সাধুবাবার চক্রান্তে বিপদে দিতি-গোরা! জঙ্গলের অন্ধকারে কি নিজেদের প্রাণ বাঁচাতে পারবে তারা?দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, দিতি সহজে দমে যাওয়ার মেয়ে নয়। সে গোরার কাকার সাহায্য নিয়ে সেই নির্দিষ্ট বাড়ির ঠিকানা জোগাড় করে ফেলে, যেখানে ফুল মুরারি কাব্যের তৃতীয় খণ্ড পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। এরপর দিতি আর গোরা মিলে সেই বাড়ির দিকে রওনা দেয়। একদিকে যেমন তাদের মনে জেদ ছিল, অন্যদিকে ছিল অজানা ভয়। কারণ, কুন্তল তাদের পিছু নিয়েছে। তাদের মনে সারাক্ষণ এই চিন্তা কাজ করছিল যে, কুন্তল হয়তো তাদের আগেই সেখানে পৌঁছে যাবে। এদিকে গোরার কাছেও বইটির গুরুত্ব ধীরে ধীরে পরিষ্কার হতে থাকে।
গল্পে নতুন মোড় আসে রক্তিমের একটি ফোন কলের মাধ্যমে। দিতি আর গোরা যখন গাড়িতে করে যাচ্ছিল, তখন রক্তিম ভিডিও কল করে জানায় যে সে গোস্বামী বাড়িতে পৌঁছে গেছে। সে পরিষ্কার বলে দেয় যে, আজ যেভাবেই হোক সে ইন্দুকে ওই বাড়ি থেকে বের করে আনবেই। রক্তিমের এই একগুঁয়েমি দেখে দিতি খুব চিন্তায় পড়ে যায় এবং গোরা অস্থির হয়ে ওঠে। রক্তিম, পুলস্ত্য আর হিয়া পুরো বিষয়টিকে খুব হালকাভাবে নিচ্ছিল, যা বিপদের সংকেত দিচ্ছিল।

দিতি পরিস্থিতির গুরুত্ব বুঝে দ্রুত সিদ্ধান্ত নিতে পারে। সে নিজের পরিকল্পনা অনুযায়ী চললেও, পরিস্থিতি সামাল দিতে সে তার কৌশল বদলে ফেলে। বিশেষ করে রক্তিমকে আটকানোর জন্য সে যেভাবে সঠিক মানুষকে ব্যবহার করে, তাতে তার বুদ্ধির পরিচয় পাওয়া যায়। অন্যদের তুলনায় দিতি অনেক বেশি সচেতন এবং বিচক্ষণ। সে বুঝতে পারে যে শুধু জেদ দিয়ে নয়, বরং বুদ্ধি দিয়ে এই পরিস্থিতি মোকাবিলা করতে হবে।
এই যাত্রার সময় দিতি একটি ভয়ংকর তথ্য জানতে পারে। রক্তিমের কথাবার্তা থেকে তার মনে হয় যে, রক্তিম কোনো এক অজানা অন্ধকার শক্তির সাথে জড়িয়ে পড়েছে। এই তথ্যটি গল্পের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার জন্য যথেষ্ট। কিন্তু সমস্যা হলো, গোরা এই বিষয়টিকে মোটেও গুরুত্ব দিচ্ছে না। গোরার এই অবহেলা ভবিষ্যতে তাদের বড় কোনো বিপদে ফেলে দিতে পারে বলে দিতি আশঙ্কা করতে থাকে।
আরও পড়ুন: ‘সব কিছুর একটা লিমিট আছে!’ মহাপ্রভুর ভক্তি না কি গাঁজাখুরি গল্প? তারে ধরি ধরি মনে করি ধারাবাহিকের নতুন প্রোমো নিয়ে সমালোচনার ঝড়!
সবশেষে দিতি ও গোরার জন্য এক চরম বিপদ ঘনিয়ে আসে। জঙ্গলের সামনে এক রহস্যময় পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেখানে সাধুবাবারা আগে থেকেই কোনো এক চক্রান্ত করছিলেন। কুন্তল গোপনে তাদের অনুসরণ করে পরিস্থিতি আরও জটিল করে তোলে। জঙ্গলে পা রাখতেই দিতি ও গোরা সাধুবাবাদের পাতানো ফাঁদে পড়ে যায়। তারা অজ্ঞান হয়ে গেলে সাধকরা তাদের তুলে নিয়ে গিয়ে আটকে রাখে। দিতি ও গোরা এখন এক চরম অনিশ্চয়তার মুখে।

