দেওয়াল জুড়ে দিতির নিখোঁজ সংবাদ! পুলস্ত্যর শেষ চালে গোরার মনে বাসা বাঁধলো নতুন ভয়! কি করতে চলেছে গোরা? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone kori) ধারাবাহিকে দেখানো হচ্ছে, দিতি সহজে দমে যাওয়ার পাত্রী নয়। সে যখন বুঝতে পারে তাদের ওপর হওয়া সমস্ত ষড়যন্ত্রের মূল কারিগর পুলস্ত্য, তখন সুস্থ হয়েই সে গোরাকে নিয়ে সরাসরি তার মুখোমুখি হয়। সেখানে দিতির বুদ্ধিমত্তা আর গোরার অদম্য সাহসের সামনে পুলস্ত্যের দর্প চূর্ণ হয়। গোরা রাগের মাথায় পুলস্ত্যকে উচিত শিক্ষা দিলেও, পুলস্ত্য পাল্টা পুলিশে দেওয়ার ভয় দেখায়।

গোরা অত্যন্ত চতুরতার সঙ্গে আগেভাগেই নিজের ফোন নবদ্বীপে ফেলে আসায় তার লোকেশন ট্র্যাক করা অসম্ভব হয়ে পড়ে। ফলে উল্টে পুলস্ত্যই আইনি মারপ্যাঁচে পড়ার ভয়ে কোণঠাসা হয়ে যায়। এমনকি হিয়া যখন পুলস্ত্যকে বাঁচাতে আসে, তখন সে দিতির হাতে সপাটে থাপ্পড় খেয়ে দমে যায়। গোরার এই দৃঢ় ব্যক্তিত্ব, বুদ্ধিমত্তা এবং স্ত্রীর প্রতি তার সুরক্ষামূলক আচরণ দেখে দিতি মুগ্ধ হয়। সে বুঝতে পারে, এই মানুষটিই তার প্রকৃত আশ্রয়।

বাড়িতে ফিরে দিতি যখন তার শাশুড়ির বকা শুনেও বিন্দুমাত্র বিচলিত হয় না, তখন বাড়ির সবাই অবাক হয়ে যায়। দিতি আসলে এখন এক নতুন ঘোরের মধ্যে রয়েছে সে তার স্মৃতি হারিয়ে নিজেকে ‘রূপমঞ্জুরি’ অর্থাৎ গোরার স্ত্রী হিসেবেই বিশ্বাস করতে শুরু করেছে। বিশাখার কাছে সে অকপটে স্বীকার করে যে, নিজের অতীত মনে না থাকলেও সে নতুন করে গোরার প্রেমে পড়েছে।

অন্যদিকে, গোরা মানসিকভাবে কিছুটা বিপর্যস্ত। সে দিতিকে সাহায্য করছে শুধুমাত্র ঈশ্বরের আদেশ পালনের উদ্দেশ্যে, কিন্তু দিতির এই বাড়তে থাকা আবেগ তাকে ঘাবড়ে দিচ্ছে। সে চায়নি তাদের মধ্যে কোনো অনুভূতির দেওয়াল তৈরি হোক। অথচ নিয়তি তাদের ক্রমশ কাছাকাছি নিয়ে আসছে। গল্পের অন্য প্রান্তে ষড়যন্ত্রের আগুন আরও তীব্র হচ্ছে। কুন্তলা ক্রমাগত পুলস্ত্যকে ফোন করে অপমান করছে কারণ সে দিতিকে গোরার বাড়ি থেকে সরাতে ব্যর্থ হচ্ছে। পুলস্ত্যের লক্ষ্য দিতি নয়, বরং হিয়াকে বিয়ে করে অগাধ সম্পত্তি ভোগ করা, আর দিতি সেখানে এক বড় বাধা।

আরও পড়ুনঃ ‘যেখানে গ’রুর মাং’স পাওয়া যায় সেখানেই খেতে হবে? নিম্ন রুচি…’ পার্ক স্ট্রিট কাণ্ডে সায়ক চক্রবর্তীকেই পাল্টা কটাক্ষ! ‘সব নাটক, ভিউস বাড়ানোর ফন্দি…’ অভিনেতার দিকেই আঙুল তুলছে নেটপাড়া!

তবে গল্পের মোড় ঘোরে যখন দিতির বাবা এসে জানান যে, তিনি মেনে নিয়েছেন গোরার বাড়িতে থাকা মেয়েটি তার মেয়ে দিতি নয়, বরং গোরার স্ত্রী রূপমঞ্জুরি। এই সত্য শুনে পুলস্ত্য সাময়িকভাবে থমকে গেলেও তার শয়তানি থামে না। দিতিকে ফিরে পেতে বা তাকে বিপদে ফেলতে সে এখন গোরার বাড়ির সামনে পোস্টার লাগানোর মতো মরিয়া পদক্ষেপ নিতে শুরু করেছে। একদিকে দিতির অগাধ বিশ্বাস আর অন্যদিকে পুলস্ত্যের নতুন চক্রান্ত সব মিলিয়ে দিতি ও গোরার জীবন এখন এক কঠিন অগ্নিপরীক্ষার মুখে।

Back to top button