শেষ হচ্ছে সোহাগ জল! আর দেখা যাবে না জুঁই শুভ্র জুটিকে, কেন এমন সিদ্ধান্ত?

এই টিআরপির যুগে টিআরপি ছাড়া টিকে থাকা অসম্ভব। আগে যেখানে ধারাবাহিক গুলি দুই তিন চার বছর ধরে চলত বর্তমানে সেগুলির আয়ু হয়ে দাঁড়িয়েছে মাত্র কয়েক মাস থেকে এক বছর। কোন কোন ধারাবাহিক তো কম টিআরপির দু-তিন মাসেও বন্ধ হয়ে গিয়েছে। আর এখানেই উদাহরণ হিসেবে বাড়ি ঝড়ের নাম নেওয়া যেতে পারে।
এই কম টিআরপির জন্য যে সকল ধারাবাহিকগুলির শিয়রে সংক্রান্তি সেই রকম কিছু ধারাবাহিকের মধ্যে একটি অন্যতম হলো সোহাগ জল। অনেক সমালোচনার মুখে পড়েছে এই ধারাবাহিকটি। কিছু কিছু সমালোচক এই ধারাবাহিক টির নাম বদলে রেখেছিলেন পরকীয়া জল। আর এটাই স্বাভাবিক কারণ বৌদি ঠাকুরপোর পরকীয়াতে মন লাগছিল না দর্শকদের।
শুভ্র ঠাকুরপোর প্রতি বেণী বৌদির দুর্বলতার কথা অজানা নয় দর্শকদের। তাই তো রাতবিরেতে আড্ডা মারতে চলে আসে শুভ্রর ঘরে। সে জানে জুঁই (শ্বেতা ভট্টাচার্য) এইসব পছন্দ করে না কিন্তু তাও সব জেনেও লুকিয়ে সি’গা’রে’টের প্যাকেট এগিয়ে দেয় ঠাকুরপোর সামনে। ইনিয়ে-বিনিয়ে জাহির করার চেষ্টা করে সে জীবনে কতটা একা। তবে শুভ্র কোনওদিনই বেণীর এইসব আচরণকে তেমন একটা পাত্তা দেয়নি। বিয়ের পর জুঁইকে মেনে নিতে না পারলেও বেণীর প্রতি মোটেই দুর্বল নয় শুভ্র সেটা সে প্রমাণ করেছে।

এরই মাঝে হঠাৎ করে গর্ভবতী হয়ে পড়ে বেনী বৌদি। মাঝে শুভ্রর দিকে আঙ্গুল তোলা হলেও পরবর্তীতে জানা গিয়েছে এই সন্তান শুভ্রোর নয় বরং তার দাদা সৌম্যর। যদিও সৌম্য সেটা মানতে নারাজ। প্রথম দিকে জানা যায় এই সন্তান জন্ম দিতে বেশ বিঘ্ন আসতে চলেছে বেনি বৌদির জীবনে। তাই বেনি বৌদি ঠিক করে সন্তান ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর তাকে জুঁইয়ের হাতে দিয়ে যাবে।
নেগেটিভ চরিত্র থেকে ভালো হয়ে যায় বেনি বৌদি। সবাই জানতে পেরে যায় সন্তানের আসল বাবার পরিচয়। আপাতদৃষ্টিতে দেখতে গেলে একটা পরিবারে ভিলেন ভালো হয়ে গিয়েছে দোষীরা ধরা পড়েছে। বেশিরভাগ ধারাবাহিক এই এমন অবস্থা এলে ধারণা করা যায় যে ধারাবাহিকটির অন্তিম পর্ব আসন্ন মান। তাই এখন টলিপাড়ায় জোর গুঞ্জন সবই যখন মিটে গিয়েছে তখন হয়তো শেষ হয়ে যেতে পারে এই ধারাবাহিকটি। তবে এই বিষয়ে কোনো তথ্যই আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি ধারাবাহিক কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে।

