গর্ভবতী নয় মিঠি! তার শরীরে বাসা বেঁধেছে মা’রণ রোগ! রিপোর্ট দেখতেই চমকে গেল গোটা পরিবার! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

স্টার জলসার (Star Jalsha) চিরসখা (Chirosokha) ধারাবাহিকে বর্তমানে দেখানো হচ্ছে, স্বতন্ত্র যখন আনন্দ সহকারে বাড়িতে মিষ্টি নিয়ে প্রবেশ করে, তখন বাড়ির থমথমে পরিবেশ দেখে সে অবাক হয়। সে সবাইকে উৎসাহিত করতে চাইলে বর্ষা খোঁচা দিয়ে কথা বলতে শুরু করে। বর্ষা মিটিলকে উদ্দেশ্য করে বলে যে সে বাড়িতে পরে আসায় অনেক কিছুই জানে না। এর উত্তরে মিটিল অত্যন্ত সাহসের সাথে জানিয়ে দেয় যে, বর্ষা আসার পরেই বাড়ির সুখ-শান্তি নষ্ট হয়েছে।
এরপর স্বতন্ত্র যখন সবার সামনে ঘোষণা করে যে মিঠির একটি টিউমার হয়েছে এবং ডাক্তার দ্রুত অস্ত্রোপচারের পরামর্শ দিয়েছেন, তখন কমলিনী পিসিমণি থেকে শুরু করে সবাই কিছুটা হকচকিয়ে যায়। বর্ষা এই সুযোগে পরিস্থিতি জটিল করার চেষ্টা করে। সে প্রশ্ন তোলে যে, অপারেশন কোনো উদযাপনের বিষয় হতে পারে কি না। বর্ষার এই অতিরিক্ত কৌতূহল এবং মিঠির শরীর নিয়ে বারবার প্রশ্ন করা অন্য সদস্যদের বিরক্ত করে তোলে। এমনকি সে মনে মনে সন্দেহ করতে শুরু করে যে, টিউমার অপারেশন আসলে একটি অজুহাত এবং এর আড়ালে হয়তো মিঠির গর্ভপাত (abortion) করানোর পরিকল্পনা চলছে। সে ইউরিন টেস্টের রিপোর্ট খুঁজে বের করার প্ল্যান করে।
তীব্র শারীরিক অসুস্থতা ও অনিশ্চয়তার মাঝেও মিঠির মানসিক জোর সবাইকে অবাক করে। সে স্পষ্ট জানিয়ে দেয়, “মরার হলে মরব আর বাঁচার হলে বাঁচব,” কিন্তু যেটুকু সময় আছে সে আনন্দেই কাটাতে চায়। এমনকি সে বাইরে ডিনার করতে যাওয়ার ইচ্ছাও প্রকাশ করে। কৃশানু প্রথমে কিছুটা অভিমান করলেও কমলিনী তার জামাইয়ের উপর পূর্ণ আস্থা দেখায়। সে বিশ্বাস করে, একজন দক্ষ ডাক্তার হিসেবে কৃশানু থাকতে মিঠির কোনো বড় বিপদ হতে পারে না।
বাড়ির বড়রা বর্ষার এই অনধিকার চর্চা একদমই ভালো চোখে নেননি। পিসেমশাই তাকে কড়া ভাষায় সতর্ক করে দেন যে, বর্ষা যদি বেশি কৌতূহল দেখায় তবে তার অতীত খুঁড়ে বের করা হবে। বুবলাইও তাকে বুঝিয়ে দেয় যে, সে পরিবারের বিশ্বাস অর্জন করতে পারেনি বলেই তাকে কোনো গোপন আলোচনায় রাখা হয়নি। বিপরীতে মিটিল তার ব্যবহারের মাধ্যমে সবার মনে জায়গা করে নিয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সুরের জগতে নিস্তব্ধতা! চিরদিনের জন্য থেমে গেল তাঁর কন্ঠ! অপূরণীয় ক্ষতির সম্মুখীন বাংলা! ভারতের সংগীত জগতে শোকের ছায়া!
মিঠির জীবনকে ঘিরে গত কয়েকদিন ধরে যে অনিশ্চয়তার কালো মেঘ জমেছিল, অবশেষে তা কেটে গিয়ে স্বস্তির আলো দেখা দিল। পরিবারের বড়রা এবং বিশেষ করে কমলিনী মনে মনে যে আশঙ্কার দোলাচলে ভুগছিলেন, ডাক্তারের চূড়ান্ত রিপোর্টের পর তা ভুল প্রমাণিত হলো। নিশ্চিত হওয়া গেল যে তাদের করা সন্দেহগুলো সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন ছিল।

