বিপদের মুখে প্রকাশ পেল গোরার রুদ্ররূপ! ম’রণফাঁদ থেকে দিতিকে উদ্ধার করে পুলস্ত্যেকে উচিত শিক্ষা দিলো সে! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জি বাংলার (Zee Bangla) তারে ধরি ধরি মনে করি (Tare Dhori Dhori Mone kori) তে দেখানো হচ্ছে, গোরা সবসময় ছায়ার মতো দিতিকে আগলে রাখতে চায়। অন্যদিকে, দিতি সাহসী হলেও মাঝেমধ্যে সরল বিশ্বাসে ভুল মানুষের ফাঁদে পা দিয়ে ফেলে। ধারাবাহিকের সাম্প্রতিক মোড় আমাদের দেখায় যে, কীভাবে শয়তান পুলস্ত্যের নিষ্ঠুর ষড়যন্ত্রের হাত থেকে গোরা দিতিকে উদ্ধার করে।
দিতি যখন দ্রুত গতিতে কলকাতার দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল, তার বিন্দুমাত্র ধারণা ছিল না যে গোরা তার নিরাপত্তার খাতিরে আগেই ফোনে একটি ট্র্যাকার অ্যাপ ইনস্টল করে রেখেছে। ঝড়ের বেগে গাড়ি চালিয়ে গোরা সেই লোকেশন অনুসরণ করতে থাকে। এদিকে দিতি পুলস্ত্যের দেওয়া ঠিকানায় পৌঁছানো মাত্রই বুঝতে পারে সে এক ভয়াবহ ফাঁদে পা দিয়েছে। পালানোর পথ বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আততায়ীরা তাকে অজ্ঞান করার চেষ্টা করে। কিন্তু দিতি অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার পরিচয় দেয়; সে নিঃশ্বাস আটকে অজ্ঞান হওয়ার ভান করে পড়ে থাকে।
অপহরণকারীদের নজর এড়িয়ে সে নিজের হাতের ব্রেসলেটের পুঁতিগুলো একে একে রাস্তায় ফেলতে থাকে, যাতে গোরা সেই চিহ্ন দেখে তাকে খুঁজে পায়। গন্তব্যে পৌঁছে গোরা প্রথমে দিতির ফোনটি কুড়িয়ে পায়। চারিদিকে হন্যে হয়ে খোঁজার পর সে অবশেষে সেই গোপন আস্তানার হদিস পায় যেখানে দিতিকে বন্দি করে রাখা হয়েছিল। ভেতরে তখন চলছিল পৈশাচিক কর্মকাণ্ড। পুলস্ত্য একজন ডাক্তারকে বাধ্য করছিল দিতিকে ইলেকট্রিক শক দিতে, যাতে তার পুরনো স্মৃতি জোর করে ফিরিয়ে আনা যায়। ডাক্তার বারবার বারণ করা সত্ত্বেও ক্ষমতালোভী পুলস্ত্য কোনো কথা শুনতে নারাজ ছিল।
ঠিক সেই মুহূর্তে গোরার প্রবেশ ঘটে। নিজের প্রিয়তমার ওপর এই অত্যাচার দেখে গোরার রক্ত টগবগ করে ওঠে। সে বীরবিক্রমে ঘরের ভেতরে ঢুকে পড়ে এবং অপহরণকারীদের উত্তম-মধ্যম মার দিয়ে ধরাশায়ী করে ফেলে। উদ্ধার করার পর দ্রুত দিতিকে সুস্থ করে তোলা হয়। জ্ঞান ফেরার পর দিতি নিজের ভুল বুঝতে পারে এবং গোরার অবাধ্য হওয়ার জন্য লজ্জিত হয়ে ক্ষমা চায়। সে প্রতিশ্রুতি দেয় যে ভবিষ্যতে সে আর কখনো গোরার কথা অমান্য করবে না।
আরও পড়ুনঃ রাতের অন্ধকারে গোপন বৈঠক! রায়ানের চোখে ধুলো দিতে পারবে কি পারুল ও তার দলবল? দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব
কিন্তু দিতি দমে যাওয়ার পাত্রী নয়। সে জানত এই পুরো ষড়যন্ত্রের মূল কারিগর পুলস্ত্য। সুস্থ হয়েই সে গোরাকে নিয়ে সরাসরি পুলস্ত্যের মুখোমুখি হয়। দিতি যখন পুলস্ত্যকে তার কর্মফলের সাবধানবাণী শোনাচ্ছিল, তখন গোরা রাগের মাথায় পুলস্ত্যকে মাটিতে আছড়ে ফেলে মারতে শুরু করে। দিতির সেই বুদ্ধিমত্তা আর গোরার অদম্য সাহসের কাছে পুলস্ত্যের সব শয়তানি ধূলিসাৎ হয়ে যায়।

