শাশুড়ির ষ’ড়যন্ত্র ভেঙে চুরমার! ভরা মজলিসে কুন্তলীকে সজোরে থাপ্পড় মারল দিতি! নিজের অধিকার ছিনিয়ে নিয়ে উচিত শিক্ষা দিল সে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গান গাইতে যাওয়ার অনুমতি পেয়ে দিতি অত্যন্ত আনন্দিত ছিল। বিশেষ করে তার শাশুড়ি মা নিজে থেকে তাকে গান গাওয়ার সুযোগ করে দিয়েছেন ভেবে সে বেশ উচ্ছ্বসিত হয়ে ওঠে। যাত্রার প্রস্তুতি শেষ হতেই গোরার মা এসে জানান যে, গোরা এখন তাদের সঙ্গে যেতে পারবে না, তবে অনুষ্ঠান শুরুর আগেই সে পৌঁছে যাবে। এরপর তিনি গোরাকে নিয়ে মন্দিরের উদ্দেশ্যে রওনা হন।

পরিকল্পনা অনুযায়ী গোরাকে মন্দিরে নিয়ে গিয়ে তার মা এক অদ্ভুত দাবি করে বসেন। তিনি গোরার হাতে সিঁদুর তুলে দিয়ে তাকে আদেশ দেন কুন্তলীকে বিয়ে করার জন্য। মায়ের এই অনৈতিক দাবি শুনে গোরা ভীষণ অবাক হয় এবং সাফ জানিয়ে দেয় যে, সে কোনোভাবেই এই কাজ করতে পারবে না। সে তার মায়ের এই জেদের কাছে মাথা নত করতে অস্বীকার করে।

Tare Dhori Dhori Mone Kori, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Tare Dhori Dhori Mone Kori New Episode, Tare Dhori Dhori Mone Kori Today's Episode 8 March, Today's Episode, তারে ধরি ধরি মনে করি, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, তারে ধরি ধরি মনে করি আজকের পর্ব, তারে ধরি ধরি মনে করি ৮ মার্চ আজকের পর্ব

অন্যদিকে, দিতি প্রতিবেশীর বাড়িতে গান গাইতে গিয়ে আসল সত্যটি জানতে পারে। সে জানতে পারে যে, আয়োজকদের তাকে দিয়ে গান গাওয়ানোর কোনো পরিকল্পনাই ছিল না; বরং তার শাশুড়ি মা নিজে অনেক অনুরোধ করে দিতির গানের ব্যবস্থা করেছেন। এই কথা শুনে দিতির মনে খটকা লাগে। যে শাশুড়ি আগে তাকে গান গাইতে বাধা দিতেন, তিনি কেন হঠাৎ এত উৎসাহী হলেন, তা ভেবে দিতি সন্দিহান হয়ে ওঠে।

মন্দিরে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে যখন কুন্তলী নিজেই গোরার হাত থেকে সিঁদুর নিয়ে নিজের সিঁথিতে পরতে যায়। ঠিক সেই মুহূর্তে নাটকীয়ভাবে সেখানে হাজির হয় অদ্বিতীয়া। সে দ্রুত কুন্তলীর হাত ধরে ফেলে এবং তাকে একটি সজোরে থাপ্পড় মারে। এরপর সে সরাসরি গোরার মায়ের মুখোমুখি হয়ে প্রশ্ন তোলে যে, ঘরে স্ত্রী থাকতে তিনি কীভাবে ছেলের আবার বিয়ে দেওয়ার কথা ভাবতে পারেন।

আরও পড়ুনঃ প্রয়াত প্রবীণ অভিনেতা তমাল রায় চৌধুরী! শোকের ছায়া টলিপাড়ায়!

গোরার মা অহংকারের সাথে দাবি করেন যে অদ্বিতীয়া তো আর রূপ নয়, তাই এই বিয়েতে কোনো বাধা নেই। এই কথা শুনে অদ্বিতীয়া সাহসের সাথে গর্জে ওঠে। সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় যে, তার নাম অদ্বিতীয়া হোক বা রূপমঞ্জরী সে-ই গোরাচাঁদ গোস্বামীর আসল স্ত্রী। নিজের অধিকার প্রতিষ্ঠা করতে সে আর দেরি করে না এবং সবার সামনে গোরার হাতের সিঁদুর নিজের সিঁথিতে পরে স্ত্রীর মর্যাদা ছিনিয়ে নেয়।

Back to top button