ন্যায়ের লড়াইয়ে দিতির নতুন রণকৌশল! নিজের বুদ্ধির জোরে ইন্দুকে কি বাঁচাতে পারবে দিতি? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, এতক্ষণ যে ইন্দু রক্তিমের ভয়ে প্রাণ হাতে নিয়ে পালাচ্ছিল, হঠাৎ করেই তার সুর বদলে গেল। আসলে রক্তিম তার সরলতার সুযোগ নিয়ে মিথ্যে কথার জাল বুনেছিল, আর ইন্দু সেই জালে ধরা দিয়ে দিল। সে বুঝতেও পারল না যে রক্তিম তাকে আবারও বিপদে ফেলছে। সামান্য একটু আদুরে কথা আর মিথ্যে আশ্বাসে ইন্দু নিজের জেদ ত্যাগ করে রক্তিমের কাছেই থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিল, যা আসলে নিজের পায়ে নিজে কুড়াল মারার সমান হলো।

পরদিন গোস্বামী বাড়িতে মহাপ্রভুর আরতি শেষ হতেই বড়রা জানান যে, অচিন্ত্য আর মধুকে বাড়ির পাশের মন্দিরে গিয়ে পুজো দিয়ে আসতে হবে। গোরার মায়ের আদেশ বিয়ের পর নবদম্পতিকে একবার দেবদর্শন করতেই হয়। কিন্তু দিতির মন কোনোভাবেই সায় দিচ্ছিল না। সে জানত, রক্তিম এখন একটা ক্ষ্যাপা জানোয়ারের মতো হয়ে আছে, যে কোনো মুহূর্তে তাদের ওপর হামলা করতে পারে। তবুও গোরার আশ্বাসে শেষ পর্যন্ত দিতি তাদের যেতে দিতে রাজি হয়।

অচিন্ত্য আর মধু বের হওয়ার কিছুক্ষণ পরই হঠাৎ গোস্বামী বাড়ির দালানে একটি অশুভ কালো ফুল উড়ে এসে পড়ে। এই অলক্ষণ দেখে দিতি নিশ্চিত হয়ে যায় যে বড় কোনো বিপর্যয় ঘটতে চলেছে। ওদিকে ঘরের শত্রু ভুলু আগেভাগেই রক্তিমকে খবর দিয়ে দিয়েছিল যে তারা বাড়ি থেকে বেরিয়েছে। পথের মাঝে সেই আশঙ্কাই সত্যি হলো। রক্তিমের গুণ্ডারা অতর্কিতে হামলা চালিয়ে অচিন্ত্যকে প্রচণ্ড মারধর করে মধুকে তুলে নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। গোরা আর দিতি আপ্রাণ লড়াই করেও শেষ পর্যন্ত রক্তিমের চালের কাছে হেরে যায়।

রক্তিম এখন তার নিজের বোন ইন্দুকে নিজের হাতের পুতুল বানিয়ে ফেলেছে যাতে দিতি তাকে আর ভয় দেখাতে না পারে। সে ভেবেছিল এতে দিতি দুর্বল হয়ে পড়বে, কিন্তু হিতে বিপরীত হলো। দিতি সাফ জানিয়ে দিল, ইন্দুর ওপর যদি কোনো আঁচ লাগে তবে সে রক্তিমকে এই দুনিয়ার যেখানেই থাকুক খুঁজে বের করবে। দিতি শপথ নিল যে ইন্দুর কোনো ক্ষতি হলে সে রক্তিমকে এমন শিক্ষা দেবে যা সে কোনোদিন ভুলবে না।

আরও পড়ুনঃ কন্যা হত্যা’কারী রাজাকে উচিত শিক্ষা দিল পারুল! নারীশক্তির কাছে মাথা নত করল পাপিষ্ঠ রাজা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

মধু ও অচিন্ত্যর খোঁজে গোরা আর দিতি পুলিশের কাছে যায়। তারা চায় রক্তিমের ফোন নম্বর ট্র্যাক করে তার লুকানোর জায়গাটা বের করতে। কিন্তু পুলিশ অফিসার ছিল রক্তিমের কেনা লোক, তাই সে কোনোভাবেই সাহায্য করতে চাইছিল না। দিতি তখন নিজের আসল রূপ দেখাল। সে সাপ দিয়ে ভয় দেখিয়ে ওই অফিসারকে কাবু করে ফেলে। শেষ পর্যন্ত কোনো পথ না পেয়ে প্রাণের ভয়ে পুলিশ অফিসার দিতির কথা মতো কাজ করতে বাধ্য হয়।

Back to top button