হারিয়ে যাওয়া কাব্য খুঁজে পাওয়ার অন্তিম লড়াই! দিতি-গোরা কি পারবে অদৃশ্য শক্তির জাল ছিঁড়তে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বিপদ কাটিয়ে দিতি আর গোরা যখন নতুন করে ‘ফুল মুরারি’ কাব্যের তৃতীয় খণ্ডের খোঁজে বেরোলো, তখন তারা জানত না যে এক চরম অনিশ্চয়তা তাদের জন্য অপেক্ষা করছে। সহজ ভাষায় পুরো ঘটনাটি নিচে পাঁচটি অনুচ্ছেদে দেওয়া হলো বিপদ সামলে ওঠার পর দিতি ও গোরা ঠিক করে যে তারা যেকোনো মূল্যে কাব্যের হারিয়ে যাওয়া অমূল্য তৃতীয় খণ্ডটি উদ্ধার করবেই। কিন্তু তাদের অজান্তেই কুন্তল আর এক রহস্যময় সাধক ছদ্মবেশ নিয়ে তাদের আগেই সেই গন্তব্যে পৌঁছে যায়। দিতি ও গোরার প্রতিটি পদক্ষেপের ওপর তারা নজর রাখছিল। এই গোপন লড়াই আর সময়ের সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার বিষয়টি পুরো ঘটনাকে আরও রহস্যময় করে তোলে।

কুন্তলরা যখন গন্তব্যে পৌঁছায়, তারা দেখে যে পুরনো বাড়ির সেই ধ্বংসস্তূপ এখন আর মাটির ওপরে নেই; তা আসলে এক বিশাল পুকুরের নিচে তলিয়ে গেছে। কুন্তল সাথে সাথে ডুবুরি নামিয়ে পুকুরের নিচে তল্লাশি শুরু করেন। কিন্তু আশ্চর্যের বিষয় হলো, জলের নিচে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও কোনো পুরনো দালান বা কাব্যের হদিস পাওয়া যায় না। এমনকি বাড়ির কোনো চিহ্নও সেখানে ছিল না। এই ঘটনায় সাধক খুব অবাক হন এবং কুন্তলও বুঝতে পারেন না আসলে কী ঘটছে।

কুন্তলরা সেখান থেকে চলে যাওয়ার ঠিক পরেই দিতি আর গোরা সেখানে এসে পৌঁছায়। সেখানে মানুষের পায়ের ছাপ আর পুকুরঘাটের অবস্থা দেখে দিতি বুঝতে পারে যে, তাদের পৌঁছানোর ঠিক আগেই কেউ সেখানে এসে তল্লাশি চালিয়েছে। দিতির মনে হয়, হয়তো পুলস্ত্যই কাব্যের লোভে তাদের আগে এখানে পৌঁছে গেছে। এই ভুল ধারণার কারণে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে এবং দিতি আসল শত্রুর বদলে অন্য কাউকে সন্দেহ করতে শুরু করে।

ঠিক সেই মুহূর্তেই এক সাধকের ফোন আসে কুন্তলদের কাছে। যে সাধক আগে দিতিদের আটকে রেখেছিল, সে কুন্তলকে ফোন করে কড়া হুঁশিয়ারি দেয়। সে পরিষ্কার বলে দেয় যে, গোরা বা দিতির যেন কোনো ক্ষতি করা না হয়। যদি তাদের কোনো ক্ষতি হয়, তবে এক ভয়াবহ বিপদ নেমে আসবে। এই কথা শুনে কুন্তল আরও ভয় পেয়ে যান এবং বুঝতে পারেন যে এই কাব্যের পেছনে কোনো এক বড় শক্তির হাত রয়েছে।

আরও পড়ুনঃ শুভ কাজে বিষাদের ছায়া! চাকরি থাকছে না শ্রীনিবাসের! মেয়ের বিয়ের মুখে দাঁড়িয়ে কোন বিপদে পড়লো পরিবার?

শেষ পর্যন্ত কাব্যের তৃতীয় খণ্ডটি পাওয়া যাবে কি না, তা নিয়ে গভীর সংশয় দেখা দেয়। একদিকে পুকুরের নিচে কোনো কিছুর অস্তিত্ব না পাওয়া, আর অন্যদিকে অন্ধকার শক্তির নতুন নতুন জাল—সব মিলিয়ে দিতি ও গোরার পথ আরও কঠিন হয়ে পড়ে। দিতি কি পারবে তার ভুল ধারণা ভেঙে আসল রহস্য উদঘাটন করতে? নাকি ‘ফুল মুরারি’ কাব্যের এই শেষ খণ্ডটি চিরদিনের মতো হারিয়ে যাবে? এই প্রশ্নগুলোই এখন গল্পের মূল রহস্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Back to top button