অফিসের অন্ধকার রহস্যের জালে পারুল! সত্যের সন্ধান করতে গিয়ে পারুলকে হাতেনাতে ধরল সংযুক্তা! দুর্ধর্ষ আজকের পর্ব

বাংলার বিনোদন জগতে বড়পর্দার পাশাপাশি ছোটপর্দার আধিপত্য এখন তুঙ্গে। সময়ের সাথে সাথে দর্শকদের রুচি যেমন বদলেছে, পাল্লা দিয়ে বদলেছে ধারাবাহিকের গল্প বলার ধরন এবং নির্মাণের কৌশল। একটা সময় ছিল যখন সিরিয়াল মানেই ছিল শাশুড়ি-বউমার চিরাচরিত ঝগড়া। কিন্তু বর্তমানে সেই ট্রেন্ডে বদল এসেছে। এখনকার গল্পগুলোতে নারী চরিত্রদের স্বাবলম্বী হওয়ার চিত্র বেশি ফুটে উঠছে। সেরকমই একটি ধারাবাহিক হলো জি বাংলার (Zee Bangla) পরিণীতা (Porineeta)

ধারাবাহিকে গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে অফিসের ওই ঘরে হাজার খোঁজাখুঁজির পরেও সেরকম কোনো প্রমাণ পারুলরা হাতে পায়নি। বাধ্য হয়ে অফিস থেকে বেরিয়ে আসে। যে আত্মহত্যা করেছিল সে কেন করেছিল আত্মহত্যা কি জেনে গিয়েছিল সেই সমস্ত নিয়ে ভাবনা চিন্তা করতে থাকে পারুলরা।

বাড়ি গিয়ে ভালো মতো ঠান্ডা মাথায় ভাবতে থাকে পারুল কি করা যায়। যে দুজন অফিসের লোক আত্মহত্যা করেছিল তাদের বাড়িতে তাদের কিছু জিনিসপত্র নিয়ে আসে তারা। এদিকে রায়ান তো পারুলের চোখে সেরা হওয়ার জন্য অনিরুদ্ধর সাথে প্রতিযোগিতা করতে থাকে। প্রথমে তো অনিরুদ্ধ স্যার বুঝতে পারেন না রায়ান কেন এমন ধরনের আচরণ করছে। তারপর পারুল নিজে থেকে স্যারকে ভরসা করে সমস্ত ঘটনা জানায়। তাই অনিরুদ্ধ পারুলকে সাহায্য করার জন্য তার সাথে হাত মেলায়।

এরপর যে দুজন আত্মহত্যা করেছিল ওই অফিসে তাদের মধ্যে একজনের বাড়িতে গিয়ে পারুলরা খোঁজখবর নিতে থাকে। কিভাবে আত্মহত্যা করেছিল, আত্মহত্যা করার আগে তার আচরণ-এ কোন পরিবর্তন দেখা গিয়েছিল কিনা সবকিছু নিয়েই প্রশ্ন করে পারুল। যে কর্মচারীর আত্মহত্যা করেছিল তার স্ত্রী জানায় আত্মহত্যা করার দিন তিনি অনেক কিছু বলতে চেয়েছিলেন অফিসে চুরির সম্পর্কে বাড়িতে জানাতে চেয়েছিল কিন্তু শেষ পর্যন্ত জানানো হয়নি। তবে ওই কর্মচারী আত্মহত্যা করার পর ডাক্তার জানিয়ে দিয়েছিল তার জীবনের কোন ঝুঁকি নেই, বাড়ির লোকও নিশ্চিন্ত ছিল। কিন্তু হঠাৎ করে কিভাবে মারা গেল ওই ব্যক্তি সেটা কেউই বুঝতে পারছে না। এদিকে সবকিছু শুনে পারুল ঠিক অংক মেলাতে পারছে না।

আরও পড়ুনঃ ‘কি ভয়ংকর দিন আসছে রে! কিভাবে বেঁচে থাকবো দুটো খেয়ে-পরে?’ হঠাৎ অভিনেতার কপালে চিন্তার ভাঁজ! কোথা থেকে জুটবে খাবার? বেঁচে থাকতে বন্ধুর সঙ্গে মিলে কোন পরিকল্পনায় শামিল সায়ক?

তারপর ওই ব্যক্তির মেডিকেল ফাইল প্রেসক্রিপশন সমস্ত কিছু খুঁটিয়ে দেখার পর পারুলরা জানতে পারে যেই হাসপাতালে চিকিৎসা হয়েছিল ওই ব্যক্তির সেই হাসপাতালের নাম অফিসের ইন্সুরেন্স লিস্টে নেই। অন্য একটা হাসপাতালে নিয়ে যেতে চিকিৎসা করা হয়েছিল তার। এবার এটা কেন করা হয়েছিল সেই নিয়ে সন্দেহ শুরু হয় পারুলের মনে। সংযুক্তা যে এসবের পেছনে রয়েছে সেটা ভালো মতো বুঝতে পারে পারুল। কিন্তু তার আসল উদ্দেশ্য কি ছিল সেটাই এখনও ধরতে পারেনি। এদিকে পারুলের কথায় ওই ব্যক্তির বাড়ির লোকজন ওই নার্সিংহোমে নামে থানায় ডায়েরি করে। আর সে কথা জানতে পারে সংযুক্তা। এবারে দেখার অপেক্ষা পারুল আসল সত্যে অবধি পৌঁছাতে পারে কিনা।

Back to top button