বসু বাড়িতে দোলের রঙে বিষাদের ছায়া! উৎসবের আড়ালে ধ্বংসের ছক! সংযুক্তার মা’রণ-অ্যাসাইনমেন্ট শুরু! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রাতের আঁধারে পারুল ও রায়ানের সম্পর্কের তিক্ততা চরমে পৌঁছায়। আগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী তারা আলাদা ঘরে ঘুমালেও, মুগ্ধ চোখে পারুলের দিকে তাকিয়ে থাকা রায়ানের নজর এড়াতে পারে না পারুল। মাঝরাতে হঠাৎ ঘুম ভেঙে রায়ানের দৃষ্টি লক্ষ্য করতেই শুরু হয় তাদের তুমুল ঝগড়া। পরিস্থিতির চাপে সেই নকল উকিলের হস্তক্ষেপে এবং আইনের দোহাই মেনে নিয়ে তারা একই ঘরে ঘুমাতে বাধ্য হয়। তবে এই বাধ্যবাধকতার আড়ালে লুকিয়ে থাকে এক অব্যক্ত টানাপোড়েন।

পরদিন সকালে বসু পরিবারে শুরু হয় রঙের উৎসব। পারুল আগেভাগেই রানীকে জানিয়ে দিয়েছিল যে রায়ান যেন তাকে রঙ না দিয়ে তার ভালোবাসার মানুষকে রঙ দেয়। কিন্তু উৎসবের আবহে পারুলকে অপ্রস্তুত করে দিয়ে রায়ান হুট করেই তাকে আবির মাখিয়ে দেয়। রাগে-অভিমানে পারুল তাকে তাড়া করলে এক মিষ্টি খুনসুটির পরিবেশ তৈরি হয়। যখন পারুল তাকে পছন্দের মানুষকে রঙ দিতে বলে, তখন রায়ান শান্তভাবে জানায় যে সে ঠিক তাই করেছে, অর্থাৎ নিজের ভালোবাসার মানুষকেই সে রঙ দিয়েছে।

Parineeta, Zee Bangla, Bengali Serial, Bengali Television, Ishani Chatterjee, Uday Pratap Singh, Parineeta New Episode, Parineeta Today's Episode 5 March, Today's Episode, পরিণীতা, জি বাংলা, বাংলা সিরিয়াল, বাংলা টেলিভিশন, পরিণীতা আজকের পর্ব, ঈশানি চ্যাটার্জী, উদয় প্রতাপ সিং, পরিণীতা ৫ মার্চ আজকের পর্ব

পরে আবার সিদ্ধির নেশায়, রায়ান দৃঢ় কণ্ঠে ঘোষণা করে যে আজ তাকে কেউ থামাতে পারবে না এবং সে সবার সামনে নিজের ভালোবাসার কথা প্রকাশ করবেই। রায়ানের এই সাহসী স্বীকারোক্তি শুনে পরিবারের সবাই অবাক হয়ে যায়, তবে আড়ালে থেকে দাদু মুচকি হাসেন। তার পরিকল্পনা সফল হতে দেখে তিনি বোঝেন যে, রায়ানের এই সত্য প্রকাশ বসু পরিবারের সম্পর্কের ভবিষ্যৎ চিরতরে বদলে দিতে চলেছে।

উৎসবের আমেজ আরও বদলে যায় যখন সিদ্ধির প্রভাবে রায়ান সবার সামনে পারুলের হাত শক্ত করে ধরে ফেলে। পারুল ক্ষুব্ধ হয়ে ব্যঙ্গাত্মক সুরে তাকে হাত ছেড়ে দিয়ে নিজের প্রিয় মানুষের পাশে গিয়ে দাঁড়াতে বলে। পারুলের এই অভিমানী কথায় দীর্ঘদিনের জমে থাকা অমীমাংসিত সমীকরণগুলো ফুটে ওঠে। কিন্তু এবার আর রায়ান দমে না গিয়ে উল্টো চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়ে পরিস্থিতিকে আরও গম্ভীর করে তোলে।

আরও পড়ুনঃ ‘মীরার ভালো হওয়া বাকি ছিল, মীরার প্রেম হওয়া বাকি ছিল…’ ‘সন্তানের মতো চরিত্রটাকে গড়েছিলাম, মুহূর্তে সব শেষ…’, চোখের জলে শেষ হল মীরা-অধ্যায়! প্রস্তুত ছিলেন না তন্বী!

হোলির এই আনন্দের মাঝেই ঘনিয়ে আসে বিপদের কালো মেঘ। প্রতিশোধের নেশায় মত্ত সংযুক্তা ঠিক করে বসু পরিবারের এই রঙের উৎসবকে সে রক্ত উৎসবে পরিণত করবে। নিজের দীর্ঘদিনের ক্ষোভ মেটাতে সে গুন্ডাদের দল পাঠায় বসু বাড়িতে। সংযুক্তার এই নতুন ‘অ্যাসাইনমেন্ট’ সরাসরি বসু পরিবারের ক্ষতি করার উদ্দেশ্যে তৈরি, যা উৎসবের খুশিকে এক লহমায় বিষাদে পরিণত করার ইঙ্গিত দেয়।

Back to top button