মাথা নত নয়, মাথা উঁচু করে বাঁচার স্বপ্ন! সংসারের শৃঙ্খল ভেঙে নতুন লড়াই দিতির, গোরার সমর্থন কি পাবে সে? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone Kori) ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, গোরার পরিবারে সবাই যখন একসঙ্গে খেতে বসেছে, তখনই পুলস্ত্য তার বাবা-মাকে নিয়ে হাজির হয়। সে দাদুর কাছে এমনভাবে অভিনয় শুরু করে যেন তারা তাদের ভুল বুঝতে পেরেছে এবং পরিবারের সাথে মিলেমিশে থাকতে চায়। বাড়ির সবাই এটাকে সরল মনে নিলেও, গোরা আর দিতি ঠিকই বুঝতে পারে যে পুলস্ত্য আসলে কোনো ভালো উদ্দেশ্যে আসেনি। তার আসল লক্ষ্য হলো ব্রজধাম বাড়িটা দখল করা।
কিন্তু বাড়ির বড়রা পুলস্ত্যর এই শয়তানি বুদ্ধি ধরতে পারেন না। উল্টো দিতির ওপর জেদ করে গোরার মা পুলস্ত্যদের বাড়িতে থাকার অনুমতি দিয়ে দেন। দাদুও এতে কোনো অমত করেন না। দিতি তখন সোজাসুজি জানিয়ে দেয় যে, গোরার মা আসলে বিপদ ডেকে আনছেন। কিন্তু দিতির এই সতর্কবাণীতে কেউ পাত্তা দেয় না, যা গোরাকে খুব দুশ্চিন্তায় ফেলে দেয়।

এরই মধ্যে পাড়ার লোকজন দিতির গান শুনে খুব খুশি হয়ে তাকে একটি কীর্তনের অনুষ্ঠানে গাওয়ার জন্য আমন্ত্রণ জানায়। তারা দিতিকে কিছু পারিশ্রমিকও দিতে চায়। কিন্তু গোরার মা নিজের আভিজাত্যের অহংকারে সেই প্রস্তাব ফিরিয়ে দেন। এতে দিতি দমে না গিয়ে পাল্টা রুখে দাঁড়ায়। সে পরিষ্কার বলে দেয় যে, সে গান গাইতে যাবেই এবং নিজের যোগ্যতায় নিজের পথ তৈরি করবে।
গোরা মনেপ্রাণে বিশ্বাস করে যে দিতি একদম সঠিক পথে আছে। দিতি যে কতটা সৎ এবং ন্যায়ের পক্ষে লড়ে, তা গোরা জানে। পরিবারের পুরনো নিয়ম আর চাপে গোরা পুরোপুরি মুখ খুলতে না পারলেও, সে দিতিকেই সমর্থন করে। গোরার কাছে দিতির পাশে থাকা মানেই হলো সত্যের পাশে থাকা। সে মনে করে দিতিকে আটকে না রেখে তার এই সাহসী জেদকে সম্মান জানানো উচিত।
আরও পড়ুনঃ হানিমুনে বিভীষিকা! কাপালিকের কো’প থেকে পারুলকে বাঁচাতে পারবে তো রায়ান? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
শেষ পর্যন্ত কারোর বারণ না শুনেই দিতি কীর্তন গাইতে চলে যায়। সে বুঝিয়ে দেয় যে সে পরনির্ভরশীল হয়ে থাকতে চায় না। এখন দেখার বিষয়, দিতির এই সাহসী পদক্ষেপ এবং বাড়িতে পুলস্ত্যর উপস্থিতি আগামী দিনে কী নতুন সমস্যার সৃষ্টি করে।

