পারুলকে বাঁচাতে রুখে দাঁড়াল রায়ান! শিরিনের উন্মত্ততায় রায়ানের চরম হুঁশিয়ারি! টান টান উত্তেজনাময় ধারাবাহিকের আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, রায়ান ও পারুল তাদের সুন্দর করে সাজানো ঘরে ফিরে এলেও তাদের মধ্যকার শান্তি দীর্ঘস্থায়ী হয়নি। রায়ান পারুলকে ফুল দিয়ে ভালোবাসার কথা জানালে পারুল তা বিশ্বাস করতে চায় না। উল্টো রায়ানকে প্রত্যাখ্যান করে এবং তার মনে নতুন করে আশার সঞ্চার করায় ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। এই নিয়ে দুজনের মধ্যে কথা কাটাকাটি হয় এবং পারুল রায়ানকে দেওয়া ফুল ছুঁড়ে ফেলে দেয়। রায়ানের ওপর অভিমান করে পারুল ঘর থেকে বেরিয়ে যায়, আর রায়ান রাগে বিছানায় শুয়ে পড়ে।
এদিকে পারুল ঘর থেকে বের হওয়ার পরপরই হোটেলের মধ্যে শিরিনের গুন্ডারা তাকে অজ্ঞান করে তুলে নিয়ে যায়। গভীর রাতে রায়ান আতঙ্কিত হয়ে ঘুম থেকে লাফিয়ে ওঠে এবং পারুলকে চিৎকার করে ডাকতে থাকে। বিছানা খালি দেখে এবং ঘরে পারুলকে কোথাও না পেয়ে রায়ানের মনে সেই কাপালিকের ভয়ের কথা উঁকি দিতে শুরু করে। তার আশঙ্কা সত্যি প্রমাণিত হয়, কারণ শিরিনের পাঠানো লোকেরা পারুলকে ধরে নিয়ে গিয়েছিল।

শিরিনের সাজানো এক কাপালিক ছদ্মবেশে পারুলকে ধরে নিয়ে যায় এবং কপালে সিঁদুর পরিয়ে বলি দেওয়ার প্রস্তুতি নেয়। পারুলের হাত বাঁধা ছিল এবং সামনেই রাখা ছিল ধারালো অস্ত্র, ফলে তার জীবন চরম সংকটে পড়ে। ভাগ্যক্রমে, পারুলকে খুঁজতে খুঁজতে রায়ান ঠিক সময়ে সেখানে পৌঁছে যায়। এক তুমুল লড়াইয়ের পর রায়ান পারুলকে কাপালিকের কবল থেকে উদ্ধার করে। জ্ঞানহীন পারুল জানতেও পারে না যে, কাপালিকের ভয়ে রায়ান অবশেষে পারুলের প্রতি তার ভালোবাসার কথা স্বীকার করে ফেলেছে।
অন্যদিকে, শিরিন সরাসরি রায়ানকে হুমকি দিয়ে জানায় যে সে বেঁচে থাকতে রায়ানের জীবনে অন্য কোনো মেয়ের উপস্থিতি মেনে নেবে না। শিরিনের এই আচরণ কেবল ঈর্ষা নয়, বরং এক ধরনের আসক্তি ও নিয়ন্ত্রণের মানসিকতা, যা চরম পর্যায়ে পৌঁছাচ্ছে। শিরিনের কথায় এমন এক আত্মবিধ্বংসী ইঙ্গিতও থাকে, যেখানে সে নিজের ক্ষতি মেনে নিয়েও রায়ানের ওপর অধিকার ধরে রাখতে চায়।
আরও পড়ুনঃ ‘আমার শ’রীর, আমার ক্লি’ভেজ, আমি দেখাতেই পারি…’ নারী স্বাধীনতা নিয়ে সরব অভিনেত্রী! সম্পর্কের নতুন সংজ্ঞা দিলেন শতাব্দী রায়!
এই ঘটনার পর রায়ান প্রথমবারের মতো শিরিনের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়। পারুলের নিরাপত্তাকে প্রাধান্য দিয়ে রায়ান স্পষ্ট ভাষায় শিরিনকে সতর্ক করে দেয় যে, পারুলের কোনো ক্ষতি হলে সে আর চুপ থাকবে না। এর মধ্য দিয়ে তাদের মধ্যকার সংঘাত এক নতুন ও বিপজ্জনক মোড় নেয়।

