মেয়ের চোখের জলের বদলা নেবেন মা! বর্ষার প্রতি সব মায়া ত্যাগ করলেন কমলিনী! প্রমাণ পেলে বর্ষাকেও কি বাড়ি ছাড়া করবে বুব্লাই? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

স্টার জলসা (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিকে গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, শ্বশুরবাড়িতে কৃশানু এবং তার পরিবারের লোকেদের অমানবিক ব্যবহার আর বারবার মিথ্যে অপবাদ মিঠির সহ্যশক্তির বাইরে চলে যায়। সে বুঝতে পারে, যে বাড়িতে তার ওপর কোনো বিশ্বাস নেই এবং যেখানে তাকে পদে পদে অপমানিত হতে হয়, সেখানে পড়ে থাকার কোনো মানে হয় না। নিজের সম্মান বাঁচাতে মিঠি ঠিক করে সে আর ওই বাড়িতে ফিরবে না। অভিমানে বুক ফেটে গেলেও সে শক্ত হয়ে কৃশানুকে জানিয়ে দেয়, যেন তাদের ডিভোর্সের কাগজ পাঠিয়ে দেওয়া হয়। এরপর সে নিজের বাপের বাড়িতে ফিরে আসে।

মা কমলিনী যখন মিঠিকে নিয়ে নিজের বাড়িতে ফেরেন, তখন চারপাশের লোক আর পরিবারের বাকি সদস্যরা নানা কথা বলতে শুরু করেন। কেন মিঠি হঠাৎ চলে এল, কেনই বা তার চোখেমুখে এত বিষণ্ণতা এসব নিয়ে সবার মনেই হাজারো প্রশ্ন ঘুরপাক খেতে থাকে। মিঠি যে পাকাপাকিভাবে চলে এসেছে, সেই আসল সত্যিটা এখনো বাড়ির সবার জানা নেই। তবে অশুভ কোনো কিছুর আভাস পেয়ে বাড়ির পরিবেশ বেশ থমথমে হয়ে ওঠে।

মিঠির জীবন নষ্ট করার পেছনে যে একটা ভুল বা জাল মেডিকেল রিপোর্ট কাজ করেছে, সেটা নিয়ে নতুন কাকু ভীষণ চিন্তিত হয়ে পড়েন। এই রিপোর্টটা ঠিক কীভাবে আর কার বুদ্ধিতে কৃশানুর বাড়িতে গিয়ে পৌঁছালো, সেটা খুঁজে বের করা খুব জরুরি হয়ে পড়ে। নতুন কাকু ঠিক করেন তিনি এর শেষ দেখে ছাড়বেন। এখন দেখার বিষয় হলো, এই ষড়যন্ত্রের পেছনে আসল লোকটা কে এবং যখন সত্যিটা সামনে আসবে তখন পরিবারের বাকিরা কী করে।

মিঠির এই বিপদের পেছনে বাড়ির সবার সন্দেহের আঙুল এখন বর্ষার দিকে। সবাই মনে করছেন বর্ষাই কোনো চক্রান্ত করে মিঠির সংসার ভেঙেছে। নিজের ওপর দোষ আসতেই বর্ষা আবার কুরচিকে দায়ী করার চেষ্টা করে, অন্যদিকে রোশমি বৌদি সন্দেহ করেন মিটিলকে। একে অপরের দিকে কাদা ছোড়াছুড়ি চললেও বর্ষার ওপর থেকে কারোরই সন্দেহ সরছে না। এই নিয়ে পরিবারের ভেতরে এক বড় অশান্তির সৃষ্টি হয়েছে।

আরও পড়ুনঃ লন্ডনে জীবন সংকটে রায়ান-পারুল! সংযুক্তা সেনের নৃ’শংসতায় এবার কি শেষ হবে বসু বাড়ির চার সদস্য? প্রকাশ্যে নতুন প্রোমো!

মিঠির প্রতি হওয়া এই অন্যায়ের বিচারে এবার বুব্লাই আর মা কমলিনী দুজনেই খুব কড়া অবস্থান নিয়েছেন। বুব্লাই পরিষ্কার জানিয়ে দিয়েছে যে, যদি একবার প্রমাণিত হয় যে এই নোংরা কাজের পেছনে বর্ষার হাত আছে, তবে তাকেও মিঠির মতোই এই বাড়ি থেকে বের করে দেওয়া হবে। মা কমলিনীও জানিয়ে দিয়েছেন, নিজের মেয়ের যে সর্বনাশ করেছে তাকে তিনি আর ক্ষমা করবেন না। মায়া-মমতা সরিয়ে রেখে তিনি এখন কেবল সত্যের বিচার চান।

Back to top button