ভালোবাসার নাম বলার আগেই হাহাকার! বসু বাড়িতে সংযুক্তার ভয়ংকর হামলা, শুরু হলো গু’লির লড়াই! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, বসু বাড়িতে ধুমধাম করে দোল উৎসব পালন করা হচ্ছে। এই আনন্দের মাঝেই রায়ান জোর করে পারুলকে রঙ দিয়ে দেয়। এতে পারুল বেশ বিরক্ত হয় এবং রায়ানকে বলে, যে যাকে সত্যিই ভালোবাসে তাকেই গিয়ে রঙ দেয়। রায়ান আসলে পারুলকেই ভালোবাসে, আর সেই কারণেই তাকে প্রথম রঙ দিয়েছে, কিন্তু পারুল সেটা বুঝতে পারে না। উল্টে দুজনের মধ্যে একটা চাপা অভিমান ও অশান্তি তৈরি হয়।
এদিকে বাড়ির দাদু মৈনাককে একটা বিশেষ দায়িত্ব দেন। পরিকল্পনা ছিল, সিদ্ধির সরবতে সত্য বচন মিশ্রণ মিশিয়ে রায়ানকে খাওয়ানো হবে। এতে নেশার ঘোরে রায়ান তার মনের সব গোপন কথা বলে দেবে। মৈনাক খাবারের দায়িত্বে থাকায় রায়ান তাকে সন্দেহ করবে না বলেই দাদু তাকে বেছে নেন। কিন্তু মৈনাক ভুল করে শুধু রায়ানের গ্লাসে না মিশিয়ে পুরো বড় পাত্রের সরবতেই ওই মিশ্রণটি মিশিয়ে ফেলে।

ওই সরবত খাওয়ার পর সবার মাথা ঘুরতে শুরু করে এবং নেশার ঘোরে যে যার মনের কথা বলতে থাকে। রায়ানের বাবা, যিনি এতদিন সব মুখ বুজে সহ্য করেছেন, আজ সবার সামনে চেঁচিয়ে বলতে থাকেন যে তিনি অন্য কাউকে ভালোবাসতেন, কিন্তু তাকে জোর করে এখানে বিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকি রায়ানের মা যে কতটা খারাপ ব্যবহার করেন সবার সাথে, সেই সত্যিটাও তিনি সবার সামনে ফাঁস করে দেন। একে একে বাড়ির সবাই আবোলতাবোল বকতে শুরু করে।
বাড়ির ভেতরে যখন এই বিশৃঙ্খলা চলছে, বাইরে তখন বিপদের কালো মেঘ ঘনিয়ে আসছে। পরিবারের শত্রু সংযুক্তা ঠিক করেছে এই রঙের উৎসবকে সে রক্তারক্তি কাণ্ডে পরিণত করবে। পুরনো রাগের বদলা নিতে সে একদল গুন্ডা পাঠায় বসু বাড়িতে। উৎসবের আনন্দকে বিষাদে ভরিয়ে দিতে তার এই নতুন ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ বা পরিকল্পনা বসু পরিবারের জন্য বড় বিপদ ডেকে আনে।
আরও পড়ুনঃ ‘বাবা কোনোদিনই তেমন সাহায্য করেননি, বলেছেন নিজেরটা নিজেকেই করে নিতে হবে…’ আত্মবিশ্বাসে ভরপুর গৌরব চক্রবর্তী! নিজের পথ নিজেই গড়েছেন অভিনেতা!
এই সব গোলমালের মধ্যেই পারুল প্রায় কাঁদতে কাঁদতে রায়ানকে বলে, “তুই কেন আমায় এতো কষ্ট দিস? তুই যদি অন্য কোনো মেয়ের দিকে তাকাস, তবে আমার গা জ্বলে যায়। তুই কি বলবি না তুই কাকে ভালোবাসিস?” পারুলের এমন অসহায় অবস্থা দেখে রায়ান যেই তার ভালোবাসার মানুষের নাম নিতে যাবে, ঠিক তখনই চারপাশ ফায়ারিংয়ের শব্দে কেঁপে ওঠে। ভয়ে সবাই চিৎকার শুরু করে, আর রায়ানের মনের কথাটি এবারও অজানাই থেকে যায়। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

