অন্ধকারের উপাসকদের কবলে দিতি! হিজলটলির জঙ্গলে ঘনিয়ে এলো চরম বিপদ! তান্ত্রিকদের বলির খাঁচায় বন্দি নায়িকা! এমন সময়… দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গল্পের শুরুতেই দিতি একটা ভয়ঙ্কর ব্যাপার আঁচ করতে পারে। রক্তিমের কথাবার্তা শুনে তার মনে হয় যে, রক্তিম কোনো এক রহস্যময় অন্ধকার জগতের সঙ্গে জড়িয়ে পড়েছে। দিতি বুঝতে পারে এটা সাধারণ কোনো বিষয় নয়, বরং বড় কোনো বিপদের সংকেত। কিন্তু দিতি বারবার সতর্ক করা সত্ত্বেও গোরা বিষয়টিকে একদমই পাত্তা দেয় না। গোরার এই গা-ছাড়া ভাবই যেন বিপদের পথ আরও সহজ করে দেয়।

দিতি ও গোরা যখন হিজলটলি জঙ্গলের সামনে পৌঁছায়, তখন থেকেই পরিবেশটা কেমন যেন থমথমে হয়ে যায়। জঙ্গলের পাশের একটি চায়ের দোকানের লোক তাদের সাবধান করেছিল এবং অন্য পথ দিয়ে যেতে বলেছিল। কিন্তু দিতি নিজের সিদ্ধান্তে জেদ ধরে থাকে। তার মাথায় তখন একটাই ভূত চাপছিল যেকোনো মূল্যে ‘ফুল মুরারি কাব্য’-এর তৃতীয় খণ্ডটি খুঁজে বের করা। এই একগুঁয়েমির কারণেই সে বড় ঝুঁকি নিয়ে ফেলে।

জঙ্গলে ঢোকার মুখেই তাদের সাথে এক মারাত্মক প্রতারণা করা হয়। তারা ভাবতেও পারেনি যে তাদের চায়ের মধ্যে আগে থেকেই ঘুমের ওষুধ মেশানো ছিল। সেই চা খাওয়ার পর পথেই তাদের মাথা ঘুরতে শুরু করে এবং তারা জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। আর এই সুযোগেরই অপেক্ষায় ছিল ওত পেতে থাকা একদল লোক। কুন্তলও গোপনে তাদের অনুসরণ করে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে।

অজ্ঞান অবস্থায় দিতি ও গোরাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয় এক ভয়াবহ জায়গায়। সেখানে একদল তান্ত্রিক বা অন্ধকার শক্তির উপাসক আগে থেকেই এক ভয়ঙ্কর চক্রান্ত করছিল। চারদিকে যজ্ঞের আগুন আর তান্ত্রিক পরিবেশে চারপাশটা একদম শ্মশানের মতো হয়ে ওঠে। যখন জানা যায় যে তারা দিতিকে বলি দেওয়ার পরিকল্পনা করছে, তখন পরিস্থিতি একদম হাতের বাইরে চলে যায়। দিতি ও গোরা এখন প্রাণের ঝুঁকিতে।

আরও পড়ুনঃ ‘না আপনাকে খেতেই হবে, এই অনুরোধ আপনাকে রাখতেই হবে!’ ভোটের প্রচারে বেরিয়ে খেতে হচ্ছে হরলিক্স! সোহমের হাতে হরলিক্স ধরিয়ে আবদার জুড়লেন এক মহিলা!

এই পুরো ঘটনাটি সাধারণ একটি রহস্য থেকে হঠাৎ করে এক রোমাঞ্চকর ও ভীতিজনক রূপ নেয়। হিজলটলি জঙ্গলের এই অন্ধকার জগত আমাদের মনে এক অজানা ভয় তৈরি করে। শুরুতে যা সাধারণ মনে হয়েছিল, শেষে তা জীবন-মরণ সমস্যায় গিয়ে ঠেকেছে। দিতি ও গোরা কি শেষ পর্যন্ত এই তান্ত্রিকদের হাত থেকে বেঁচে ফিরতে পারবে? এটাই এখন দেখার বিষয়।

Back to top button