রক্তিমের পরাজয়ে নতুন চক্রান্ত! ইন্দুর ওপর নেমে এলো চরম অ’ত্যাচার! অসহায় ইন্দুর কান্নায় ছুটে গেলো দিতি গোরা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, জেলে বন্দি থাকলেও গোরার মনটা ছটফট করছিল। সে বুঝতে পারছিল, তাকে ছাড়া দিতি বাইরে একা কোনো বড় বিপদের সঙ্গে লড়াই করছে। পরের দিন যখন গোরাকে আদালতে হাজির করা হলো, তখন চারদিকে দারুণ উত্তেজনা। সবাই ভাবছিল কী হয়, কারণ গোরার ভাগ্য তখন পুরোপুরি বিচারকের হাতে।

বিচারক যখন মীরাকে সত্যি কথা বলার জন্য চাপ দিচ্ছিলেন, ঠিক তখনই সবাইকে অবাক করে দিয়ে দিতি আদালতে এসে পৌঁছায়। তার সাথে ছিল ছোট্ট গোপাল। নিজের ছেলেকে ফিরে পেয়ে মীরার মনে সাহস ফিরে আসে। সে তখন বিচারকের সামনে সব সত্যি কথা স্বীকার করে নেয়। মীরা জানায়, ছেলের প্রাণের ভয়েই সে এতদিন মুখ খুলতে পারেনি, কিন্তু এখন সে আর মিথ্যে বলবে না।

Tare Dhori Dhori Mone Kori, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Tare Dhori Dhori Mone Kori New Episode, Tare Dhori Dhori Mone Kori Today's Episode 14 April, Today's Episode, তারে ধরি ধরি মনে করি, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, তারে ধরি ধরি মনে করি আজকের পর্ব, তারে ধরি ধরি মনে করি ১৪ এপ্রিল আজকের পর্ব

মীরার কথার পাশাপাশি দিতি এমন কিছু অকাট্য প্রমাণ বিচারকের সামনে তুলে ধরে, যা দেখে উপস্থিত সবাই চমকে যায়। দিতির সাহস আর বুদ্ধির কাছে শয়তান রক্তিমদের সব চক্রান্ত হার মানে। সব শুনে এবং দেখে বিচারক বুঝতে পারেন যে গোরা একদম নির্দোষ। তিনি সম্মান জানিয়ে গোরাকে জেল থেকে মুক্তি দেওয়ার আদেশ দেন। সত্যের এই জয় দেখে ষড়যন্ত্রকারীরা একেবারে দমে যায়।

আদালত থেকে বেরিয়ে দিতি খুব কড়া ভাষায় জানিয়ে দেয় যে, গোরার কোনো ক্ষতি করতে হলে শত্রুদের আগে তার মুখোমুখি হতে হবে। তার এই সাহসী রূপ দেখে সবাই অবাক হয়ে যায়। এমনকি রক্তিমের বাবাও নিজের ভুল বুঝতে পেরে গোরার পা ধরে ক্ষমা চান। কিন্তু রক্তিম সহজে হার মানার লোক ছিল না। তার সব রাগ আর জেদ গিয়ে পড়ে বাড়ির বউ ইন্দুর ওপর।

আরও পড়ুন: বোনকে উদ্ধার করতে র’ক্তাক্ত পারুল! স্ত্রীয়ের ক্ষত দেখে বিচলিত রায়ান! রাজমহলের আড়ালে তৈরি হলো এক মায়াবী মুহূর্ত! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

রক্তিমের হাত থেকে বাঁচতে ইন্দু ভয়ে কাঁপতে কাঁপতে দিতিকে ফোন করে। সে কান্নাকাটি করে জানায় যে ওই বাড়িতে তার থাকা আর সম্ভব নয়। বন্ধুর বিপদ শুনে দিতি আর এক মুহূর্ত দেরি করল না। সে সদ্য ছাড়া পাওয়া গোরাকে সাথে নিয়ে তৎক্ষণাৎ ইন্দুর বাড়ির দিকে রওনা হলো। এবার তাদের লক্ষ্য হলো ইন্দুকে উদ্ধার করে ফিরিয়ে আনা।

Back to top button