মহাভোজের আসরে হাহাকার! পুলস্ত্যের চক্রান্ত ভেদ করে দিতি কি পারবে এই বড় বিপদ রুখতে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গুরুদেবের নির্দেশ অনুযায়ী পুলস্ত্য নিজের বাড়িতেই ‘ফুল-মুরারি’ কাব্যের দ্বিতীয় খণ্ডটির সন্ধান শুরু করে। আশ্চর্যের বিষয় হলো, গুরুর কথা সত্য প্রমাণ করে সে নিজের ঘরের কোণেই লুকানো অবস্থায় বইটির দ্বিতীয় অংশটি খুঁজে পায়। সেই কাব্যের বাকি অংশ পাঠ করার পর পুলস্ত্য শিহরিত হয়ে ওঠে। সে জানতে পারে আগের জন্মে তাদের সাথে ঠিক কী ঘটেছিল এবং সেই অতীতের সমস্ত ধোঁয়াশা তার কাছে মুহূর্তেই পরিষ্কার হয়ে যায়।

গোরা এবং দিতির আগেই পুলস্ত্য কাব্যটি পড়ে শেষ করে ফেলে। সে জানতে পারে কীভাবে আগের জন্মে গোরা তাকে হারিয়ে দিতিকে কেড়ে নিয়েছিল এবং কোন পরিস্থিতির শিকার হয়ে তাকে মৃত্যুর মুখে ঢলে পড়তে হয়েছিল। ওদিকে দিতি নিজের ভালোবাসা দিয়ে গোরার পছন্দের সমস্ত পদ রান্না করে। কিন্তু গোরার মা যখন এই কথা জানতে পারেন, তিনি তা মোটেও পছন্দ করেন না। গোরার মন পাওয়ার জন্য দিতির এই আপ্রাণ চেষ্টা তাঁর কাছে বিরক্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায় এবং তিনি দিতির ওপর যারপরনাই অসন্তুষ্ট হন।

দিতি ঠিক করে সে যেহেতু ভালোবেসে রান্না করেছে, তাই সে তার স্বামীকে নিজের হাতের খাবার খাওয়াবেই। এদিকে গোরা যে খোকনদের সাথে কাঙাল ভোজনের উদ্দেশ্যে বেরিয়ে পড়েছে, সে কথা দিতি জানত না। গোরার মা সবটা জেনেও দিতিকে পরে জানান। খবর পাওয়া মাত্রই দিতি খাবার গুছিয়ে নিয়ে গোরার উদ্দেশ্যে ছুটে যায়। সেখানে দিতিকে হঠাৎ দেখে গোরা বেশ অস্বস্তিতে পড়ে যায়। দিতিও বুঝতে পারে যে গোরার জন্য তার এই অতিশয় উদ্যোগ গোরা খুব একটা সহজভাবে গ্রহণ করছে না।

সেই অনুষ্ঠানে খোকন বাবু দিতিকে অনুরোধ করেন সেখানে উপস্থিত থাকার জন্য। তিনি জানান যে দিতি থাকলে তবেই কাঙাল ভোজনের এই পুণ্য কাজ সম্পন্ন হবে। খোকন বাবুর অনুরোধে দিতি সেখানে থেকে যায় এবং সবার সাথে হাত মিলিয়ে রান্নার তদারকি শুরু করে। স্থির হয় যে প্রথমে এই বিশেষ ভোগ মহাপ্রভুকে নিবেদন করা হবে এবং তারপর উপস্থিত সকল ভক্ত ও সাধারণ মানুষের মধ্যে তা বিতরণ করা হবে।

আরও পড়ুনঃ ‘অসম্ভব বলে কিছু নেই, পুরো পরিবারই নাটকবাজ!’ নতুন বিয়ের উপহার আনবক্সিং করছেন সুস্মিতা! সাক্ষী রইলেন প্রাক্তন স্বামী সব্যসাচী চক্রবর্তী?

কিন্তু অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে এক ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। মহাপ্রভুর জন্য তৈরি সেই ভোগ খেয়ে হঠাৎ একজনের শারীরিক অবস্থার চরম অবনতি ঘটে এবং তার গলা নীল হয়ে আসে। এই দৃশ্য দেখে দিতি ভীষণ ভয় পেয়ে যায়, কারণ ওই একই প্রসাদ সমস্ত ভক্তদের খাওয়ার কথা। সেই খাবারে কোনো বিষক্রিয়া হয়েছে কিনা বা কীভাবে সবাইকে এই আসন্ন বিপদ থেকে রক্ষা করা সম্ভব, সেই চিন্তায় দিতি অস্থির হয়ে ওঠে। এই কঠিন পরিস্থিতি সামলানোই এখন তার কাছে সবথেকে বড় চ্যালেঞ্জ।

Back to top button