হাতের নাগালে এসেও ফস্কালো সুযোগ! রূপকে দা’হ করে পুলস্ত্যর পরিকল্পনায় ছাই ঢেলে দিল গোরা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জমজমাট হয়ে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone kori)। গভীর রাতের নিস্তব্ধতা ভেঙে পুলস্ত্য যখন সেই নাম্বারে যোগাযোগ করে রূপের কবরের সঠিক সন্ধান পায়, তখন সে এক অদ্ভুত উত্তেজনা আর প্রতিশোধস্পৃহায় কেঁপে ওঠে। সে জানত, এই প্রমাণ হাতে পাওয়া মানেই সব রহস্যের যবনিকা পাত। দেরি না করে সে গাড়ি নিয়ে সেই নির্জন স্থানের উদ্দেশ্যে রওনা হয়। কিন্তু একই সময়ে, এক ভয়াবহ দুঃস্বপ্ন দেখে ধড়ফড়িয়ে জেগে ওঠে গোরা। সে স্বপ্নে দেখে, অন্ধকারের মাঝে কেউ একজন রূপের নিথর দেহটা মাটি খুঁড়ে বের করে আনছে। এক মুহূর্ত দেরি না করে, এক প্রবল অস্থিরতা নিয়ে গোরা ছুটে যায় সেই কবরের দিকে।
গোরার এই অস্বাভাবিক আচরণ দেখে দিতিও স্থির থাকতে পারে না সে গোপনে গোরার পিছু নেয়। এদিকে উৎকণ্ঠায় অস্থির কুন্তলা পুলস্ত্যকে ফোন করলে জানতে পারে যে সে গন্তব্যের খুব কাছে এবং আজই সব সত্য সামনে আসবে। ফোন রেখে কুন্তলা যখন দিদির ঘরে যায়, তখন সে দেখে ঘর একেবারে ফাঁকা। দিদিকে না দেখে কুন্তলার মনে কুডাক দিয়ে ওঠে সে নিশ্চিত হয় যে গোরা নিশ্চয়ই রূপের খবরের সূত্র পেয়েছে। বারবার পুলস্ত্যকে ফোন করে সাবধান করতে চায়, কিন্তু পুলস্ত্য তখন নিজের লক্ষ্যপূরণে এতটাই মগ্ন যে সে কুন্তলার ফোন ধরার প্রয়োজন মনে করে না।
গোরার পিছু নিতে গিয়ে দিতি এক অদ্ভুত ও অতিপ্রাকৃত পরিস্থিতির সম্মুখীন হয়। কুয়াশাচ্ছন্ন সেই রাতে সে চাদর মুড়ি দেওয়া এক রহস্যময়ী মহিলার দেখা পায়, যাকে দেখতে অবিকল অদ্বিতীয়ার মতো। নিজের চোখের সামনে নিজের প্রতিচ্ছবি দেখে দিতি হতবাক হয়ে যায়। তার মনে সংশয় জাগে তবে কি গোরা অদ্বিতীয়র সঙ্গেই দেখা করতে এসেছে? সব কিছু এক গোলকধাঁধার মতো তার সামনে জট পাকিয়ে যায়।
অন্যদিকে, গোরা শ্মশানের সেই সাধকদের নির্দেশ অনুসরণ করে অবশেষে রূপের কবরের সন্ধান পায়। মাটির নিচে চাপা পড়ে থাকা সেই শাড়ির অংশ দেখামাত্রই তার ভেতরের হাহাকার করে ওঠে। ঠিক সেই মুহূর্তেই পুলস্ত্য তার গাড়ি নিয়ে সেখানে এসে পৌঁছায়। সেখানেই ওই দুজন পুলস্ত্যকে রূপের কবরের দিকে নিয়ে যেতে€a থাকে।
আরও পড়ুনঃ পিসিমণির বিয়ে ভাঙার ষ’ড়যন্ত্রে চরম ব্যর্থ শত্রুপক্ষ! শিরিনের কুকীর্তি ফাঁ’স করল বুদ্ধিমতী পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
কিন্তু তারা সেখানে পৌঁছানোর আগেই দৃশ্যপট বদলে যায়। গোরা ততক্ষণে রূপের দেহ কবর থেকে বের করে এনে তার অন্তিম সংস্কার শুরু করে দিয়েছে। দাউদাউ করে জ্বলতে থাকা চিতার আগুনের সামনে দাঁড়িয়ে পুলস্ত্য রাগে ফেটে পড়ে চিৎকার করতে থাকে, কারণ তার হাতের শেষ প্রমাণটুকুও ততক্ষণে ছাইয়ে পরিণত হতে শুরু করেছে। এবারে দেখার অপেক্ষা কি হয় আগামী পর্বে।

