-টিক জানিয়ে দেবে একজন মানুষ কমে গেল’, মৃ’ত্যুর আগে কি সবটাই টের পেয়েছিলেন? শেষ বার্তায় কি তবে নিজের বিদায়ের সুরই গেয়েছিলেন রাহুল অরুণোদয় বন্দ্যোপাধ্যায়?

বর্তমানে পরিবারে শোকের পরিবেশ থাকলেও তাঁরা তাঁর জীবনকে উদযাপন হিসেবেই দেখছেন। ছেলে আনন্দ ভোঁসলে ও নাতি-নাতনিরা একসঙ্গে সময় কাটাচ্ছেন, স্মৃতি ভাগ করে নিচ্ছেন। পরিবারের বিশ্বাস, হাসিখুশি পরিবেশেই তাঁদের প্রিয় আশা ভোঁসলে সবাইকে দেখতে চাইতেন।

Back to top button