অদ্বিতীয়ার বুদ্ধির কাছে হেরে গিয়ে শেষমেশ শিশু অপহরণ! রক্তিমের হিং’স্রতা পৌঁছালো শেষ পর্যায়ে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, অপমানে মাথা গরম করে রক্তিম যখন অদ্বিতীয়ার দিকে পিস্তল তাক করে তাকে মেরে ফেলার হুমকি দিচ্ছিল, তখন অদ্বিতীয়া একটুও ভয় পায়নি। সাধারণ মানুষ এমন অবস্থায় ঘাবড়ে গেলেও, অদ্বিতীয়া উল্টো রক্তিমকে চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয় যে সাহস থাকলে সে যেন গুলি চালায়। অদ্বিতীয়ার এই অসীম সাহস আর জেদ দেখে রক্তিম একদম অবাক হয়ে যায়। সে ভাবতেও পারেনি যে একটা মেয়ে মৃত্যুর সামনে দাঁড়িয়ে এভাবে পালটা জবাব দিতে পারে। অদ্বিতীয়ার তেজ দেখে রক্তিম থতমত খেয়ে সেখানেই দমে যায়।
গল্পের মোড় ঘোরে যখন মহাপ্রভুর আশীর্বাদে দিতি বড় এক বিপদ থেকে বেঁচে যায়। গোরা নিজের প্রাণ বাজি রেখে দিতির সামনে ঢাল হয়ে দাঁড়ায়। কিন্তু রক্তিমের মনের রাগ আর হিংসা তাতেও শান্ত হয়নি। সে গোরাকে জব্দ করার জন্য তার প্রিয় মানুষ ইন্দুর ক্ষতি করার হুমকি দেয়। রক্তিমের মাথায় তখন কেবল প্রতিহিংসার নেশা ঘুরছিল, যার ফলে পুরো পরিস্থিতি আরও জটিল ও ভয়ংকর হয়ে ওঠে।
পরের দিন রক্তিম আর ইন্দুর মধ্যে ঝামেলা চরমে পৌঁছায়। ইন্দু রাগের মাথায় রক্তিমের গায়ে হাত তোলায় সে প্রচণ্ড খেপে যায়। রাগের চোটে সে বেল্ট দিয়ে ইন্দুকে মারতে যায়। ঠিক সেই বিপদের মুহূর্তে অদ্বিতীয়া রক্তিমকে ভিডিও কল করে এক বুদ্ধিদীপ্ত চাল চালেন। সে জানত রক্তিমকে থামাতে হলে তার কোনো প্রিয় মানুষকে দিয়েই ভয় দেখাতে হবে। ভিডিও কলে অদ্বিতীয়ার উপস্থিতি রক্তিমকে বাধ্য করে হাতের বেল্ট নামিয়ে রাখতে।
ভিডিও কলে অদ্বিতীয়া দেখায় যে, অচিন্ত্য রক্তিমের খুব কাছের মানুষ মধুর গলায় ছুরি ধরে রেখেছে। অদ্বিতীয়া পরিষ্কার জানিয়ে দেয় যে, রক্তিম যদি ইন্দুর ওপর কোনো অত্যাচার করে, তবে মধুর অবস্থাও খুব খারাপ হবে। নিজের প্রিয় মানুষের জীবন বিপন্ন দেখে রক্তিম রাগে ফেটে পড়লেও ভেতরে ভেতরে দুর্বল হয়ে পড়ে। অদ্বিতীয়ার এই মোক্ষম পাল্টা চালের কাছে রক্তিম শেষ পর্যন্ত হার মেনে কোণঠাসা হয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ বিয়ের আগেই ডিভোর্স! নকল উকিলের এক কথাতেই শেষ হয়ে গেল পারুল-রায়ানের সম্পর্ক! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
কিন্তু রক্তিম এত সহজে ছেড়ে দেওয়ার লোক ছিল না। এক জায়গায় হেরে গিয়ে সে আরও নিচ কাজ শুরু করে। সে বাড়ির ছোট একটি বাচ্চাকে তুলে নিয়ে গিয়ে বন্দি করে ফেলে। সেই ছোট্ট শিশুটির জীবনের ভয় দেখিয়ে সে পুরো পরিবারকে নতুন করে ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করে। অদ্বিতীয়া বুদ্ধির জোরে রক্তিমকে সাময়িকভাবে আটকাতে পারলেও, বাচ্চার জীবন নিয়ে রক্তিমের এই নতুন নোংরা খেলা সবাইকে চরম দুশ্চিন্তা আর বিপদের মুখে ফেলে দেয়।

