আইনি লড়াই নাকি সাজানো নাটক? সত্য উদঘাটনে কোর্ট রুমে হানা দিতেই পারুলের চক্ষু চড়কগাছ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, নকল উকিলকে দেখানোর জন্য পারুল রায়ানের পাশে শুলেও সে যেতেই জেদ করে মেঝেতে বিছানা পাতে। রায়ান অনেক বারণ করলেও পারুল শোনেনি। তাই পারুলকে হিংসে করানোর জন্য রায়ান ফোনে কারও সাথে আদিখ্যেতা করে প্রেম করার অভিনয় শুরু করে। এটা শুনে পারুল রাগে ফেটে পড়ে। সে ভাবতেই পারেনি রায়ান তার সামনে অন্য মেয়ের সাথে এভাবে কথা বলবে। ঈর্ষায় জ্বলে পারুল এক বালতি জল এনে সরাসরি রায়ানের মাথায় ঢেলে দেয়। এতে রায়ান আর তার ফোন সব ভিজে একাকার হয়ে যায়।
রায়ান আর পারুলের ঝগড়ার মাঝে আসল সত্যিটা ফাঁস হয়ে যায় যে পারুল মেঝেতে ঘুমাচ্ছিল। তখনই ওই নকল উকিল পুলিশ ডেকে আনে। যদিও পুলিশগুলোও ছিল সাজানো, কিন্তু পারুল সেটা জানত না। বিপদের মুখে রায়ানকে একা ছেড়ে না দিয়ে পারুল নিজের বুদ্ধিতে তাকে পুলিশের হাত থেকে বাঁচিয়ে নেয়। তাদের এই খুনসুটি আর ঝগড়ার মাঝেও একে অপরের প্রতি টান স্পষ্ট হয়ে ওঠে।

পরদিন সকালে ওই উকিল আবার হাজির হয় এক অদ্ভুত নির্দেশ নিয়ে। সে জানায়, রায়ান আর পারুলকে এবার ‘নকল হানিমুনে’ যেতে হবে। এতসব নাটক আর নিয়মকানুন দেখে পারুলের মনে গভীর সন্দেহ জাগে। তার মনে হতে থাকে, কোথাও গন্ডগোল আছে। কোনো সাধারণ উকিল বা কোর্ট এভাবে হানিমুনের হুকুম দিতে পারে না। সত্যিটা কী, তা জানতেই পারুল সরাসরি কোর্টে গিয়ে হাজির হওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়।
পারুল যখন কোর্টে পৌঁছায়, তখন সেখানে চলছিল অন্য কাণ্ড। ভেতরের ঘরে পরিতোষ কাকু, ব্রততী আন্টি আর তাদের পুরো টিম মিলে চুটিয়ে নাটকের রিহার্সাল দিচ্ছিল। আসলে তারা কোর্ট রুম সাজিয়ে একটা বড়সড় নাটকই করছিল। দরজা বন্ধ করে তারা যখন মনের আনন্দে মহড়া দিচ্ছে, ঠিক তখনই পারুল সেখানে গিয়ে দরজায় ধাক্কা দিতে শুরু করে। পারুলের গলার আওয়াজ পেয়ে ভেতরে থাকা উকিল বাবু ও বাকিরা ভীষণ ভয় পেয়ে যায়।
আরও পড়ুনঃ বাংলা সিনেমার “ধন্যি মেয়ে” ! ৮৯ টা বসন্ত পেরিয়েও অভিনয়ে অপরাজেয় অভিনেত্রী সাবিত্রী চট্টোপাধ্যায়!
পারুল চিৎকার করে দরজা খুলতে বলায় ভেতরে সবাই দিশেহারা হয়ে পড়ে। তারা বুঝতে পারে যে তাদের সব সাজানো পরিকল্পনা এবার ধরা পড়ে যাবে। একপর্যায়ে পারুল সজোরে ভেতরে ঢুকে পড়ে ঠিকই, কিন্তু পরিস্থিতি সামাল দিতে হয়তো তারা দ্রুত সব লুকিয়ে ফেলে। শেষ পর্যন্ত পারুল সত্যিই কিছু দেখতে পায় নাকি তারা তাকে আবারও বোকা বানায়, সেটাই এখন দেখার বিষয়।

