‘সবটা স্ক্রিপটেড ছিল…সুস্মিতা আমার সুযোগ নিয়েছে!’ ‘ভয় পেয়ে গেছিলাম, বোকার মতন ওর ফাঁদে পা দিয়েছি…’ রেকর্ডিং ফাঁ’স ঘিরে নতুন বি’স্ফোরণ! সুস্মিতা-সায়ক বিতর্কে নতুন মোড়!

সোশ্যাল মিডিয়ায় ইতিমধ্যেই তুমুল চর্চায় রয়েছে সুস্মিতা রায়, সায়ক চক্রবর্তী এবং সব্যসাচী চক্রবর্তীকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্ক। সম্প্রতি একটি কল রেকর্ডিং সামনে আসতেই পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সেই অডিও প্রকাশ্যে আনার পর থেকেই নেটপাড়ায় শুরু হয়েছে নতুন করে আলোচনা, পাল্টা অভিযোগ এবং তর্ক-বিতর্ক।

ঘটনার সূত্রপাত একটি কথোপকথন ঘিরে, যা নাকি নিজেই রেকর্ড করে সোশ্যাল মিডিয়ায় শেয়ার করেন সুস্মিতা। ওই রেকর্ডিং সামনে আসার পরই চুপ থাকেননি সায়ক চক্রবর্তী। নিজের সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্টে তিনি দীর্ঘ পোস্ট করে দাবি করেন, পুরো ঘটনাটি আগে থেকেই পরিকল্পিত ছিল এবং তাঁকে উদ্দেশ্য করেই এই পরিস্থিতি তৈরি করা হয়েছে।

সায়কের বক্তব্য অনুযায়ী, আগের রাতে তাঁকে ফোন করে দেখা করতে বলা হয়েছিল। তাঁর দাবি, সেই কথোপকথনের মধ্যেই এমন কিছু কথা বলা হয় যা পরে রেকর্ডিং হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে। তিনি আরও বলেন, হঠাৎ এই পরিস্থিতিতে তিনি মানসিকভাবে প্রস্তুত ছিলেন না, ফলে কথার জবাব দেওয়ার মতো অবস্থাও ছিল না। তাঁর অভিযোগ, এই ঘটনাকে ব্যবহার করে নতুন করে বিতর্ক তৈরি করা হয়েছে।

এখানেই থামেননি সায়ক। তিনি আরও জানান, অতীতে তিনি নাকি সুস্মিতাকে একাধিকবার ব্যক্তিগত সম্পর্ক থেকে বেরিয়ে আসার পরামর্শ দিয়েছিলেন। কিন্তু সেই প্রসঙ্গই নাকি ঘুরিয়ে অন্যভাবে তুলে ধরা হয়েছে। তাঁর কথায়, পুরো বিষয়টিকে বিকৃত করে এমনভাবে সামনে আনা হয়েছে, যাতে তাঁকে এবং তাঁর পরিবারকে খারাপভাবে দেখানো যায়।

এই ঘটনাকে ঘিরে এখন টলিপাড়ায় জোর চর্চা চলছে। একদিকে রেকর্ডিং প্রকাশ, অন্যদিকে পাল্টা ব্যাখ্যা সব মিলিয়ে পরিস্থিতি ক্রমশ জটিল হচ্ছে। কে ঠিক আর কে ভুল তা নিয়ে এখনও স্পষ্ট কিছু না হলেও, এই বিতর্ক যে এখানেই থামছে না, তা একপ্রকার নিশ্চিত বলেই মনে করছেন অনেকেই।

আরও পড়ুনঃ টিআরপি তালিকায় বিরাট চমক! শীর্ষে ‘পরিণীতা’! জি-এর ধাক্কায় এবার ছিটকে গেল জলসা! দেখে নিন এই সপ্তাহের টিআরপি তালিকা!

কল রেকর্ডিং প্রসঙ্গে অভিনেতা সায়ক চক্রবর্তী নিজের সোশ্যাল মিডিয়া আইডিতে লেখেন, “রেকর্ডিংয়ে ওর যা দাবি , খেয়াল করুন ও সবই বলেছে । মানে আগে থেকেই ঠিক ছিলো এই কাজটা ও করবে । আমাকে কাল রাতে কল করে আসতে বলা হয় । যে ব্ল্যাকমেইল ও আমার ঘাড়ে ঠেলছে , সেটা ও যে করতে চাইছে তা স্পষ্ট স্বাভাবিক আমি ঘাবড়ে যাই! আবার একটা কন্ট্রোভার্সি?! আমি ওকে বোঝানোর চেষ্টা করেছিলাম , আর ও সেই সুযোগে ওর কথা গুলো রেকর্ডিংয়ে শুনিয়েছে যাচ্ছিল । ওগুলো কাউন্টার করার মতো পরিস্থিতি আমার ছিলো না আর আমি ওকে অনেকবার বলেছি দাদার সঙ্গে তোর সম্পর্ক ঠিক নেই । তুই এই বিয়ে থেকে বেড়িয়ে যা । ভালো ছেলে দেখে আবার বিয়ে কর, সেটাকে ঘুরিয়ে এই নোংরা কথা যখন ও বলতে শুরু করল তখন আমি ভয় পেয়েছিলাম । তার মানে ও শুরু করবে আবার । সেটাই হলো । মাঝে থেকে আবার কন্ট্রভার্সি । আমি ওকে এই নোংরামি থামাতে বলেছিলাম । সেটাকেই ঘুরিয়ে ও ডাস্টবিন বানালো । হোয়াটসঅ্যাপ কল ছিলো । মানে থার্ড ফোন থেকে রেকর্ডিং । স্ক্রিপ্ট ছিলো । আমি বোকার মতো পা দিয়েছি । রাতেই বাড়ি গিয়ে কী করে ওর ইমেজ ক্লিন করব ? দাদা ফাইনালি বারণ করেছিল যাইনি, তাই রাগ । অন্যায় করে থাকলে যেতাম তো । আমাদের খারাপ করে, ওর নিজের কীর্তি জাস্টিফাই করতে ও নিজে কী এমন ইমেজ ভালো করল বুঝলাম না ।”

Back to top button