ছেলের সুখের জন্য নিজের সুখ বলিদান দিলো কমলিনী! সমস্ত রং মুছে ফেলে সাদাকালো জীবনে ফিরলো নায়িকা! ফাঁ’স আজকের দুর্ধর্ষ পর্ব!

বাংলা নানান ধরনের ধারাবাহিকগুলির (Bengali Serial) মধ্যে বর্তমান সময়ের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ধারাবাহিক হল লীনা গঙ্গোপাধ্যায়ের (Leena Gangopadhyay) লেখা চিরসখা (Chirosokha)। প্রথম দিকে ধারাবাহিকের জনপ্রিয়তা খুব একটা না থাকলেও, ধীরে ধীরে এই ধারাবাহিক ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। বর্তমানে টিআরপি তালিকাতে এক থেকে পাঁচের মধ্যে প্রতি সপ্তাহে জায়গা করে নিচ্ছে। ধারাবাহিকটি ধীরে ধীরে দর্শকদের ড্রয়িং রুমে জায়গা করে নিচ্ছে।
ধারাবাহিকের গতকালের পর্বে দেখানো হয়েছে, পাড়ার লোকজন এসে জড়ো হয়েছে কমলিনীদের বাড়িতে। বুবলাইয়ের খবর জানতে পেরে তারা খুবই চিন্তিত তাই বাড়ি বয়ে এসে কমলিনীকে অপমান করতে চলে এসেছে। কমলিনীর জন্য তার ছেলের এই অবস্থা সে নিজের সুখের জন্য সন্তানের সুখ কেড়ে নিয়েছে এসব অপবাদ দিতে থাকে তাকে।

মাকে এমন অপমান করা হচ্ছে দেখে মিঠি আর বাবিল তো বেশিক্ষণ চুপ থাকতে পারে না। নতুনও মুখের উপর যোগ্য জবাব দিয়ে দেয়। ওদিকে যে শাশুড়ি কদিন আগেই কমলিনীকে আশীর্বাদ করেছে তার ভালো থাকার কামনা করেছে সেই শাশুড়ি আজ পাল্টি খাচ্ছে। বুবলাইয়ের এই অবস্থার জন্য কমলিনীকে দায়ী করছে। নতুন সবাইকে স্পষ্ট জানিয়ে দেয় কমলিনীকে এরপর থেকে কেউ অপমান করবে না তাহলে নতুন কড়া পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হবে।
এদিকে ঘরের মধ্যে একা একা গুমরে কাঁদতে থাকে কমলিনী। সে নিজের ছেলের এই অবস্থার জন্য তো নিজেকেই দায়ী করছে। আর মনের মধ্যে শুধু একটা কথাই ঘুরপাক খাচ্ছে তার এই সিদ্ধান্তে নিজের সুখের জন্য সে ছেলেকে সর্বনাশের দিকে ঠেলে দিল। বর্ষার কথাগুলো বারবার তার কানের মধ্যে বাজছে। আর ঠিক তখনই কমলিনীর ঘরে আসে নতুন। নতুন বুঝতে পারে কমলিনীর মনের অবস্থা একেবারেই ভালো নয়। নতুনকে বারবার নিজের কথার মাধ্যমে বুঝিয়ে দেয় যে তার এই সিদ্ধান্ত একেবারেই নেওয়া ঠিক হয়নি। সে নিজের সুখের জন্য ছেলেকে এভাবে বিপদে ফেলে দিল তার মত স্বার্থপর মা আর নেই। নতুন তো নিজেকে এসবের মাঝে অপরাধী মনে করে তার মনে হয় তার সঙ্গে ভালো নেই কমলিনী। এখনো কমলিনী কি চায় সেটা জানতে চায় নতুন।
আরও পড়ুনঃ ‘আমার নিজের খুব একটা…’- অভিনয় জগতে কোয়েল কন্যা কাব্য! মেয়ের অভিনয় জগতে আসা নিয়ে কি বললেন টলিকুইন?
এরপরে কুরচি এসে দেখে কমলিনী এখনো তার ঘরেই রয়েছে। সে কমলিনীকে নতুনের নিজেদের ঘরে যেতে বলে। কিন্তু কমলিনী জানিয়ে দেয় সে তার ঘরেতেই থাকবে আজ। এদিকে নতুনও জানায় সে কমলিনীর চোখের সামনে থেকে অনেক দূরে চলে যাবে। কুরচি বারবার কমলিনীকে বোঝানোর চেষ্টা করে। নিজেকে অপরাধী না ভাবতে এসবের পিছনে তার কোন দোষ নেই। কিন্তু কমলিনী নিজেকে অপরাধী ভাবে বারবার। বাধ্য হয়ে তাই কুরচি নতুন যে যার ঘরে চলে যায়। মাঝরাতে নতুন মনের ব্যথা থেকে গান গেয়ে ওঠে। সকলেই বুঝতে পারে নতুনের মন খারাপ। কমলিনীর আচরণে সে কষ্ট পেয়েছে। দেখা যাক কি হয় আগামী পর্ব।

