‘একই পথে বাবা হওয়ার আনন্দ আর বাবাকে হারানোর শোক…’, ‘ফুলকি’র শেষ অধ্যায়ে আবেগেপ্রবণ সুদীপ!

দীর্ঘ আড়াই বছরের পথচলার পর শেষ হল জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘ফুলকি’। শুরু থেকেই যেখানে আলোচনার কেন্দ্রে ছিলেন দিব্যানী এবং অভিষেক বসু, সেখানে নিজের অভিনয় দিয়ে দর্শকমনে বিশেষ জায়গা করে নিয়েছিলেন সুদীপ সরকারও। সিরিয়াল শেষ হওয়ায় তিনিও নিজের অনুভূতি লুকোতে পারেননি। শেষ দিনের স্ক্রিপ্ট এবং লুকের ছবি শেয়ার করে জানালেন রুদ্ররূপ সান্যাল চরিত্রটিকে বিদায় জানানো তাঁর জন্য কতটা কঠিন।
সুদীপ লিখেছেন, এই চরিত্রে অভিনয় তাঁর ক্যারিয়ারের অন্যতম বড় মাইলফলক। রুদ্ররূপকে তিনি শুধু অভিনয় করেননি, বরং বেঁচে ছিলেন চরিত্রটির সঙ্গে। দীর্ঘ সময় ধরে একই চরিত্র বহন করা সহজ নয়, কিন্তু দর্শকের ভালোবাসা তাঁকে প্রতিদিন নতুন উদ্যম দিয়েছে। তাই সিরিয়ালের শেষের সঙ্গে তাঁর মনেও জমেছে অজস্র স্মৃতি আর আবেগ।
‘ফুলকি’ চলাকালীন তাঁর ব্যক্তিগত জীবনেও এসেছিল বড় পরিবর্তন। একদিকে বাবা হওয়ার আনন্দে ভরেছিল তাঁর পরিবার, অন্যদিকে হারিয়েছিলেন নিজের বাবাকে। জীবনের এমন উল্টো পথে চলা অনুভূতিকে তিনি বলেছেন সবচেয়ে গভীর অভিজ্ঞতা। কাজের সাফল্য আর ব্যক্তিগত শোক মিলেমিশে ‘ফুলকি’ তাঁর জীবনের এক অবিচ্ছেদ্য অধ্যায়ে পরিণত হয়েছে।
বিদায়ী পোস্টে তিনি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন চ্যানেলের কর্তৃপক্ষ, প্রোডাকশন টিম, পরিচালকদের এবং সহ-অভিনেতাদের। এতদিনের একসঙ্গে কাজ করতে করতে সেটই হয়ে ওঠেছিল তাঁর দ্বিতীয় বাড়ি। টিমের প্রত্যেক সদস্যের অবদান ও ভালোবাসা তাঁর কাছে অমূল্য—এ কথা বারবার উল্লেখ করেছেন তিনি।
আরও পড়ুনঃ ‘দিতিপ্রিয়ার জায়গাটা শিরিনের জন্যই…’, ঘটেছে নতুন নায়িকার আগমন! নতুন ‘অপর্ণা’কে ঘিরে আশাবাদী গোটা টিম! নতুন নায়িকাকে নিয়ে কি মত সহঅভিনেতাদের?
শেষে স্মরণ করেছেন প্রয়াত বাবাকে। জানিয়েছেন, তাঁর বাবা যেখানেই থাকুন, নিশ্চয়ই তাঁর কাজ দেখছেন এবং গর্বিত হচ্ছেন। বাস্তব জীবনে স্ত্রী অনিন্দিতা, তাঁদের কন্যাসন্তান এবং ঘরের সারমেয়দের নিয়ে সুখী এক পরিবার সুদীপের। তাঁর কাছে ‘ফুলকি’ শুধু একটি সিরিয়াল নয়, বরং জীবনের এমন এক সময় যা কখনও ভুলবেন না।

