মেয়ের বিয়ের খুশির মাঝেই শ্রীনিবাস-কমলার গোপন ক্ষত! তবুও হাসিমুখে বিয়ের আয়োজনে মত্ত বাবা-মা! একেই বলে মধ্যবিত্ত পরিবার! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পর্দায় পথচলা শুরু করেছে নতুন ধারাবাহিক ‘কমলা নিবাস’ (Kamala Nibas )। গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পল্লবী তার বিয়ের খুশিতে ডগমগ। সে তার অফিসের সমস্ত সহকর্মীদের বিয়ের নিমন্ত্রণপত্র বিলি করে। ঠিক সেই সময়েই সেখানে উপস্থিত হয় সাগর। সাগর ও পল্লবী দুজনে মিলে অত্যন্ত আনন্দের সঙ্গে অফিসের প্রতিটি কর্মচারীর হাতে কার্ড তুলে দেয়। অফিসের কাজের ব্যস্ততার মাঝেও তাদের এই নিমন্ত্রণ পর্ব এক সুন্দর ও প্রাণবন্ত মুহূর্তের সৃষ্টি করে, যা দর্শকদের মন ছুঁয়ে যায়।

অন্যদিকে, পল্লবীর বিয়ের তোড়জোড় বাড়ির অন্য সদস্যদের মধ্যেও সমানভাবে দেখা যায়। পল্লবীর বোন অত্যন্ত উৎসাহের সঙ্গে তার কলেজের বন্ধু-বান্ধবদের বিয়ের নিমন্ত্রণ সেরে ফেলে। পল্লবীর মা এবং বাবাও পিছিয়ে নেই। তারাও তাদের পরিচিত আত্মীয়স্বজন ও ঘনিষ্ঠ মহলে আমন্ত্রণ জানানোর কাজে ব্যস্ত থাকেন। পুরো পরিবারজুড়ে এক উৎসবের আমেজ লক্ষ্য করা যায়।

তবে আনন্দের এই আবহের মাঝেও মেঘের ঘনঘটা দেখা দেয় শ্রীনিবাস বাবুর জীবনে। তিনি যখন তার অফিসের সহকর্মীদের নিমন্ত্রণ করছিলেন, তখনই জানতে পারেন যে তার চাকরির মেয়াদ আর মাত্র ছয় মাস বাকি। পরিবারের এই বড় দায়িত্বের মুখে দাঁড়িয়ে শ্রীনিবাস বাবু ভেঙে পড়েন। তিনি তার বসের কাছে দেড় বছরের জন্য চাকরির মেয়াদ বাড়ানোর করুণ অনুরোধ জানান, কিন্তু বস তাতে একেবারেই রাজি হন না। ভবিষ্যতের অনিশ্চয়তা ও দুশ্চিন্তা শ্রীনিবাস বাবুকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তোলে।

গল্পে এক আবেগপূর্ণ মোড় আসে যখন শ্রীনিবাস ও কমলা প্রথমবারের মতো তাদের ছোট ছেলের শ্বশুরবাড়িতে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেন। যেহেতু তাদের ছোট ছেলে ও ছোট বউ ভালোবেসে পালিয়ে বিয়ে করেছিল, তাই দুই পরিবারের সম্পর্ক ছিল অত্যন্ত তিক্ত। দীর্ঘ বছর পর তারা সেখানে নিমন্ত্রণ করতে গেলেও পরিস্থিতি সহজ হয় না। বরং সেখানে গিয়ে শ্রীনিবাস ও কমলাকে চরম অপমানিত হতে হয়, যা তাঁদের হৃদয়কে গভীরভাবে ক্ষতবিক্ষত করে।

আরও পড়ুনঃ ‘কাকে ফোন করে মনের কথা…’ বিরাট দুঃসংবাদ! কাছের মানুষকে হারালেন সুদীপা চট্টোপাধ্যায়!প্রিয়জনের মৃ’ত্যুতে ভেঙে পড়লেন সঞ্চালিকা!

সমস্ত অপমান আর দুশ্চিন্তা আড়াল করে পরের দিন সকালে হাসিমুখে মেয়ের বিয়ের আয়োজন করেন শ্রীনিবাস ও কমলা। পল্লবী নতুনের সাজে অপূর্ব সুন্দরী হয়ে ওঠে, যা বাড়ির পরিবেশকে আবারও আনন্দময় করে তোলে। একদিকে মেয়ের বিয়ের আনন্দ আর অন্যদিকে শ্রীনিবাস বাবুর গোপন লড়াই এই দুইয়ের দোলাচলে আগামীতে কী ঘটতে চলেছে, এখন সেটাই দেখার অপেক্ষা।

Back to top button