রায়ানের চালে উল্টো বিপদ! সম্মান বাঁচাতে দাদুর কাছে অনিরুদ্ধ-পিসিমণির গোপন সম্পর্ক ফাঁ’স করল পারুল! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

জমে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Parineeta) ধারাবাহিক। তবে এবারের লড়াইটা কেবল রায়ান আর পারুলের নয়। গল্পের সবচেয়ে বড় চমক হলো অনিরুদ্ধ আর পিসিমণির অসমবয়সী সম্পর্কের এক মায়াবী রসায়ন। যেখানে অতীতের অন্ধকার সরিয়ে পিসিমণির জীবনে একটু আলোর খোঁজ নিয়ে আসে অনিরুদ্ধ।

গতকালের পর্বে দেখা গিয়েছে, রায়ান স্যারকে মারধর করার পর পারুল সেই ঘটনার প্রমাণ হাতে রেখে রায়ানকে রীতিমতো ব্ল্যাকমেইল করতে শুরু করে। সম্মান হারানোর ভয়ে রায়ান বাধ্য হয় পারুলের সব কথা মেনে নিতে। পারুল অত্যন্ত বুদ্ধিমত্তার সাথে রায়ানকে দিয়েই আহত স্যারের সেবা-যত্ন করিয়ে নেয়। পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, রায়ান নিজে হাতে স্যারের গা-হাত-পা টিপে দিয়ে তাকে সুস্থ করে তোলার চেষ্টা করে। এদিকে রুক্মিণী পুরো বিষয়টি লক্ষ্য করে বুঝতে পারে যে, পারুলই রায়ানকে সঠিক পথে আনার জন্য এই চাল চেলেছে। পারুল যখন রুক্মিণীকে সেই ভিডিওটি দেখায়, তখন পারুলের উপস্থিত বুদ্ধি দেখে রুক্মিণী অবাক হয়ে যায়।

ঘটনাপ্রবাহে অনিরুদ্ধ পারুলকে অনুরোধ করে যেন পিসিমণির সাথে তার একবার দেখা করার ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়। আগের দিনের তিক্ততার কারণে পিসিমণি অনিরুদ্ধর ওপর ভীষণ চটেছিলেন এবং কথা বলা বন্ধ করে দিয়েছিলেন। পারুল দায়িত্ব নেয় তাদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝি মিটিয়ে দেওয়ার। তারপর প্ল্যান মতন রুক্মিণী ও পারুল পিসিমণিকে নিয়ে একটি ক্যাফেতে যায়। অনিরুদ্ধ সেখানে আগে থেকেই উপস্থিত ছিল। তারা এমন ভাব করে যেন অনিরুদ্ধর সাথে সেখানে তাদের হঠাৎ দেখা হয়েছে। এরপর সুযোগ বুঝে পারুল ও রুক্মিণী সেখান থেকে সরে যায়, যাতে অনিরুদ্ধ ও পিসিমণি একান্তে কথা বলতে পারে।

অনিরুদ্ধ তার আচরণের জন্য পিসিমণির কাছে আন্তরিকভাবে ক্ষমা চায়। পিসিমণিও বুঝতে পারেন যে রাগের মাথায় সেদিন চিৎকার করা তার ঠিক হয়নি। দীর্ঘ কথোপকথনের মাধ্যমে পিসিমণি তার অতীতের দুঃখের কথা অনিরুদ্ধর কাছে শেয়ার করেন। অনিরুদ্ধর কেয়ারিং স্বভাব ধীরে ধীরে পিসিমণির মন জয় করতে শুরু করে।

আরও পড়ুনঃ পিঠে নিয়ে পালালো ভূতের দল! মায়ের হাতে বানানো পিঠে খাওয়ার সৌভাগ্য হলো না সায়কের?

ক্যাফে থেকে রুক্মিণী ও পিসিমণি বেরিয়ে গেলেও পারুল ও অনিরুদ্ধ সেখানেই থেকে যায়। অনিরুদ্ধ কীভাবে পিসিমণিকে তার মনের কথা বলবে, তা নিয়ে পারুলের সামনে প্র্যাকটিস করছিল। ঠিক সেই মুহূর্তে রায়ান সেখানে পৌঁছে যায় এবং আড়াল থেকে পুরো বিষয়টি ভুলভাবে দেখে। সে মনে করে পারুল ও অনিরুদ্ধর মধ্যে কোনো গোপন সম্পর্ক চলছে। বাড়িতে গিয়ে রায়ান দাদুর কাছে নালিশ করলে দাদু প্রচণ্ড রেগে যান এবং পারুলকে জবাবদিহি করতে বলেন। পরিস্থিতি হাতের বাইরে চলে যাচ্ছে দেখে এবং নিজের সম্মান বাঁচাতে পারুল বাধ্য হয়ে দাদুর সামনে আসল সত্যিটা ফাঁস করে দেয় অনিরুদ্ধ আসলে পিসিমণিকে পছন্দ করে। পারুলের এই অকপট স্বীকারোক্তি শোনার পর দাদুর প্রতিক্রিয়া কী হবে? পিসিমণি কি অনিরুদ্ধর এই প্রস্তাব মেনে নেবেন? দেখা যাক কি হয় আগামী পর্বে।

Back to top button