অসহ্য গরমে শুটিং করতে নাজেহাল অবস্থা জগদ্ধাত্রীর! কী হলো নিজেই জানালেন অভিনেত্রী

এখন বৈশাখ মাস। এই মুহূর্তে গোটা বাংলা জুড়ে চলছে তাপপ্রবাহ। নবান্নর তরফে ইতিমধ্যেই স্কুল, কলেজ ও বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘোষণা হয়েছে ছুটি। অপরদিকে ফেডারেশনের তরফে ইম্পার কাছে আউটডোর শুটিং বন্ধ রাখার আবেদন জানানো হয়েছে। শুটিং করতে গিয়ে নাজেহাল হতে হচ্ছে অভিনেতা-অভিনেত্রীদের। অবস্থা খারাপ নির্মাতাদের।
এসবের মাঝখানে ও চালিয়ে যেতে হচ্ছে শুটিং তাই সবকিছুকে নিয়ন্ত্রণে রাখতে শুটিং ফ্লোরে পর্যাপ্ত পরিমাণে জল, ওআরএস, ফলের রসের ব্যবস্থা রাখার কথা ভাবা হয়েছে। নন-এসি স্টুডিওগুলিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে ফ্যান, এয়ার কুলারের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানা গিয়েছে। এছাড়াও শুটিং ফ্লোরে চিকিৎসক মজুত রাখার কথাও ভাবা হয়েছে। কিন্তু এর মধ্যেই অভিনেতা-অভিনেত্রী ও কলাকূশলীদের একাংশ নিজেদের মতো করে সেটে সাবধানতা অবলম্বন করছেন।
এই গরমে মেকআপ করার বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিচ্ছে। ‘রাঙা বউ’ শ্রুতি দাস আগেই জানিয়েছিলেন, গরমে অভিনয়ের প্রয়োজনে মেকআপ করতেই হচ্ছে। ফলে ক্ষতি হচ্ছে ত্বকের। এই একই কথা বললেন রুবেল দাস। বর্তমানে তিনি অভিনয় করছেন জি বাংলার ধারাবাহিক ‘নিম ফুলের মধু’-তে। এই ধারাবাহিকে রুবেলকে দেখা যাচ্ছে পর্ণার স্বামীর ভূমিকায়। রুবেল জানালেন, মেকআপ করে শুটিং করা ক্রমশ কষ্টকর হয়ে দাঁড়িয়েছে। কারণ মেকআপের ফলে বন্ধ হয়ে যায় রোমকূপ। বর্তমানে ইন্দ্রপুরী স্টুডিওয় চলছে ‘নিম ফুলের মধু’-র শুটিং। রুবেলের কথা অনুযায়ী মাঝে মাঝে নাকি এসি খারাপ হয়ে যাচ্ছে ফ্লোরের ফলে পাখা চালিয়ে শুটিং করতে বাধ্য হচ্ছে নির্মাতারা।
রুবেলের কাছ থেকে জানা গিয়েছে তিনি ওআরএস খেয়ে নিজেকে হাইড্রেটেড রাখছেন। খুব হালকা খাবারই খাচ্ছেন সব সময়। জি বাংলার আরও এক জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘জগদ্ধাত্রী’-র নায়িকা অঙ্কিতা মল্লিকও স্বীকার করলেন, এই গরমে শুটিং করতে যথেষ্ট কষ্ট হচ্ছে। উপরন্তু বর্তমানে এই ধারাবাহিকে চলছে বিয়েবাড়ির দৃশ্যের শুটিং। অর্থাৎ সব সময় পড়ে থাকতে হচ্ছে ভারী গয়না ভারী শাড়ি চড়া মেকআপ।
কেবলমাত্র দর্শকদের কথা মাথায় রেখেই শুটিংয়ে উৎসাহ পাচ্ছেন অঙ্কিতা। যথেষ্ট পরিমাণে জল পান করে নিজেকে হাইড্রেটেড রাখছেন তিনিও। ‘জগদ্ধাত্রী’-র স্বয়ম্ভূ ওরফে সৌম্যদীপ মুখোপাধ্যায় জানালেন, ঠাকুরপুকুরের বলাকার কাছে একটি স্টুডিওতে দিনে দশ-বারো ঘন্টা শুটিং চলে তাঁদের। পানীয় জল ও ডাবের জল পান করার পাশাপাশি হালকা খাবার খাচ্ছেন সৌম্যদীপ। যতক্ষণ এসিতে থাকা যায় ততক্ষণই এসির মধ্যে থাকতে চেষ্টা করছেন তারা যাতে ঘাম কম হয় আর শরীর ডিহাইড্রেট হয়ে যাওয়ার আশঙ্কা কমে।

