বাসর রাতে গানের মেলা! উৎসবের মাঝেই মিঠির জীবনে নেমে এলো ভয়ংকর বি’পদ! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

স্টার জলসার (Star Jalsha) বর্তমান সময়ের ‘চিরসখা’ (Chirosokha) ধারাবাহিকটি দর্শকদের মনে জায়গা করে নিয়েছে তার সহজ-সরল অথচ আবেগঘন কাহিনী বিন্যাসের মাধ্যমে। এই গল্পের মূল ভিত্তি হলো বন্ধুত্ব, যা সময়ের সাথে সাথে এক গভীর ভালোবাসার রূপ নেয়। সম্পর্কের জটিলতা ছাপিয়ে এখানে প্রাধান্য পেয়েছে একে অপরের প্রতি নিঃস্বার্থ আনুগত্য এবং মানসিক টান।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে বাবিল ও মিটিলের এই বিয়েতে সবথেকে বেশি খুশি হতে দেখা গেছে কমলিনীকে। পরিবারের অন্দরমহলের জটিলতা সত্ত্বেও এই শুভ পরিণয় সম্পন্ন হওয়ায় বাড়িতে এখন খুশির আমেজ। যদিও কমলিনী এই বিয়েতে খুশি, কিন্তু ধারাবাহিকে হঠাৎ করে বর্ষা নিজের রূপ বদলেছে। এতদিন তো শশুরবাড়ি কাউকেই পছন্দ করত না সে হঠাৎ করেই তার ভালো হয়ে যাওয়া রহস্যময় মোড় নিয়েছে।
ধারাবাহিকের আজকের পর্বে দেখানো হবে, বিয়েকে কেন্দ্র করে ধারাবাহিকে এখন খুশির জোয়ার। বরণ করে নতুন বউকে ঘরে তোলা থেকে শুরু করে বাসর রাতের হুল্লোড় সব মিলিয়ে টানটান উত্তেজনায় কাটছে প্রতিটি পর্ব। বিয়ের সমস্ত নিয়ম-কানুন মিটে যাওয়ার পর বাসর ঘর হয়ে উঠেছিল আড্ডার প্রাণকেন্দ্র। সেখানে শুধু নবদম্পতিই নয়, উপস্থিত ছিলেন কমলিনী এবং স্বতন্ত্রও। বাসর ঘরের সেই আনন্দ আরও কয়েকগুণ বেড়ে যায় যখন প্রত্যেকেই নিজের মনের মানুষের জন্য গান গেয়ে শোনান। গান আর হাসিখুশিতে সারা রাত গমগম করছিল গোটা বাড়ি।
বিয়ের পরের দিনেই ছিল মিটিল ও বাবিলের বউভাতের অনুষ্ঠান। সেখানে প্রথা মেনে বাবিল নিজের হাতে মিটিলকে ‘ভাত-কাপড়’ দেয়। নবদম্পতির এই সুন্দর মুহূর্ত দেখে বাড়ির সকলেও ভীষণ আনন্দিত হন। চারদিকে উৎসবের মেজাজ থাকলেও এরই মাঝে হঠাৎ একটি দুশ্চিন্তার মেঘ দেখা দেয়। অনুষ্ঠানের মাঝপথেই হঠাৎ অসুস্থ বোধ করতে শুরু করে মিঠি। অসহ্য মাথা যন্ত্রণা এবং গা বমি ভাব হওয়ায় সে কিছুটা কাবু হয়ে পড়ে। আচমকা এভাবে অসুস্থ হতে দেখে পরিবারের সকলে ভীষণ চিন্তিত হয়ে পড়েন। তবে মিঠি সবাইকে আশ্বস্ত করে জানায় যে সে এখন ঠিক আছে।
আরও পড়ুনঃ সুস্থ হয়ে ফের সায়কের ভ্লগে দেবলীনা! ‘ ‘সুখবরটা দে’, ‘না না তুই দে আমার লজ্জা লাগছে’ ‘দেবলীনা প্রথমবার…’ একসঙ্গে কী সুখবর দিলেন সায়ক-দেবলীনা?
এত বাধা-বিপত্তির পর কমলিনীর সংসারে আবার শান্তি ফিরে এসেছে। বাড়ির পরিবেশ এখন খুশিতে টইটম্বুর। স্বতন্ত্র মনে-প্রাণে এটাই চেয়েছিলেন যে বাড়ির প্রতিটি সদস্য যেন সুখে থাকে। একদিকে উৎসবের আনন্দ আর অন্যদিকে মিঠির অসুস্থতা আগামী দিনে গল্প কোন মোড় নেয়, এখন সেটাই দেখার বিষয়।

