পরকীয়ার হাবুডুবু খাচ্ছে রায়ান! মাথায় ঠান্ডা জল ঢেলে সব শ’য়তানি ঘুচিয়ে দিল পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা ধারাবাহিকে (Parineeta) গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পারুলের ক্ষতি করে সে রায়ানের মাকে মনে করিয়ে দেয়, পাপের ঘড়া যখন পূর্ণ হবে, তখন আর পালানোর পথ পাবে না। এদিকে রায়ানের মা মনে করে রায়ানের সাথে পারুলের ঘনিষ্ঠতা হয়ে গেছে। ঈর্ষা আর রাগে মৌসুমী অস্থির হয়ে উঠলে পারুল পরিস্থিতির সুযোগ নেয়। মৌসুমীর চোখে চোখ রেখে পারুল বিদ্রুপের সুরে বলে যেটা আটকাতে চেয়েছিলেন, সেটা শেষ পর্যন্ত আটকাতে পারলেন না।

পারুলের জ্ঞান ফেরার পর সে যেন এক নতুন তেজে জেগে ওঠে। শুরুতেই সে রায়ানের মাকে তাঁর অতীতের ভুল আর পাপের কথা মনে করিয়ে দিয়ে বুঝিয়ে দেয় যে, মানুষ অতীতকে চাইলেই মুছে ফেলতে পারে না। কর্মফল পিছু ছাড়েই না। এদিকে অনিরুদ্ধর ফোনে একটি কল আসায় সে উত্তেজিত হয়ে ঘর থেকে বেরিয়ে যায়। পারুল দুশ্চিন্তায় পড়ে গেলেও তার অসুস্থতার কথা ভেবে বাড়ির কেউ প্রথমে কিছু বলতে চায় না।

Bengali serial

কিন্তু পারুলের নাছোড়বান্দা মনোভাবের কাছে হার মেনে সবাই জানায় যে, পরদিনই সংযুক্তার শেষ হিয়ারিং। যদি প্রমাণ জোগাড় না করা যায়, তবে সে মুক্তি পেয়ে যাবে। তারপর নিজের শরীরের তোয়াক্কা না করে পারুল, রায়ান ও অনিরুদ্ধকে নিয়ে সংযুক্তার বাড়িতে তল্লাশি চালাতে যায়। কিন্তু সংযুক্তা অত্যন্ত চতুর হওয়ায় সে আগেই সব তথ্য-প্রমাণ সরিয়ে ফেলেছিল। ফলে আইনি লড়াইয়ে প্রমাণের অভাবে সংযুক্তা সেন জামিন পেয়ে যান।

জেল থেকে বেরিয়েই সে পুরো বসু পরিবারকে ধ্বংস করার হুমকি দেয়। তবে পারুলও দমে যাওয়ার পাত্রী নয় সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, পরিবারের গায়ে আঁচ লাগলে সে কঠোর প্রতিরোধ গড়ে তুলবে। পরদিন সকালে পরিস্থিতি যখন থমথমে, তখন শুরু হয় এক মজার কাণ্ড। পারুলকে ঈর্ষান্বিত করার জন্য রায়ান ঘরে শুয়ে শুয়ে ফোনের ওপাশে থাকা কাউকে উদ্দেশ্য করে আদিখ্যেতা শুরু করে।

আরও পড়ুনঃ ‘আমি মাকে খুব ভালোবাসি…হারানোর ভয়েই এতদিন চুপ ছিলাম!’ ‘অপমানগুলো মেনে নিতে পারিনি’! কেন এতদিন মুখ খোলেননি গায়িকা? উত্তর দিলেন দেবলীনা নন্দী!

রায়ানের মুখে এই প্রেমালাপ শুনে পারুল রাগে অগ্নিশর্মা হয়ে যায়। সে ভাবতেই পারেনি রায়ান তার সামনে অন্য কারও সাথে এভাবে কথা বলতে পারে। ঈর্ষায় জ্বলেপুড়ে পারুল ঠিক করে আজ সে রায়ানের এই ‘বিটির সাথে সোহাগ’ করা ঘুচিয়ে ছাড়বে। যেই ভাবা সেই কাজ! পারুল এক বালতি জল নিয়ে এসে সটান ঢেলে দেয় রায়ানের মাথায়। মুহূর্তের মধ্যে রায়ান থেকে শুরু করে তার ফোন সব ভিজে একাকার!

Back to top button