পারুলকে বাঁচাতে স্বামী-স্ত্রীর বেশে অনিরুদ্ধ আর রায়ানের পিসি! পারুলের বুদ্ধিতে এক ঢিলে দুই পাখি! এবার হবে অপরাধীর পর্দা ফাঁ’স! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বর্তমানে তুঙ্গে উঠেছে জি বাংলার (Zee Bangla) জনপ্রিয় মেগা ধারাবাহিক ‘পরিণীতা’ (Parineeta)। যে কোম্পানির আড়ালে সংযুক্তা গড়ে তুলেছিলেন দুর্নীতির পাহাড়, আজ সেই সাম্রাজ্যের ভিত্তি নাড়িয়ে দিয়েছে পারুল। ধূর্ত সংযুক্তার প্রতিটি চালকে ব্যর্থ করে দিয়ে পারুল আজ তাকে আদালতের কাঠগড়ায় দাঁড় করিয়েছে।

ধারাবাহিকে গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, দীর্ঘক্ষণ তল্লাশির পর যখন সকলে হাল ছেড়ে দেয়, তখনই পারুলের চোখে পড়ে একটি সিগারেটের অবশিষ্ট অংশ। আশ্চর্যের বিষয় হলো, তাতে লেগেছিল লিপস্টিকের দাগ। তারপরই সেটা পরীক্ষার জন্য পাঠায় পারুল। পারুল যে সিগারেটের অবশিষ্টাংশ পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছিল, তার ফরেনসিক রিপোর্টে দারুণ তথ্য উঠে এসেছে।

পরেরদিন অফিসে পারুল ও রায়ানের অনুপস্থিতিতে মেজাজ হারান সংযুক্তা। চিৎকার-চেঁচামেচি করে সাফ জানিয়ে দেয়, পারুলরা নোটিশ পিরিয়ডে থাকা সত্ত্বেও এমন খামখেয়ালিপনা তিনি সহ্য করবেন না। ঠিক সেই মুহূর্তেই পারুল ও রায়ানের এন্ট্রি, সংযুক্তাকে আরও ক্ষিপ্ত করে তোলে। তবে দমে না গিয়ে পারুল পাল্টা হুঁশিয়ারি দিয়ে জানায় যে, সংযুক্তার বিপদের ঘণ্টা বেজে গিয়েছে। কিছুক্ষণের মধ্যেই পুলিশের সাইরেন শোনা যায় এবং শিরিন এসে জানায় অফিসে পুলিশ এসেছে।

মামলা গড়ায় আদালতে। কাঠগড়ায় দাঁড়িয়ে একদিকে সংযুক্তার উকিল, অন্যদিকে পারুল ও সুবিনয়ের পরিবারের পক্ষের আইনজীবী। সংযুক্তা নিজেকে শিক্ষিত এবং একটি বড় কোম্পানির মালিক হিসেবে নির্দোষ দাবি করলেও, পারুল একের পর এক অকাট্য প্রমাণ পেশ করতে থাকে। কীভাবে দীর্ঘদিন ধরে কোম্পানির আড়ালে টাকা সরিয়ে নিজের সাম্রাজ্য গড়েছেন, তার তথ্য তুলে ধরে পারুল। এই চুরির কথা সুবিনয় জেনে যাওয়াতেই তাঁকে রেকর্ড রুম থেকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেওয়া হয়েছিল বলে পারুল দাবি করে।

আরও পড়ুনঃ শ্যুটিং সেটেই অসহ্য য’ন্ত্রণা! শুরু হয় লাগাতার বমি! বর্তমানে হাসপাতালের বিছানায় রণিতা দাস! কি হয়েছিল অভিনেত্রীর?

ঘটনাস্থল থেকে পাওয়া সিগারেটের অবশিষ্টাংশের সাথে সংযুক্তার ডিএনএ মিলে যাওয়া এবং সুবিনয়ের জামায় সিগারেটের পোড়া দাগ সংযুক্তাকে সরাসরি দোষী সাব্যস্ত করার পথে বড় প্রমাণ হয়ে দাঁড়ায়। যে কথা সুবিনয় মুখে বলতে পারেননি, তা তিনি কার্টুন ছবির মাধ্যমে ফুটিয়ে তুলেছিলেন, যা আদালতকে ভাবিয়ে তোলে। সংযুক্তা এবং তার উকিল এই সমস্ত অভিযোগকে ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করলেও পারুলের আনা প্রমাণগুলো বেশ জোরালো। আদালতের লড়াইয়ের মাঝেই তদন্ত থেমে থাকেনি। পিসিমণি এবং অনিরুদ্ধ স্বামী-স্ত্রীর ছদ্মবেশে পৌঁছে যান অন্য এক প্রাক্তন কর্মীর বাড়িতে, যিনি অতীতে অপমানে আত্মহত্যা করেছিলেন। সেখান থেকেও সংযুক্তার বিরুদ্ধে নতুন কোনো অন্ধকার দিক বেরিয়ে আসে কি না, সেটাই এখন দেখার।

Back to top button